সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ছহিবাতুল জান্নাহ, ছহিবাতুল হুসনা, ছহিবাতুন নিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম সালাম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক কায়িনাতবাসীর জন্য আমানতস্বরূপ করেছেন। উনারা একদিকে মাখলুকাতের নিরাপত্তাদানকারী। অপরদিকে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক লাভের মাধ্যম। হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি অন্যতমা। উনার মুহব্বত পবিত্র ঈমান। আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য খোদায়ী জিহাদ। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ ، أَنَّ هَبَّارَ بْنَ الأَسْوَدِ أَصَابَ زَيْنَبَ بِنْتَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ وَهِيَ فِي خِدْرِهَا ، فَأُسْقِطَتْ ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَرِيَّةً ، فَقَالَ : إِنْ وَجَدْتُمُوهُ فَاجْعَلُوهُ بَيْنَ حِزْمَتَيْ حَطَبٍ ، ثُمَّ أَشْعِلُوا فِيهِ النَّارَ ثُمَّ قَالَ : إِنِّي لأَسْتَحْيِي مِنَ اللهِ لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يُعَذِّبَ بِعَذَابِ اللهِ ، وَقَالَ : إِنْ وَجَدْتُمُوهُ فَاقْطَعُوا يَدَهُ ، ثُمَّ اقْطَعُوا رِجْلَهُ ، ثُمَّ اقْطَعُوا يَدَهُ ، ثُمَّ اقْطَعُوا رِجْلَهُ
অর্থ: “হযরত ইবনে আবী নাজীহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি যখন হিজরত মুবারক করার জন্য রওয়ানা দিলেন তখন) হাববার ইবনে আসওয়াদ সে উনাকে আঘাত করে। তার কারণে তিনি উটের পিঠ হতে পড়ে যান। (এই সংবাদ শুনতে পেরে) নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৈন্য বাহিনী প্রেরণ করলেন এবং ইরশাদ মুবারক করলেন, যদি আপনারা তাকে গ্রেফতার করতে পারেন, তাহলে লাকড়ী জমা করবেন। তাতে আগুন ধরাবেন। (অর্থাৎ তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করবেন। পরবর্তীতে) তিনি আবার ইরশাদ মুবারক করলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি জাহান্নামে আগুন দ্বারা শাস্তি দিবেন। তাই দুনিয়াতে আগুন দ্বারা শাস্তি দিতে আমি লজ্জাবোধ করি। কাজেই আপনারা তাকে গ্রেফতার করতে পারলে প্রথমে তার ডান হাত কাটবেন। তারপর ডান পা কাটবেন। অতঃপর বাম হাত কাটবেন। অতঃপর বাম পা কাটবেন। (অর্থাৎ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিতে দিতে তাকে হত্যা করবেন)
অতএব, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে হাক্বীক্বী আদব ও হুসনে যন পোষণ করতে হবে। উনার সীরাত মুবারক, সাওয়ানেহে উমরী এবং খুছুছিয়ত মুবারক সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হতে হবে।
বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবনাউ রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার মুবারক সময় ও তারতীব মুবারক নিয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত। তবে সকল ইখতিলাফ আর সন্দেহের মূলোৎপাটন করেছেন মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা মামদূহ যহরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। তিনি এক ক্বওল শরীফে বলেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম যমীনে তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন, উনারা মোট আটজন। তন্মধ্যে হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম উনারা চারজন। আর বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও চারজন। উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার তারিখ নিয়ে অনেকের অনেক ইখতিলাফ রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা তাহক্বীক্ব করেছি। যমীনে প্রথম তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন কে? সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি নাকি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি। এ বিষয়েও অনেকের অনেক ক্বীল-ক্বাল রয়েছে। তবে সাধারণভাবে সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি যখন তাশরীফ মুবারক এনেছেন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক তখন প্রায় সাড়ে সাতাশ বছর। দ্বিতীয়ত যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি যখন তাশরীফ মুবারক আনেন, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক প্রায় সোয়া ঊনত্রিশ বছর। এরপর তৃতীয় এবং চতুর্থ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুল ছালিছ আলাইহিস সালাম উনারা একত্রিশ ও বত্রিশ বছর বয়স মুবারকে তাশরীফ মুবারক আনেন। আর পঞ্চম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম, তিনি তাশরীফ মুবরক আনেন, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক তেত্রিশ বছর। আর সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি যখন তাশরীফ মুবারক এনেছেন, তখন দুনিয়াবী জিন্দেগীতে বয়স মুবারক পঁয়ত্রিশ। আর সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আহলিল জান্নাহ আন নূরুর রবি’য়া সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন যখন উনার দুনিয়াবী জিন্দেগীতে বয়স মুবারক সাঁইত্রিশ বছর। এই সাত জন উনারা তাশরীফ মুবারক এনেছেন যিনি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে। আর অষ্টম যিনি তাশরীফ মুবারক এনেছেন, তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী জিন্দেগীতে বয়স মুবারক যখন একষট্টি বছর, তখন তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন।” সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে নবুওওয়ত মুবারক প্রকাশের প্রায় পৌনে এগারো বছর পূর্বে। আওলাদু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন দ্বিতীয়। আর বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন প্রথম।
