সুলত্বানুল হিন্দ খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার স্মরণে ভারত-বাংলার সরকারের উদ্যোগ কোথায়?


পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছাম্ম উনার ৬ তারিখ বিশ্ববিখ্যাত ওলীয়ে কামিল, সুলত্বানুল হিন্দ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজায়ে আ’যম চীশতি সানজরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিবস। ভারতবর্ষে মানবতার মুক্তির দিশারী হিসেবে উনার বিকল্প আর কেউ নেই। অর্থাৎ এই বর্বর অসভ্য হিন্দু বা মুশরিক অধ্যুষিত ভারতবর্ষে যখন বিভিন্ন জাতি ভেদের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে মানবতা, সভ্যতা ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিলো, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা দয়া করে, রহম করে হযরত সুলত্বানুল হিন্দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এই ভারতবর্ষে পাঠান। সুবহানাল্লাহ!

বিধর্মী বিজাতিরা দলে দলে উনার দাওয়াতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। এখন পর্যন্ত জাতি ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে মানুষ উনার পবিত্র মাযার শরীফ-এ সমবেত হয়ে উনার করুণা প্রার্থী হয়। এমনকি ভারতের রাষ্ট্রীয় কর্তাব্যক্তিরা এবং আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় কর্তাব্যক্তিরা সময় সুযোগ মতো উনার মাযার শরীফ জিয়ারত করে নিজেদের আরজি জানায়। অর্থাৎ উনার যে সুবিশাল খোদায়ী প্রভাব প্রতিপত্তি তা একবাক্যে সবাই স্বীকার করতে বাধ্য।
অতি সম্প্রতি হিন্দু কবির জন্মোৎসব দুই দেশ মিলে উদযাপন করতে দেখা গেলো। একজন বিতর্কিত হিন্দু কবির জন্ম যদি এত ধুমধামের সাথে উদযাপন করা হয়, তাহলে যেই সুলত্বানুল হিন্দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুহতাজ সবাই উনার পবিত্র বিছাল শরীফ ও পবিত্র বিলাদত শরীফ কত ব্যাপকভাবে উদযাপন করতে হবে- তা আজই দুই দেশের সরকারি কর্তাব্যক্তিদেরকে ভাবতে হবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]