সন্ত্রাসী উপজাতিদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করলেই পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে


বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই বার্মা, নেপাল, ভারত প্রভৃতি দেশ থেকে আসা উপজাতিরা বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে খুঁটি গেড়েছিল। তৎকালীন সরকারের উচিত ছিল এগুলোকে আশ্রয় না দিয়ে বিতাড়িত করা। কিন্তু সেটা না করায় আজ অবধি এর যন্ত্রণার ফল ভোগ করছে দেশের সরকার ও জনগণ। পাহাড়ে বছরের পর বছর চলে আসা বাঙালিদের সাথে সংঘর্ষ আর রক্তপাতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় অতিষ্ঠ বাংলাদেশের জনগণ। জাতি এই বিষফোঁড়ার যন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণ চায়।

উল্লেখ্য, পাহাড়ি অঞ্চল হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনাময় সম্পদশালী ভূখণ্ড। পাহাড়ি উপজাতিদের সাথে কথিত শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ি অঞ্চল একসময় দেশ থেকে এমনভাবে পৃথক হয়ে যাবে, যা থেকে বাংলাদেশ কোনো ফায়দা হাছিল করতে পারবে না। এমনকি পাহাড়ে পর্যটন শিল্প, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কোনো জায়গা জমি কেনা, ফসল উৎপাদন, চাষ-বাস ইত্যাদি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ। উগ্রবাদী পাহাড়িরা তাদের উগ্র সন্ত্রাসবাদ কাজ করার সুযোগ পাবে। কথিত শান্তি চুক্তির ১৩ দফা বাস্তবায়িত হলে সুদূর ভবিষ্যতে এই উপজাতিরাই বাংলাদেশ তাদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করবে না সে ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। কাজেই গুটি কয়েকটি গোষ্ঠীর সাথে কথিত শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন না করে বরং তাদেরকে দেশ থেকে বিতাড়িত করে তাদের মাতৃভূমিতে পাঠিয়ে দেয়া।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]