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার হুলিয়া মুবারক সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ করা হয় যে, আন নূরুর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি যেরূপ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু নকশা মুবারক ছিলেন, তদ্রƒপ হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহিস সালাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার হুবহু নকশা বা মিছাল মুবারক ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার লিবাস মুবারক উনার জামালিয়ত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ أَنَسٍ قَالَ : رَأَيْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ قَمِيصَ حَرِيرٍ سِيَرَاءَ.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পূর্বে) আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনাকে অতি সুন্দর রেশমী পোশাক মুবারকে দেখলাম। সুবহানাল্লাহ (মুসলিম শরীফ)
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার সন নিয়েও অনেক ইখতিলাফ। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ প্রণিধানপ্রাপ্ত, দলীল সমৃদ্ধ মতে, তিনি অষ্টম হিজরী সনের ৮ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সে অনুযায়ী উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক হলো পৌনে বত্রিশ বছর।
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার দু’জন আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনারা পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। একজন ছেলে সন্তান আর একজন মেয়ে সন্তান। ঐতিহাসিকগণের মতে, ছেলে সন্তান উনার নাম মুবারক হলো হযরত আলী ইবনে আবিল আছ আলাইহিস সালাম। তিনি উনার সম্মানিত নানাজান ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পৃষ্ঠপোষকতা মুবারকে বেড়ে উঠেন। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের সময় তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বাহন মুবারক উনার পিছনে আরোহণ করেছিলেন। কতেকের মতে, তিনি ইয়ারমুক জিহাদে পবিত্র শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয়পাত্র উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মেয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামা আলাইহাস সালাম তিনি অন্যতম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي وَهْوَ حَامِلٌ أُمَامَةَ بِنْتَ زَيْنَبَ بِنْتِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَلأَبِي الْعَاصِ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ شَمْسٍ فَإِذَا سَجَدَ وَضَعَهَا ، وَإِذَا قَامَ حَمَلَهَا
অর্থ: হযরত আবু ক্বাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদা এমতাবস্থায় নামায আদায় করলেন যে, উনার কোল মুবারকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামা আলাইহাস সালাম তিনি রয়েছেন। যখন তিনি সিজদা মুবারক দিতেন, তখন উনাকে পাশে রেখে দিতেন। আবার যখন ক্বিয়াম করতেন তখন আবার উনাকে কোল মুবারকে তুলে নিতেন। সুবহানাল্লাহ!
অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عن أبى قتادة قال بينا نحن في المسجد جلوس إذ خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يحمل أمامة بنت أبى العاص بن الربيع وأمها زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهى صبية يحملها على عاتقه فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهى على عاتقه يضعها إذا ركع ويعيدها إذا قام حتى قضى صلاته يفعل ذلك بها.
অর্থ: হযরত আবু ক্বাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা মসজিদে নববী শরীফে উপস্থিত ছিলাম। এমতাবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করলেন। উনার কাঁধ মুবারকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামা আলাইহাস সালাম তিনি রয়েছেন। অতঃপর উনাকে কাঁধ মুবারকে নিয়েই তিনি নামায আদায় করলেন। যখন রুকু মুবারক করতেন, তখন উনাকে পাশে রাখতেন। আর যখন রুকু-সিজদা মুবারক হতে উঠতেন, তখন আবার কোল মুবারকে তুলে নিতেন। এভাবেই বারবার করে নামায শেষ করলেন।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ)
অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وعن حضرت صديقة عليها السلام قالت أهديت لرسول الله صلى الله عليه وسلم هدية فيها قلادة من جزع قال لادفعنها إلى أحب أهلى إلى فقال النساء ذهبت بها ابنة أبى قحافة فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم أمامة بنت أبى العاص من زينب فأعلقها في عنقها.
অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট হীরা-মুক্তার একখানা দামী হার হাদিয়াস্বরূপ আসলো। তখন তিনি বললেন, আমার সবচেয়ে প্রিয়পাত্র যিনি, উনাকে এটা হাদিয়া করা হবে। অনেকে বললো এটা উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে হাদিয়া করা হবে। কিন্তু তিনি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মেয়ে হযরত উমামা আলাইহাস সালাম উনাকে ডাকলেন এবং সেই হার উনাকেই মুবারক পরিয়ে দিলেন। সুবহানাল্লাহ! (দারু কুতনী)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার হাকীকী নিসবত মুবারক আমাদের সকলকে নসীব করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে