সুমহান ১৯শে শাওওয়াল শরীফ একটি বরকতময় বিশেষ দিন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে (উম্মাহকে) আমার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো স্মরণ করিয়ে দিন।’

সুমহান ১৯শে শাওওয়াল শরীফ একটি বরকতময় বিশেষ দিন। সুবহানাল্লাহ!

আখাচ্ছুল খাছ ওলীআল্লাহগণ উনাদের সমগ্র হায়াত মুবারক বরকত ও রহমতপূর্ণ হলেও উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ বিশেষ কিছু দিনে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার আখাচ্ছুল খাছ ওলীগণ উনাদের মুবারক উসীলায় খাছ রহমত, মাগফিরাত ও সাকীনা বর্ষণ করেন। সুবহানাল্লাহ!

সেই বিশেষ বিশেষ দিনগুলোর মধ্যে একটি হলো উনাদের বিবাহ-শাদী বা নিকাহ মুবারক উনার বরকতময় দিন। যা সকলের জন্য ঈদ বা খুশির দিনও বটে।

মানুষ বিশেষ বিশেষ সেদিনগুলো পালন করতঃ তার হিস্সা লাভ করে নাজাত, সাকীনা ও মাগফিরাত লাভ করে থাকে। সুবহানাল্লাহ!

তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, অত্যন্ত গুরুত্ব, মুহব্বত ও তা’যীমের সাথে উক্ত বিশেষ বিশেষ দিনগুলো পালন করা
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বান্দা-বান্দী ও উম্মত তথা কুল-কায়িনাতের জন্য যেরূপ রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত ইত্যাদি লাভের কারণ; তদ্রপ উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পর উনার যাঁরা আখাচ্ছুল খাছ প্রতিনিধি, নায়িব ও ওয়ারিছ যামানার মহান মুজাদ্দিদগণ উনারাও কুল-কায়িনাতের জন্য রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত ইত্যাদি লাভের কারণ। অর্থাৎ আখাচ্ছুল খাছ ওলীআল্লাহগণ উনাদের যমীনে আগমন ও অবস্থান আমভাবেই তো যমীনবাসীর জন্য রহমতস্বরূপই, তবে উনাদের এমন কতক বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত বা সময় রয়েছে, যে সময়ে উনাদের ছোহবত লাভ ও খিদমতকারীগণ আরো বেশি পরিমাণে রহমত বরকত লাভ করে থাকেন। ফলে তাদের জন্য খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নৈকট্য বা রেযামন্দি মুবারক লাভ নিশ্চিত হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!

সুমহান ১৯শে শাওওয়াল শরীফ অর্থাৎ হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শাদী মুবারক দিবস !

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখাচ্ছুল খাছ ওলীআল্লাহগণ উনাদের সেই বিশেষ বিশেষ মুহূর্তগুলির মধ্যে একটি হলো উনাদের বিবাহ-শাদী বা নিকাহ মুবারক উনার দিন বা মুহূর্ত। যা মূলত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারকে ও অনুসরণের নিমিত্তে সম্পাদিত হয়ে থাকে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যেমন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শাদী মুবারক সম্পন্ন হয় স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী। উম্মতের পক্ষে এর সমস্ত কারণ কোনোদিন অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কিন্তু যতটুকু মানুষ উপলব্ধি করতে পারে তা হচ্ছে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর সমস্ত ইলম মানুষ শিখতে পেরেছে উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সপ্তম হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতী সানজরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নব্বই বছর বয়স মুবারক পর্যন্ত শাদী মুবারক করেননি। হিদায়েত, নছীহত ও তাজদীদী কাজে ব্যস্ত থাকায় মুবারক শাদী অনুষ্ঠানের জন্য তিনি সময় করে উঠতে পারেননি। মূল বিষয় হলো, মুবারক নির্দেশ পাওয়া যায়নি বলে শাদী মুবারক উনার কথা উনার বিবেচনায় আসেনি। তিনি একজন মহান মুজাদ্দিদ। আপন ইচ্ছায় উনার শাদী মুবারক অনুষ্ঠিত হবে সেটা কী করে সম্ভব? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুবারক দীদারে একদিন বললেন: “হে আমার প্রিয়তম আওলাদ! হে সপ্তম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ! আপনি তো দ্বীন জিন্দা করলেন, আপনি আমার প্রায় সব সুন্নতই পালন করলেন। কিন্তু একটি বিশেষ সুন্নত এখনো বাকি রয়ে গেছে?” বিশেষ সাক্ষাৎ মুবারক শেষ হওয়ার পর সুলত্বানুল হিন্দ, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দিন হাসান চীশতী সানজরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ভাবতে থাকলেন কোন্ সুন্নত এখনো পালন করা হয়নি? অবশেষে গভীর পর্যবেক্ষণে তিনি বুঝে নিলেন যে, এখন পর্যন্ত উনার শাদী মুবারক করা হয়ে উঠেনি। নির্দেশ মুবারক মতে অবিলম্বে তিনি আপন শাদী মুবারক সম্পন্ন করলেন। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখাচ্ছুল খাছ ওলীআল্লাহ বা মুজাদ্দিদগণ উনাদের সমস্ত কাজের নেপথ্যে থাকে গভীর হিকমত, যা সাধারণের পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত অনুযায়ী সকল আখাচ্ছুল খাছ আউলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের সমগ্র হায়াত মুবারকই বরকত ও রহমতপূর্ণ; তবে বিশেষ খাছ কিছু রাত ও দিন যেমন- পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, পবিত্র শাদী মুবারক, পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ এছাড়াও আরো কিছু বিশেষ বিশেষ দিন ও রাত রহমতের; যেদিন অসংখ্য অগণিত রহমত নাযিল করা হয়, মানুষকে ক্ষমা করা হয়, নাজাত দেয়া হয়। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সেই বিশেষ বিশেষ মুবারক দিনগুলো যাঁরা পালন করেন, যাঁরা তা’যীম-তাকরীম করেন, যাঁরা উপস্থিত হন তাদের উপরও রহমত, সাকীনা নাযিল করেন। মূলত, সে দিনগুলো তাদের জন্য নাজাতের উসীলা হয়। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, এরূপ বিশেষ বিশেষ দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব, আদব, মুহব্বত ও তা’যীমের সাথে পালন করা।
হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে। তিনি যদি ওই সময় না আসতেন অর্থাৎ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে না পাঠাতেন, তাহলে মুসলমানগণ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দিকে না যেয়ে গ্রিক দর্শনের দিকে ঝুঁকে পড়তো।

বর্তমানে হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দী। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, এক হাজার হিজরীর পর থেকে আখিরী যুগ। যার ফলে আমরা দেখতে পাই এ যুগে ফিতনা-ফাসাদ তথা অন্ধকার এত বেশি হয়েছে যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ উনাদের বিরুদ্ধাচরণ করছে মুসলমানগণও। সর্বোপরি তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে ধ্বংসের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত হারাম গণতন্ত্র গ্রহণ করেছে। গণতন্ত্রের জোয়ারে তাদের গা ভাসিয়ে দিয়েছে। গণতন্ত্রের স্রোতে তাদের ঈমান হারিয়ে ফেলছে। সাথে মিডিয়ার কালো থাবার অশ্লীল গ্রাস আজকের প্রজন্ম। ….. ফলশ্রুতিতে তাদের অজান্তেই তারা ঈমানহারা হয়ে যাচ্ছে। কারণ গণতন্ত্র এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে একজন মুসলমানকে সহজেই কাফির বানানো যায়। নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের সেই সঙ্কটময় মুহূর্তে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব ও বন্ধু এবং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজা উনার টুকরা, খাছ আওলাদ, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, সুলত্বানুন নাছির, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি যমীনে তাশরীফ এনেছেন।অপরিমেয় নিয়ামত-সমৃদ্ধ পবিত্র ১৯শে শাওওয়াল শরীফ।পবিত্র এ দিনটি আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, ইমামুল উমাম, মুজাদ্দিদে মাদারযাদ, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং ওলীয়ে মাদারযাদ,
আওলাদে রসূল, হাবীবাতুল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্রতম শাদী মুবারক অনুষ্ঠানের সুমহান দিন।
কায়িনাতবাসীর অফুরন্ত খুশির দিন। নাজ ও নিয়ামত হাছিলের অনুপম দিন।সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল উমাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনাদের মুবারক সমন্বিত প্রয়াসে বিশ্বব্যাপী হাক্বীক্বী হিদায়েত, নছীহত ও তাজদীদী কাজে দুর্বার গতিবেগ সঞ্চারিত হয়। বিশেষত পবিত্রতম এ বন্ধনের মাধ্যমে উনাদের লখতে জিগার, উনাদের নূরে চশম, আল মানছূর, আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, খলীফাতুল উমাম, ছানিয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম যমীনে উনার আনুষ্ঠানিক মুবারক আগমনের পথ সুগম হয়। সুবহানাল্লাহ!
লক্ষ্য হলো, মুজাদ্দিদে মাদারযাদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল উমাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম তিনি খিলাফত আলা মিন হাজিন নুবুওওয়াহ উনার যে মজবুত ভিত রচনা করেছেন, তা মুজাদ্দিদে মাদারযাদ, আল মানছুর, আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, কুদরতে ইলাহী, মুজিযায়ে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে সমগ্র কায়িনাতব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করা। উনাদের খাস নজরে করম উনার ওয়াসিলায় বিশ্ববাসী সকলকে পালন করার তৌফিক দানুন আমিন।
১৯ মাহে শাওওয়াল, ১৪৩৬ হিজরী, ৬ ছালিছ, ১৩৮৩ শামসি
৫ আগস্ট, ২০১৫ ঈসায়ী সন, ২১ শ্রাবন, ১৪২১ ফসলী সন
ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি (বুধবার) >জাবাল ই নূর> ত্রিযামা ৪:০০

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]