শুধুমাত্র করোনার অজুহাতে নয় বরং কোন অজুহাতেই তারাবীহ নামাজ ২০ রাকাতের কম করা যাবে না


গত বছরের ন্যায় এবারো ইহুদী মদদপুষ্ট সৌদী ওহাবী মৌলভী গং ফতোয়া দিয়েছে, কথিত করোনার সংক্রমন রোধ করতে আসন্ন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে হারামাইন শরীফে মসজিদসমূহে পবিত্র তারাবীহ নামাজ ১০ রাকায়াত পড়তে হবে। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক।
সৌদী ওহাবী মৌলভীদের উপরোক্ত সিদ্ধান্ত বহুদিক হতে কুফরী হয়েছে। যেহেতু তারা ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করেছে। অথচ দ্বীন ইসলাম তথা ইসলামী শরীয়তে ছোঁয়াচে রোগ বিশ্বাস করা কাট্টা হারাম ও কুফরী। কোন মুসলমান এমন আকীদা রাখলে সে বেঈমান হয়ে যাবে। এছাড়া তারাবীহ নামাজ ২০ রাকায়াত আদায় করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরু হতেই হয়ে আসছে। সে কারণে ফতোয়া রয়েছে- যে কেউ একাকি পড়ুক কিংবা জামায়াতে পড়ুক তারাবীহ নামাজ অবশ্যই ২০ রাকায়াতই পুরা করতে হবে। এক রাকায়াত যদি কম পড়া হয় তবে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। যা কবীরা গুনাহ হবে অর্থাৎ ২০ রাকায়াতের কম পড়ার কারণে কবীরা গুনাহগার হিসেবে সাব্যস্ত হবে। এছাড়া সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে সৌদী দরবারী মৌলভীদের এমন ফতোয়া সরাসরি শিরক হয়েছে। যেহেতু তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলামী শরীয়ত উনার বিধি-বিধানকে নিজ থেকে হের-ফের কম-বেশ করার অপচেষ্টা করেছে। যা কাদীয়ানীদের মতো নবুওয়াত দাবী করার শামিল।
অতএব যে বা যারা মুসলমান দাবী করেও সৌদী দরবারী কেনা মৌলভীদের অনুসরণ করবে তারাও গুমরাহ বিভ্রান্ত হবে। এজন্য সৌদী মৌলভীদের এবং প্রশাসকদের দায়িত্ব হবে তথাকথিত করোনার অজুহাতে-তারাবীহ নামাজ উনার রাকায়াত কমানোর মতো সুস্পষ্ট গুমরাহীমূলক সিদ্ধান্ত হতে খালিছ তওবা করে সরে আসা। সঠিকভাবে তারাবীহসহ সকল প্রকার ইবাদত বন্দেগী হারামাইন শরীফের মসজিদসমূহে করার সুবিধার্থে মুসল্লীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে