সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে সাক্ষীর জন্য দুই জনই যথেষ্ট, অথচ কুখ্যাত খুনি রাজাকার সাঈদীর যুদ্ধাপরাধের ২৮ জন সাক্ষী দেয়ার পরেও রহস্যজনক কারণে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো না


সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে দুইজন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ দুইজন মহিলা হলে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট। কিন্তু কুখ্যাত রাজাকার সাঈদী ওরফে দেইল্যা রাজাকারের বিরুদ্ধে মোট ২৮ জন সাক্ষী হাজির হয়। এর মধ্যে ২০ জন সরাসরি ঘটনার সাক্ষী। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ১২০ পৃষ্ঠার রায়ে দেইল্যা রাজাকারের ফাঁসি আদেশও দেয়া হয়। রাজাকার সাঈদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণ ইত্যাদি ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। তন্মধ্যে, ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ প্রদান করেছিল ট্রাইব্যুনাল-১।
বলাবাহুল্য, কথিত আপীলের নামে দীর্ঘসময় অতিক্রম করে অবশেষে রহস্যজনক কারণে পূর্বের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বাতিল করে শাস্তি কমিয়ে আমৃত্যু কারাদ- দেয় আদালত।
এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে দুটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, ১. খুনি রাজাকার সাঈদীর বিরুদ্ধে দেয়া প্রথম রায়টি কী তাহলে নাটকীয় ছিল? ২. নাকি বর্তমান রায়টি সরকার-যুদ্ধাপরাধী আঁতাত হওয়ার ফসল? কোনটি সত্য?

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+