সংকীর্ণ মানসিকতার জন্য বাতিল ফির্কার লোকেরা নবীজীর শান বুঝতে পারে না


নাস্তিকদের সাথে উলামায়ে ছূদের পার্থক্য তেমন একটা দেখি না। সংকীর্ণ মানসিকতার জন্য ধর্মব্যবসায়ী মৌলবীরা সঠিক আক্বীদা মেনে নিতে পারে না। একটা ঘটনা বললে বুঝতে সহজ হবে। এক নাস্তিক একবার এক বিদয়াতি মৌলবীকে বলছে, এই একটা সুঁচ, এটার ভিতর দিয়ে একটা সূতা যায়। বলুনতো আল্লাহ কি এই সূঁই এর ছোট্ট ফুটার মধ্যে দিয়ে পুরা পৃথিবী নিতে পারবেন কিনা?
বিদয়াতি মৌলবী চিন্তায় পরে গেলো। সে ভাবতে লাগলো এই অল্প একটু ছিদ্র দিয়ে আল্লাহ পাক কিভাবে পৃথিবী প্রবেশ করাবেন? পৃথিবী প্রবেশ করবে কি করবে না এটা নিয়ে সে দিদ্ধা দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে গেলো। ফলশ্রুতিতে আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতা ও শক্তি নিয়ে সংশয় করে বেঈমান হয়ে গেলো।
ওহাবী বিদয়াতি মৌলবীদেরও সেই দশা। আল্লাহ পাক কি করে উনার নবী ওলীদের এত শান মান দিবেন, ক্ষমতা দিবেন এসব হিসাব মিলাতে পারে না। নবী ওলীগন কিভাবে গায়েব জানবেন? কিভাবে অন্যকে সাহায্য করবেন? সুপারিশ করবেন? কোনটাই বুঝতে পারে না….
কারনটা হচ্ছো তাদের আল্লাহ পাকের ক্ষমতা সম্পর্কে ধারনাটা নিম্নমানের। নাউযুবিল্লাহ ।
আল্লাহ পাক বলেন, সমগ্র রাজত্বের মালিক আল্লাহ। যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দেন, যার থেকে ইচ্ছা রাজত্ব কেড়ে নেন। যাকে ইচ্ছা সম্মান দেন, যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন।” (সূরা আল ইমরান ২৬)
এখন আল্লাহ পাক কাউকে মনোনীত করে রাজত্ব, সম্মান দান করেন ওহাবীদের সমস্যা কোথায়?
কাফির মুশরিক, ওহাবী বাতিল ফির্কাকে কোন রাজত্ব দেন নাই, তাদের লাঞ্ছিত করেছেন এদের বদ আমল আক্বীদার জন্য। সূতরাং কপর্দকশূণ্য, লাঞ্ছিত ওহাবীরা কিভাবে বাদশাহর বাদশাহী বুঝবে? না বোঝার কারনে তারা বিরোধীতায় লিপ্ত হয়।
সবচাইতে বড় কথা তারা আল্লাহ পাকে শান বুঝতেও অক্ষম। তাদের ধারনা আল্লাহ পাক যদি কাউকে ক্ষমতা দেন তবে আল্লাহর বুঝি ক্ষমতা কমে যাবে। নাউযুবিল্লাহ। অথচ হাদীস শরীফে আছে, সমগ্র সৃষ্টি কূল যদি তাদের সকল চাহিদা আল্লাহর নিকট পেশ করে, আর আল্লাহ পাক যদি সব চাহিদা পুরন করেন তবে আল্লাহ পাকের ভান্ডার থেকে কতটুকু কমবে? উদাহরণ দেয়া হয়েছে, একটা মহাসাগরের মধ্যে একটু সুঁই ডুবালে সুঁই এর মাথায় যে পরিমাণ পানি আসবে, মহাসাগর থেকে ওই পরিমাণ পানি কমলে যে পরিমান কমবে সে পরিমাণ। অর্থাৎ কিছুই কমবে না। এই হলো আল্লাহ পাক উনার শান। আর আল্লাহ পাক উনার হাবীবের জন্য সব কিছু সৃষ্টি করেছেন। তাহলে সেই হাবীবের মর্যাদা, ক্ষমতা কতটুকু হবে সেটা কি রাস্তার মোড়ে মোড়ে খয়রাত করা ওহাবীরা বুঝবে? বুঝবে না, বোঝার কথাও না। তাই তাদের বিরোধীতা। নবীজীকে নিজেদের মত মানুষ মনে করার প্রবণতা। নাউযুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে