সবার সাথে বন্ধুত্ব দেখাতে গেলে ডোডো পাখির মতোই বিলুপ্ত হয়ে যেতে হবে


বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের মুখে একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, “কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব”। যদিও আমরা বোধশক্তি হওয়ার পর থেকেই প্রতিযোগিতামূলক একটি পৃথিবীতে বড় হই এবং দিন দিন এই প্রতিযোগিতার মাত্রা বাড়ছেই। এই দুনিয়াতে কোনো প্রাণীই শত্রু ব্যতীত জন্মগ্রহণ করে না। যেই প্রাণী তার শত্রু সম্পর্কে সচেতন নয় তাকে অবশ্যই মরতে হবে।
ইউরোপীয় নৌ-দস্যুরা সমুদ্রপথে যখন ভারতবর্ষে আসতো, তখন তারা মরিশাস নামক একটি দ্বীপে তাদের জাহাজগুলো নোঙর করতো। ঐ দ্বীপে ‘ডোডো’ নামের একটি পাখি বাস করতো, যাদেরকে নৌ-দস্যুরা ধরে ধরে খেতো। ঐসব ডোডো পাখিগুলোকে যখন ধরা হতো, তখন তারা পালানোর কোনো চেষ্টা করতো না। এ কারণেই পর্তুগীজ নাবিকেরা তাদের নাম দিয়েছিল ‘ডোডো’ অর্থাৎ বোকা। কারণ ঐসব পাখিরা তাদের শত্রু চিনতো না, তারা বুঝতো না যে তাদের খাওয়ার জন্য ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ইউরোপীয় নৌ-দস্যুদের অব্যাহত শিকারের কারণে ডোডো পাখি আজ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত। ঠিক এভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল স্পেনের মুসলমানরা। মুসলমানদেরকে যখন খ্রিস্টানরা বললো, মসজিদে আশ্রয় নিলে তারা নিরাপদ থাকবে, তখন শত্রুদের কথায় বিশ্বাস করে তারা মসজিদে আশ্রয় নিলো। খ্রিস্টানরা পরে মুসলমানদের মসজিদে তালাবদ্ধ করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়, আর বাইরে থেকে উল্লাস করতে থাকে ‘ফুল’ ‘ফুল’ অর্থাৎ ‘বোকা’ ‘বোকা’ বলে।
ডোডো পাখি তার শত্রু চিনতো না, মুসলমানরাও তাদের শত্রু চিনে না। উভয়কেই এজন্য খ্রিস্টানরা নাম দিয়েছিল ‘বোকা’। নাউযুবিল্লাহ! আওয়ামী লীগ সরকার ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব’-এর নীতি গ্রহণ করেছে, এজন্য ভারত হোক আর মিয়ানমার হোক, সবাই বাংলাদেশের নাগরিকদের এসে মেরে যায়। সবার সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে তো ডোডো পাখির মতোই বিলুপ্ত হতে হবে, স্পেনের মুসলমানদের মতোই মরতে হবে। বর্তমান সরকার বাঙালি মুসলমান জাতিকে সেই পথেই পরিচালিত করছে। নাউযুবিল্লাহ!

-গোলাম মাওলা।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের মুখে একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, “কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব”। যদিও আমরা বোধশক্তি হওয়ার পর থেকেই প্রতিযোগিতামূলক একটি পৃথিবীতে বড় হই এবং দিন দিন এই প্রতিযোগিতার মাত্রা বাড়ছেই। এই দুনিয়াতে কোনো প্রাণীই শত্রু ব্যতীত জন্মগ্রহণ করে না। যেই প্রাণী তার শত্রু সম্পর্কে সচেতন নয় তাকে অবশ্যই মরতে হবে।
ইউরোপীয় নৌ-দস্যুরা সমুদ্রপথে যখন ভারতবর্ষে আসতো, তখন তারা মরিশাস নামক একটি দ্বীপে তাদের জাহাজগুলো নোঙর করতো। ঐ দ্বীপে ‘ডোডো’ নামের একটি পাখি বাস করতো, যাদেরকে নৌ-দস্যুরা ধরে ধরে খেতো। ঐসব ডোডো পাখিগুলোকে যখন ধরা হতো, তখন তারা পালানোর কোনো চেষ্টা করতো না। এ কারণেই পর্তুগীজ নাবিকেরা তাদের নাম দিয়েছিল ‘ডোডো’ অর্থাৎ বোকা। কারণ ঐসব পাখিরা তাদের শত্রু চিনতো না, তারা বুঝতো না যে তাদের খাওয়ার জন্য ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ইউরোপীয় নৌ-দস্যুদের অব্যাহত শিকারের কারণে ডোডো পাখি আজ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত। ঠিক এভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল স্পেনের মুসলমানরা। মুসলমানদেরকে যখন খ্রিস্টানরা বললো, মসজিদে আশ্রয় নিলে তারা নিরাপদ থাকবে, তখন শত্রুদের কথায় বিশ্বাস করে তারা মসজিদে আশ্রয় নিলো। খ্রিস্টানরা পরে মুসলমানদের মসজিদে তালাবদ্ধ করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়, আর বাইরে থেকে উল্লাস করতে থাকে ‘ফুল’ ‘ফুল’ অর্থাৎ ‘বোকা’ ‘বোকা’ বলে।
ডোডো পাখি তার শত্রু চিনতো না, মুসলমানরাও তাদের শত্রু চিনে না। উভয়কেই এজন্য খ্রিস্টানরা নাম দিয়েছিল ‘বোকা’। নাউযুবিল্লাহ! আওয়ামী লীগ সরকার ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব’-এর নীতি গ্রহণ করেছে, এজন্য ভারত হোক আর মিয়ানমার হোক, সবাই বাংলাদেশের নাগরিকদের এসে মেরে যায়। সবার সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে তো ডোডো পাখির মতোই বিলুপ্ত হতে হবে, স্পেনের মুসলমানদের মতোই মরতে হবে। বর্তমান সরকার বাঙালি মুসলমান জাতিকে সেই পথেই পরিচালিত করছে। নাউযুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]