‘লকডাউন’ শোষনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা সময়ের দাবী


আবারো দেশের মধ্যে, দশের মধ্যে, জাতির মধ্যে, তথাকথিত করোনার ভীতি জাগিয়ে তোলার লক্ষ্যে সোচ্চার হয়েছে- জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘের প্রতিনিধি নামধারী দেশীয় দালালরা। তাদেরকে করোনার বিশ্বায়নের সহযোগীতার নামে মদদ করছে সরকারী বিভিন্ন সংস্থা।
যারা ফুটপাতে ফেরী করে খায়, যারা নিজ ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে আয় করে, যারা বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে, যারা কোচিং করিয়ে রুজি করতেন, যারা দেশের ভিতরে এক জেলা হতে আরেক জেলায় আমদানী রপ্তানী করেন তাদের সকলের উপর এমন এমন সব আইন নিয়ম-নীতি বিধি চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে যাতে করে সকলে ফকির হয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়। নাউজুবিল্লাহ!
ইতোমধ্যে ইউরোপ-আমেরিকার দেশে দেশে করোনার নামে লকডাউন শাটডাউন সহ জনগণের চলাফেরায় বিধিনিষেধের প্রতিবাদে সাধারণ জনগন রাস্তায় নেমেছে। একই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে করোনা ভীতির নামে শাষকদের শোষণের বিরুদ্ধে গর্জে উঠার আওয়াজ। দেশের বিভিন্ন স্থানে-শরীয়তবিরোধী, মানবতাবিরোধী, সুস্থ সভ্যতাবিরোধী এসব বিধিনিষেধের প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। তারা একযোগে প্রতিবাদ করে বলছেন- কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না- তা হবে না। করোনা বৃদ্ধির নামে উস্কানী আর তথ্য সন্ত্রাস বন্ধ করো-করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদে যেতে বাধা দেয়া চলবে না-মানবো না ইত্যাদী। অথচ এরই মধ্যে ঠিকই শাসকগোষ্ঠি তাদের যাবতীয় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, খেলতামাশার আয়োজন উদ্বোধন করে যাচ্ছে, বিদেশী নেতাদেরকে এনে ভুরিভোজসহ নানা সংবর্ধনা দিচ্ছে। গতবছর থেকে এই করোনার অজুহাতে কতজনের চাকরী যে গেলো, কতজনের ব্যবসা নষ্ট হলো, কতজনের সংসার ভাঙ্গলো, কতজন যে না খেয়ে মরলো তার কি কোন হিসাব শাসকগোষ্ঠি কিংবা দেশী বিদেশী দালাল গং খোঁজ খবর রেখেছে? এমন সব ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে জনতা। জনগণের প্রতিবাদ প্রতিরোধ ক্ষোভে বড় কিছু ঘটে যাবার আগেই শাসকদের সচেতন হতে হবে। অবিলম্বে করোনার নামে অযাচিত বিধিনিষেধ পদক্ষেপ নেয়া হতে বিরত থাকতে হবে। জনগণের সুযোগ সুবিধাকে সবার আগে, সবকিছুর আগে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সেটাই সকল পক্ষের জন্য কল্যাণের কারণ হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে