সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাল্যবিবাহ বিরোধী সর্বপ্রকার আইন তুলে নিয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি) ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথা মুবারকও বলেন না, কোনো কাজ মুবারকও করেন না এবং কোনো সম্মতি মুবারকও দেননা।”
নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক ও খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাল্যবিবাহ বিরোধী সর্বপ্রকার আইন তুলে নিয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া।
আর হক্কানী-রব্বানী আলিম উলামা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সরকারসহ জনগণকে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে ছহীহ ইল্ম ও সমঝ দেয়া যে, বাল্যবিবাহ হচ্ছে খাছ সুন্নত। আর সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হচ্ছে- সম্মানিত সুন্নত উনার বিরোধিতা করলে ঈমান থাকবে না, এ বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রসার করা।
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিযী শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, নাসাঈ শরীফ ও ইবনে মাজাহ শরীফসহ বহু পবিত্র হাদীছ শরীফগ্রন্থেই ছহীহ বা নির্ভরযোগ্য সনদে বর্ণিত রয়েছে যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বছর বয়স মুবারকে আক্বদ মুবারক করেছেন এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে নিজ হুজরা শরীফে নিয়ে এসেছেন। যা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। কারণ বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, অথচ ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের দেশে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে এবং বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! যা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানের দ্বীনী অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হেনেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বলেছিলো, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস করা হবে না। এছাড়া সরকার বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ‘ইসলামবান্ধব সরকার’, সম্মানিত ইসলাম উনার ধারক-বাহক সরকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার এদেশে ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এখানে পবিত্র সুন্নত বন্ধ করে দেয়ার চেয়ে জঘন্য ও ইসলামবিরোধী কাজ আর হতে পারে না। আর একটি পবিত্র সুন্নত মিটিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করলে জনগণ তা কখনো মেনে নিবে না। তাই সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাল্যবিবাহ বিরোধী সর্বপ্রকার আইন তুলে নিয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া। নচেৎ সরকারকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আর হক্কানী-রব্বানী আলিম উলামা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সরকারসহ জনগণকে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে ছহীহ ইল্ম ও সমঝ দেয়া যে, বাল্যবিবাহ হচ্ছে খাছ সুন্নত। আর সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হচ্ছে- সম্মানিত সুন্নত উনার বিরোধিতা করলে ঈমান থাকবে না, এ বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রসার করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]