সামাজিক দায়িত্ব বনাম ঈমানী দায়িত্ব !!


শুধু কেবল রাজধানী ঢাকা বা অন্যান্য, জেলা শহরগুলোতেই নয়, এখন প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ছোটবড় বিভিন্ন রকম সমিতি, সংগঠন দেখা যায়। যেমন- ….যুব কল্যাণ সমিতি, …. সামাজিক সংস্কৃতি পরিষদ, …. সমাজ কল্যাণ সমিতি -এরকম আরো নানারকম নামের সংগঠন এখন চোখে পড়ার মতো করে বাড়ছে। এসব সমিতি, সংগঠনগুলোর দাবি তারা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে সামাজিক কল্যাণে ও মানুষের উপকারার্থে কাজ করছে।
অথচ এসব সংগঠণের অন্তর্ভুক্ত যুব সমাজকে কখনো এর মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণে কাজ করতে দেখা যায় না। অর্থাৎ এরা ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের কল্যাণের জন্য তারা কোনো সমিতি বা সংগঠন করে না।
অথচ এ দেশের জনগোষ্ঠির ৯৮ ভাগ অর্থাৎ মূল জনগণরাই হলো মুসলমান। কিন্তু এ দেশেই আজ প্রকাশ্যে আজানের বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে, কুরবানী বন্ধে চক্রান্ত হচ্ছে, পাঠ্যবইয়ে হিন্দুত্ববাদ, নাস্তিকতা ও ইসলাম বৈরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, একদিকে হিন্দু, উপজাতিদেরকে কোটাভিত্তিক চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে, অপরদিকে বহু মুসলিম যুবক চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে- এভাবে আরো শতশতভাবে আপন দেশেই মুসলিমরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু দেশের এত লক্ষ লক্ষ যুব সমিতি আর সামাজিক কল্যাণকামী যুবকরা তাদের এসব ঈমানী দায়িত্ব সম্পর্কে সম্পুর্ণই বেখবর। তাহলে কি তাদের কাছে পবিত্র ঈমানী দায়িত্বের চেয়ে অন্যকিছু বড় হয়ে গেছে?
মূলত, এ দেশের যুব সমাজকে এটাই মনে রাখতে হবে- যে মুসলমানদের নিয়েই এই সমাজ, সেই মুসলমানদের মুসলমানিত্ব তথা পবিত্র ঈমান সংশ্লিষ্ট কাজের আন্জাম দেয়া, ইসলামবিদ্বেষীদের বা ইসলামবিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই সবচাইতে বড় সামাজিক দায়িত্ব।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]