সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ
খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাদর সম্ভাষণ জানিয়েছিলেন।আনসার সাহাবীগণ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মাণার্থে নিজেদের ঘর-বাড়ি, জায়গা-জমি এমনকি উনাদের যাদের একাধিক আহলিয়া ছিলেন, আহলিয়াদের তালাক দিয়ে হিজরতকারী মুহাজির সাহাবীগণদের মালিক করেছিলেন।
(সুবহানাল্লাহ্)
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মদিনা শরীফ তাশরীফ মুবারক আনার খুশিতে যদি আনসার সাহাবীগণ নজীরবিহীন খেদমত মুবারক করতে পারেন, তাহলে কি উনার বিলাদত শরীফের দিন সাহাবায়ে কিরামগণ কিছুই করেন নি???
যারা দলিল ছাড়া কিছুতে আস্থা রাখতে পারে না, তাদের জন্য
হাদীস শরীফ থেকে দলিল দেওয়া হলো…

১) হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।”

(সুবহানাল্লাহ্)
২) হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে (বিলাদত দিবসকে) বিশেষ মর্যাদা দিল সে মূলতঃ ইসলামকেই পূনরুজ্জীবিত করল।“
(সুবহানাল্লাহ্)
৩) হযরত ওসমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ করল সে যেন বদর ও হুনায়েন যুদ্ধে শরীক থাকল।”

(সুবহানাল্লাহ্)
৪)হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি বিশেষ মর্যাদা প্রদান করল সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

(সুবহানাল্লাহ্)

(সূত্রঃবই: ‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’। বইটির লেখক বিশ্বখ্যাত ইমাম মুহাদ্দিছ, মুফাসসির হযরতুল আল্লামা আহমদ শিহাবুদ্দীন হাইতামী (হাইছামী) শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি। বইটিতে পিডিএফ লিঙ্ক:http://goo.gl/naL5uN)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]