শুকনা ও গাছপাকা খেজুর খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক এবং তার আশ্চর্যজনক উপকারীতা সম্পর্কে-৩


শুকনা ও গাছপাকা খেজুর খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক এবং তার আশ্চর্যজনক উপকারীতা সম্পর্কে-৩

(পূর্ব প্রকাশিতের পর) খেজুর গাছের রস খাওয়া প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
 عن حضرت ابن عمر رضى الله تعالى عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أكل جمار النخل 
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খেজুর গাছের রস খেয়েছেন।
♦খেজুরের উপকারীতা সমূহ:-♦
খেজুরকে ‘ওয়ান্ডার ফ্রুট’ বলা হয়। এতে রয়েছে আয়রন, খনিজ, ক্যালসিয়াম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফসফরাস এবং ভিটামিনখেজুরকে ‘ওয়ান্ডার ফ্রুট’ বলার কারণ হল, এতে রয়েছে আয়রন, খনিজ, ক্যালসিয়াম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফসফরাস এবং ভিটামিন। খেজুর স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য বাড়াতেও কাজ করে। গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজের ভান্ডার খেজুর ডায়াবেটিসের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এর পাশাপাশি এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। এতে কোলেস্টেরল থাকে না।

কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং হার্ট সংক্রান্ত সমস্যা প্রতিরোধেও এটি খুবই কার্যকরী।

১. শরীরে শক্তি বাড়ায়: খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজ পাওয়া যায়। তাই তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য এটি খাওয়া উপকারী। এমনকি দুই থেকে চারটি খেজুর খেলেও সঙ্গে সঙ্গে শক্তি পাবেন।

২. ওজন বাড়ানোর জন্য কার্যকরী:-আপনার ওজন কম হলে খেজুর খাওয় খুবই উপকারী। এতে রয়েছে চিনি, ভিটামিন এবং অনেক প্রয়োজনীয় প্রোটিন যা ওজন বাড়াতে কাজ করে। আপনি যদি খুব রোগা হন, তাহলে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি খেজুর খাওয়া শুরু করুন।

৩. হাড়ের শক্তির জন্য:-খেজুরে উপস্থিত লবণ হাড় মজবুত করতে কাজ করে। এতে ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং কপার রয়েছে। এগুলো হাড়কে শক্তিশালী করে।
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি:- যাদের বদহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে রয়েছ পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, যার কারণে হজম প্রক্রিয়া ঠিক থাকে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় চারটি খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফল দেখতে পাবেন।
৫. ত্বককে সুন্দর রাখে:- ভিজিয়ে রাখা খেজুর খেলে ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়। ত্বক কোমল করে তোলে। খেজুরের বার্ধক্য বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তাই যারা খেজুর খান তাদের তাড়াতাড়ি বার্ধক্য দেখা দেয় না।

৬.খুরমা খেজুর:- সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য অর্থাৎ ইরান,ইরাক সৌদি আরব এবং পাকিস্তানে হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক গবেষনায়, খুরমা খেজুর পুষ্টিকর ও নারী-পুরুষের দৈহিক শক্তি বর্দ্ধক। খেজুরের শুকানো অবস্থাটাকেই আমরা খুরমা বলে থাকি। খেজুর ও খুরমাতে প্রায় একই পুষ্টিগুণ বিদ্যমান থাকে। (পরবর্তী সংখ্যার অপেক্ষায় থাকুন)
♥আহমদ হুসাইন♥

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]