রিযিকের মালিক আল্লাহ পাক


আল্লাহ্ পাক নিষেধ করে দিয়েছেন সরাসরি কুরআন শরীফে একাধিক আয়াতে যে,
ولا تقتلوا اولادكم خشية املاق نحن نرزقهم واياكم.
“তোমরা সন্তানকে খাওয়া-পরার অভাবে হত্যা করনা। আমি তোমাদেরকে যেমন খাওয়া পরা দিয়ে থাকি ঠিক তাদেরকেও তদ্রুপ দিব।” (সূরা বণী ইসরাঈল/৩১)

প্রত্যেক সন্তান যখন জন্মগ্রহণ করে তখন সে তার রিযিক সাথে নিয়ে আসে অর্থাৎ প্রত্যেকেই তার রিযিক নিয়ে আসে। যেমন, সন্তান যমীনে আসার আগেই আল্লাহ্ পাক মা’র বুকে দুধ দিয়ে দেন। সেখানে কেউ দুধ দেয়না। কিন্তু কুদরতীভাবে আল্লাহ্ পাক সেটা ব্যবস্থা করে দেন। তাই আল্লাহ্ পাক-
هو الرزاق ذو القوة المتين-
“তিনি উত্তম ও শক্তিশালী রিযিকদাতা।” (সূরা জারিয়াত/৫৮)

অথচ, এখন পিতা – মাতা উভয় যার যার সন্তান দুনিয়াতে আসার আগেই ঔষুধ খেয়ে নষ্ট করে ফেলে খাওয়া – পরার অজুহাত দিয়ে। নাউজুবিল্লাহ।

আবার বিয়ের আগেই শারীরিক সম্পর্ক ( অবৈধ সম্পর্ক ) করে বাচ্চা পেটে আসার আগে ও পরে এবং বাচ্চা হওয়ার পরও মেরে ফেলে । নাউজুবিল্লাহ।

অনেক সচ্ছল পরিবার আছে , তারা যথেস্ট খাওয়া -পরা থাকা সত্ত্বেও জন্ম-নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করে গুনাহর কাজ করে যাচ্ছে । নাউজুবিল্লাহ ।

মহান আল্লাহ পাক এসব খারাবী থেকে বদ আক্বিদা থেকে আমাদেরকে হেফাজত করুন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি হুশনেজন পোষণ করার তওফিক দান করুন । আমীন ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে