জাতির মেরুদণ্ডে পচন ধরেছে!


জাতির মেরুদণ্ডে পচন ধরেছে!

একটি বাক্য। একটি বুলি। এটা সবাই জানে। “শিক্ষা জাতির মেরুদ-”। কিন্তু এই মেরুদ- এখন কেমন আছে, কোনো অবস্থায় আছে- এটা নিয়ে কি বাঙালি মুসলমানদের যে কোনো ভাবনা নেই, এটা বুঝার জন্য বেশি দূরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার সন্তানের বা আপনার ভাই-বোনের পঠিতব্য পাঠ্যবইগুলোর সূচিটা একটু দেখুন। এরপর কয়েকটি পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করুন। দেখুন- কিভাবে আগাগোড়া বিধর্মী লেখক-সাহিত্যিকদের লেখা দিয়ে সাজানো হয়েছে বইগুলোকে। বইয়ের রচনা-কবিতাগুলোতেও কিভাবে বিধর্মীয়ানী সমাজ-সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কিভাবে বিধর্মীদের জীবনীকে নন্দিত করা হয়েছে। অথচ এসব বইগুলোতে নেই কোনো ইসলামী ভাবধারার কোনো লেখক-সাহিত্যিকদের লেখনী, নেই কোনো মুসলিম সমাাজিক-পারিবারিক সংস্কৃতির বর্ণনা, নেই কোনো মুসলিম ব্যক্তিত্বের উল্লেখযোগ্য কোন জীবনী।

বইগুলোকে এভাবে দ্বিখন্ডিত করার পরও বাঙালি মুসলিম জাতির নির্বিকার ও উদাসীনতা কি প্রমাণ করে? এটাই প্রমাণ করে- এ জাতির মেরুদ-ের পচন চূড়ান্তরূপ ধারণ করেছে। কথিত ধর্মনিরপেক্ষতা শিক্ষার নামে ইসলাম শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে এখন বিধর্মীত্বই এদেশের মূল শিক্ষানীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তাইতো এখন এদেশে ইসলামের বিরুদ্ধে বললে প্রতিবাদ হয় না, কিন্তু বিধর্মীদের পূজার বিরুদ্ধে বললে জেল জরিমানা হয়
প্রচলিত এ শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে না পারলে ‘বাঙালির মুসলমানিত’¡ ইতিহাস থেকেও মুছে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]