শুধুমাত্র প্রায় ১% লোক, যারা সরকারি চাকুরে, তাদেরকেই সব সুবিধা প্রদান কেন?


সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রথম শ্রেণী থেকে উচ্চ শ্রেণীর কর্মকর্তাদের। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সেসব পরিবারের ব্যয়ের মাত্রাও বেড়ে গেছে। যার প্রভাব পড়েছে সমাজ ও বাজারে। অথচ দেশে মাত্র প্রায় ১ শতাংশ লোক তথা ২১ লাখ সরকারি চাকরি করে। তাদের বেতন বাড়িয়েই নাগরিকদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি দেয়া হয়েছে মনে বলে হবে না। আরো বাদ পড়ে আছে বাকি ৯৯ ভাগ জনগোষ্ঠী। কিন্তু তাদের সুবিধা দেয়াকে সরকার আদৌ গুরুত্বের সাথে দেখে না। সমালোচক মহলের ভাষায়, তাদেরকে যেন সরকার দেশের নাগরিকই মনে করে না। যে কারণে তাদের সুবিধা দেয়ার কথাটা সরকারের হিসেবে নেই। একথা ঠিক যে, সবাই সরকারি চাকুরে হবে না।
তবে এটা আরো ঠিক যে, বেসরকারি লোকদেরও সরকারি সুবিধা দেয়া যায়। বৈষম্যে অবসান করা যায়। এক্ষেত্রে একটি কাজই সঙ্গত তা হলো জিনিসপত্রের দাম কমানো ও সিন্ডিকেট নির্মূল করা। মজুদদারী, মুনাফাখোরী নির্মূল, বাজার ব্যবস্থায় সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এ কথা ভীষণ বিব্রতকর যে, বর্তমান দ্রব্যমূল্য পশ্চিমা শোষক গোষ্ঠী, পাকী আমল- এমনকি ব্রিটিশ ঔপনেবেশিক আমল থেকেও বহুগুণ, অনেকগুণ বেশি শোষণমূলক। এ শোষণ থেকে মুক্তি না দিলে বর্তমান সরকারের জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রচার করা হবে নিতান্ত বেমানান।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]