সিলেবাস থেকে বিধর্মীদের বাদ দিয়ে মুসলিম ব্যক্তিত্বগণের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের শিক্ষানীতিতে বা সিলেবাসে দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ ব্যক্তিত্বগণ উনাদের জীবনী মুবারক আলোচিত হবে, পঠিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। কোনো বিধর্মী বা অমুসলিমদের জীবন-ইতিহাস কোমলমতি মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে থাকতে পারে না।
মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে বিশেষ করে এই উপমহাদেশের জন্য কাইয়্যুমে আউওয়াল, ইমামে রব্বানী হযরত শায়েখ আহমদ ফারূক্বী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা না বললেই নয়। এ উপমহাদেশসহ সারাবিশ্বে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার-প্রসার সবই হয়েছে উনার সুমহান তাজদীদ আঞ্জাম দেয়ার কারণেই। তৎকালীন প্রতাপশালী সম্রাট আকবর সে তো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বাদ দিয়ে কুফরী মতবাদ কথিত দ্বীন-ই ইলাহী কায়িম করার অপচেষ্টা করেছিল। যা সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, এই ঐতিহাসিক বিষয়গুলো যা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম মিল্লাত উনাদের প্রতিনিধিত্ব করে সেগুলো সম্পর্কে মুসলিম উম্মাহ উনাদের নব প্রজন্মকে জানানোর অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। এই দায়িত্ব মূলত রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে। তাই অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম দাবিদার সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিস্তারিতভাবে গুরুত্বসহকারে কাইয়্যুমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সুমহান জীবনী মুবারক ও উনার অবদান অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে