সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, হাদীয়ে যামান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফজর উনার ৩নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ
অর্থ মুবারক: “কসম জোড় ও বিজোড়ের।”
উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ অর্থাৎ জোড় ও বিজোড় বলতে কি বুঝানো হয়েছে সে সর্ম্পকে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন,
قَالَ رَسُوْلُ اللّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اَلْوَتْرُ يَوْمُ عَرَفَةَ، وَالشَّفْعُ يَوْمُ النَّحْرِ
অর্থ মুবারক: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “বিজোড় হচ্ছে আরাফার দিন আর জোড় হচ্ছে ইয়াওমুন নহর, ইয়াওমুল আদ্বহা তথা ঈদের দিন।”
১০ তারিখ ঈদুল আদ্বহার দিনের আমল সম্পর্কে অন্য হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে,
اَفْضَلُ الْعِبَادَاتِ يَوْمُ الْعِيْدِ إِرَاقَةُ دَمُ الْقُرْبَاتِ
অর্থ মুবারক: “ঈদের দিন কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করা অর্থাৎ কুরবানী করা শ্রেষ্ঠ ইবাদত।”
অর্থাৎ ঈদুল আদ্বহার দিনে কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করাই শ্রেষ্ঠ ইবাদত। এই কুরবানীর পশুর যা খাওয়া হয় এবং যেগুলি ফেলে দেওয়া হয়, খুড়,পশম,শিং ইত্যাদি সেগুলোকেও মহান আল্লাহ পাক তিনি কিয়ামতের দিন ওজনের পাল্লায় আনবেন, নেকীর পাল্লা ভারী হওয়ার জন্য।
ইয়াওমুল আদ্বহার দিনে কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করার ফযিলত সম্পর্কে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامْ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ” يَا فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامْ قُومِي إِلَى أُضْحِيَّتِكِ فَاشْهَدِيْهَا فَإِنَّ لَكِ بِكُلِّ قَطْرَةٍ تُقْطَرُ مِنْ دَمِهَا أَنْ يَغْفِرَ لَكِ مَا سَلَفَ مِنْ ذُنُوْبِكِ” قَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّي اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَ لَنَا خَاصَّةً أَهْلَ الْبَيْتِ أَوْ لَنَا وَلِلْمُسْلِمِينَ ؟ قَالَ بَلٰي لَنَا وَ لِلْمُسْلِمِينَ
অর্থ মুবারক: উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দিকা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম! আপনি উঠুন, কুরবানীর পশুর কাছে আসুন, উপস্থিত থাকুন, কুরবানীর পশুর প্রতি রক্তের ফোটাতে মহান আল্লাহ পাক (বান্দার) গুনাহখাতা ক্ষমা করবেন।(মুলত এখানে উম্মতদেরকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যেহেতু সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মুত্বহহারাহ, মুত্বহহিরাহ) তিনি (সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম) বললেন, এটা কি মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, আমাদের জন্য খাছ? নাকি আমাদের এবং মুসলমানদের জন্য খাছ? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমাদের জন্য এবং মুসলমান উনাদের জন্য খাছ।”
আর কুরবানী করতে হবে খালিছভাবে। যারা খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য কুরবানী করেন, তাদের কুরবানীর পশুর রক্ত মাটিতে পতিত হওয়ার পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তা কবুল করেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা হজ্ব শরীফ উনার ৩৭নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
لَنْ يَنَالَ اللَّـهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَـٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوٰى مِنكُمْ
অর্থ মুবারক: “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট (কুরবানীর পশুর) রক্ত এবং গোশত কোনটাই পৌঁছেনা, বরং উনার নিকট তোমাদের তাক্বওয়া,পরহেযগারী পৌঁছে।”
অর্থাৎ কুরবানী কতটুকু মহান আল্লাহ পাক উনার উদ্দেশ্যে করা হলো, মহান আল্লাহ পাক তা দেখেন।
সুতরাং কুরবানীসহ সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যই করতে হবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আনয়াম শরীফ উনার ১৬২নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ لِلَّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
অর্থ মুবারক: “নিশ্চয়ই আমার নামায, আমার কুরবানী এবং হায়াত-মউত সমস্ত কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য।”
তাই যে কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য করা হবে, সেটাই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে পৌঁছাবে। আর যদি কুরবানীর মধ্যে লৌকিকতা থাকে, তখন এই কুরবানীর দ্বারা কোন ফযিলত পাওয়া যাবে না।
আর বিজোড় হচ্ছে, আরাফার দিন। আরাফার দিনে যারা রোযা রাখবে তাদের ফযিলত মুবারক সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي قَتَادَةَ اْلأنْصَارِيِّ رضي الله عنه، قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِيْ قَبْلَهُ، وَالسَّنَةَ الَّتِيْ بَعْدَهُ. صحيح مسلم،
অর্থ মুবারক: হযরত ক্বতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আরাফার দিনের রোযার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক এক বৎসর আগের এবং এক বৎসর পরের গুনাহখতা গুলো ক্ষমা করে দিবেন।”
আরাফার দিন সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامْ قَالَتْ اِنَّ رَسُولَ اللّهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ:مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللَّهُ فِيهِ عَبْدًا مِنْ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِي بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ فَيَقُولُ مَا أَرَادَ هَؤُلَاءِ
[ مسلم]
অর্থ মুবারক: উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আরাফার দিনের চেয়ে এমন কোন দিন নেই, যেদিনে মহান আল্লাহ পাক জাহান্নাম থেকে অধিক সংখ্যক বান্দাকে মুক্তি দেন। অর্থাৎ আরাফার দিনেই মহান আল্লাহ পাক অধিক সংখ্যক বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি অতি নিকটবর্তী হন অর্থাৎ পবিত্র রহমত মুবারক বর্ষণ করেন। অতঃপর তিনি বান্দাদের নিয়ে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে ফখর করেন এবং বলেন, আমার এই বান্দারা কি চায়?”
