সম্মানিত চার মাযহাবের ইমামগণই বাইয়াত গ্রহণ করেছেন


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি থেকে ইরশাদ মুবারক করেন-
ومن مات وليس في عنقه بيعة، مات ميتة جاهلية
অর্থ: যে ব্যক্তি বাইয়াত ছাড়া মারা গেল সে যেন জাহেলিয়াতের যুগের ন্যায় মৃত্যুবরণ করল। (মুসলিম শরীফ)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর থেকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, হযরত তাবেয়িন-তাবে-তাবেঈন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম ও ছালিহিনগণ উনাদের মধ্যে যুগ যুগ ধরে বাইয়াত গ্রহণের সিলসিলা চলে আসছে।
ইখলাস বা অন্তরের পবিত্রতা অর্জনে কামিল শায়েখ উনার কাছে বায়াত গ্রহণ করা ফরযে আইন। তাই চার মাযহাবের প্রত্যেক সম্মানিত ইমামগণ উনারা বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন।
১. হযরত ইমাম আ’যম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি দু’জনের কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন। উনারা হলেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমীস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
২. হযরত ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইমাম মালিক রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন।
৩. হযরত ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি বায়াত গ্রহণ করেছিলেন হযরত ইমাম নাফি’ রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে।
৪. আর হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন হযরত আবু হামজা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই সম্মানিত চার মাযহাবের ইমামগণই যেহেতু বাইয়াত গ্রহণ করেছেন তাহলে উনাদের যারা মু’তাকিদ বা অনুসারী উনাদের প্রত্যেককেই বর্তমান যামানাতেও একজন হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহ কামিল শায়েখ উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করতে হবে। কারণ বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে