শরীয়ত বিরোধী ইজতিহাদ করা ইবলিসের খাছলত ও সুস্পষ্ট গোমরাহী 


 

আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা না করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে জিজ্ঞাসা করলেন,
مَا مَنَعَكَ أَلَّا تَسْجُدَ إِذْ أَمَرْتُكَ
অর্থ:- “(হে ইবলীস) কোন জিনিস সিজদা করা থেকে তোকে বিরত রাখলো।” (পবিত্র সূরা আরাফ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১২)
ইবলীস তখন মনগড়া ইজতিহাদ করে বললো,
أَنَا خَيْرٌ مِّنْهُ خَلَقْتَنِي مِن نَّارٍ وَخَلَقْتَهُ مِن طِينٍ
অর্থঃ- “(আয় মহান আল্লাহ পাক) আমি উনার থেকে উত্তম। কারণ আপনি আমাকে আগুণ থেকে তৈরী করেছেন, আর উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১২)
কাজেই আগুণের স্বভাব হলো- উপরে থাকা, আর মাটির স্বভাব হলো- নীচে থাকা, তাই আমি আগুণ হয়ে মাটিকে সিজদা করতে পারিনা।” নাউযুবিল্লাহ!
উল্লেখ্য, ইবলীসের উক্ত ইজতিহাদ ছিল মনগড়া ও মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুমের সম্পূর্ণই খিলাফ। যার ফলে তার সে ইজতিহাদই তাকে চির জাহান্নামী, লা’নতী ও চরম গোমরাহীতে নিপতিত করেছে। যে সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
أَبَىٰ وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থঃ- “(ইবলীস) সিজদা করতে অস্বীকার করলো এবং অহংকার করে (মনগড়া ইজতিহাদ করলো।) তাই সে কাফিরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ২৪)
তদ্রুপ বলতে হয়, যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ প্রকাশ্য হারামগুলোকে মনগড়া ও শরীয়ত বিরোধী ইজতিহাদ করতঃ হালাল করতে চায়, আবার হালালকৃত বিষয়গুলোকে হারাম করে, তারাও ইবলীসের খাছ অনুসারী এবং গোমরাহ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]