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَحْمَةُ اللّه عَلَيهِ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِي َّصَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – قَالَ “خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ، [روى الترمذي]
অর্থ মুবারক: হযরত আমর বিন শুয়াইব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা থেকে, উনার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “শ্রেষ্ঠ দোয়া হচ্ছে আরাফার দিনের দোয়া। অর্থাৎ এই দিনের দোয়াটাই শ্রেষ্ঠ।”
কাজেই আরাফার দিন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে নিজের কামিয়াবীর জন্য, দ্বীন-ইসলাম উনার বিধি-বিধান, হুকুম-আহকাম জারী হওয়ার জন্য এবং বাতিল ফিরকা, কাফির-মুশরিকদের ধ্বংসের জন্য দোয়া করতে হবে।
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ بْن ِكَرِيْزٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَي عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ “مَا رُئِيَ الشَّيْطَانُ يَوْمًا هُوَ فِيْهِ أَصْغَرُ ، وَلَا أَدْحَرُ ، وَلَا أَحْقَرُ ، وَلَا أَغْيَظُ مِنْهُ فِيْ يَوْمِ عَرَفَةَ ، وَمَا ذَاكَ إِلَّا لِمَا يُرَي مِنْ تَنَزُّلِ الرَّحْمَةِ وَتَجَاوُزِ اللهِ عَنِ الذُّنُوْبِ الْعِظَامِ ، إِلَّا مَا رُئِىَ يَوْمَ بَدْرٍ . فَقِيْلَ وَمَا رُئِىَ يَوْمُ بَدْرٍ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ؟ قَالَ : فَاِنَّهُ قَدْ رَأَى جِبْرَئِيْلَ عَلَيْهِ السَّلَامْ يَزَعُ الْمَلَائِكَةَ [مالك ابن مؤطأ]
অর্থ মুবারক: হযরত ত্বলহা ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে কারিয রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আরাফার দিন শয়তানকে দেখা গিয়েছে অপমানিত, ধিকৃত, হীন, এবং রাগান্বিত হতে। সে কেন এত অপমানিত, অধিক, ধিকৃত, হীন, রাগান্বিত হলো আরাফার দিন? এটা এজন্য যে, সে দেখেছে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত নাযিল হতে এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি বড় বড় গুনাহখতা গুলি ক্ষমা করে দিয়েছেন। যেমন, বদরের দিন তাকে লাঞ্চিত, অপমানিত হতে দেখা গিয়েছে। বলা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বদরের দিন কি দেখা গিয়েছে? তিনি বললেন, সে (শয়তান) দেখেছে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে একত্রিত করেছেন। অর্থাৎ হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সারিবদ্ধ করতে দেখার কারণে সে লাঞ্চিত, অপমানিত হয়েছে বদরের দিন।”
ঠিক তদ্রুপ আরাফার দিনেও শয়তান লাঞ্চিত, অপমানিত হয়। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত নাযিল করেন এবং বান্দাহর গুনাহখতা গুলি ক্ষমা করেন।
আরাফার দিনের আরও কিছু খুছুছিয়াত মুবারক রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২০৩ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاذْكُرُوا اللهَ فِي أَيَّامٍ مَّعْدُودَاتٍ
অর্থ মুবারক: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করো নির্দিষ্ট দিনে।
সেটা কি? এসম্পর্কে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامْ أنه سمع النبي صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ اَلتَّكْبِيْرُ دُبُـرَ الصَّلَاةِ الْمَكْتُوْبَاتِ
অর্থ মুবারক: হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ফরজ নামাযের পর তাকবীর বলা”। তাকবীর হচ্ছে,
الله أكبر، الله أكبر، لا إله إلا الله، والله أكبر، الله أكبر ولله الحمد
আরাফার দিন অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত এই তাকবীর পাঠ করবে। প্রতি ফরয নামাযের পর একবার পাঠ করা ওয়াজীব, ৩ বার পাঠ করা মুস্তাহাব। এটা শহরে, গ্রামে-গঞ্জে মুক্বীম-মুসাফির, পুরুষ-মহিলা সকলকে পাঠ করতে হবে।
এই ২৩ ওয়াক্তের মধ্যে যদি কারো নামায কাযা হয় সেই কাযা নামায আদায় কালে এই তাকবীরও কাযা আদায় করতে হবে, তবে এই ২৩ ওয়াক্তে আগের কাযা নামায আদায় কালে এই তাকবীর কাযা আদায় করতে হবে না। আবার এই ২৩ ওয়াক্তের কাযা নামায পরে (২৩ ওয়াক্তের পরে) আদায় করলে তাকবীর কাযা আদায় করতে হবে না।
(দৃষ্টি আকর্ষণ: মহিমান্বিত ১০ দিন ও রাত্রির ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মুহম্মদিয়া গবেষণা থেকে বিশেষ কিতাব মুবারক প্রকাশিত হয়েছে।)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]