সন্ত্রাসীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দুশমন, মুসলমানদের দুশমন, দেশ ও স্বাধীনতার দুশমন।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে- ‘সম্মানিত ইসলাম’। সুবহানাল্লাহ!
‘ইসলাম’ শব্দ মুবারক উনার অর্থ হচ্ছে- শান্তি, নিরাপত্তা ইত্যাদি। তাই সম্মানিত দ্বীন ইসলামে সন্ত্রাস বা অশান্তির কোনো স্থান নেই। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সন্ত্রাস বা অশান্তি সৃষ্টি করা হারাম। সন্ত্রাসীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দুশমন, মুসলমানদের দুশমন, দেশ ও স্বাধীনতার দুশমন।
এদেরকে চিহ্নিত করা, প্রতিহত করা ও নিশ্চিহ্ন করা জনগণ ও সরকার সকলের জন্যই দায়িত্ব-কর্তব্য।
ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে- ‘সম্মানিত ইসলাম’। সুবহানাল্লাহ! ‘ইসলাম’ শব্দ মুবারক উনার অর্থ হচ্ছে- শান্তি, নিরাপত্তা ইত্যাদি। তাই সম্মানিত ইসলামে সন্ত্রাস বা অশান্তির কোনো স্থান নেই। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সন্ত্রাস বা অশান্তি সৃষ্টি করা হারাম। সন্ত্রাসীরা সম্মানিত ইসলাম উনার দুশমন, মুসলমানদের দুশমন, দেশ ও স্বাধীনতার দুশমন।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, সন্ত্রাস সমাজে অশান্তি বা ফিৎনা সৃষ্টি করে। অন্যায়ভাবে কাউকে গুলি করে, বোমা মেরে বা যেকোনভাবে হত্যা করা, বিভিন্ন স্থাপনায় বোমা হামলা করা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা মূলত; ফিৎনা সৃষ্টিরই কারণ যা ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যমীনে ফিৎনা বা ‘অশান্তি’ সৃষ্টি করো না। মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোনো মু’মিন-মুসলমানকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে তার স্থান হচ্ছে জাহান্নাম। নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মুসলমানকে গালি দেয়া গুনাহ; আর হত্যা করা কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ পবিত্র হাদীছ শরীফ অর্থাৎ ইসলামী শরীয়তে যেসব ক্ষেত্রে কতল বা হত্যার বিধান দিয়েছে তার সঠিক ব্যাখা ও প্রয়োগ সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ার কারণেই সন্ত্রাসীর পথ বেছে নেয়। নাউযুবিল্লাহ! মূলত ইসলামী শরীয়তে যেসব ক্ষেত্রে কতল বা হত্যা অর্থাৎ মৃত্যুদ-ের বিধান রয়েছে, তা সম্পূর্ণ রূপেই ইসলামী খেলাফতে খলীফা উনার অধিন। অর্থাৎ স্বয়ং খলীফা ইসলামী খেলাফত উনার বিধান অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করবেন। যেমন আমাদের দেশের সংবিধানেও অনেক অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদ-ের বিধান রয়েছে। তাই বলে যেকেউ সেবিধান কার্যকর করতে পারবে না। সংবিধান অনুযায়ী সরকারই তা কার্যকর করবে, নচেৎ সমাজে ফিৎনা ও অশান্তি সৃষ্টি হবে। এ বিষয়টা না বুঝার কারণেই অনেকে সন্ত্রাসবাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়। নাউযুবিল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, মোটকথা হলো-‘ইসলাম’ শব্দ মুবারক উনার অর্থ হচ্ছে- শান্তি, নিরাপত্তা ইত্যাদি। তাই সম্মানিত ইসলামে সন্ত্রাস বা অশান্তির কোনো স্থান নেই। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সন্ত্রাস বা অশান্তি সৃষ্টি করা হারাম। সন্ত্রাসীরা সম্মানিত ইসলাম উনার দুশমন, মুসলমানদের দুশমন, দেশ ও স্বাধীনতার দুশমন। এদেরকে চিহ্নিত করা, প্রতিহত করা ও নিশ্চিহ্ন করা জনগণ ও সরকার সকলের জন্যই দায়িত্ব-কতব্য।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]