স্কুল-কলেজের বইয়ে সরাসরি কুফরী শিখানো হচ্ছে!! পাঠ্যবইয়ে মহান আল্লাহপাক উনার সম্পর্কেই মারাত্মক কুফরী


৪র্থ শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যা’ অধ্যায়ে জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে ‘জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ’ হিসেবে কয়েকটি কারণের মধ্যে একটি কারণ বলা হয়েছে ‘ধর্মীয় কারণ’। সেখানে বলা হয়েছে- “অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন সৃষ্টিকর্তা যেহেতু আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাই সবার খাবারের ব্যবস্থাও করে রেখেছেন। ফলে তারা অধিক সন্তান জন্ম দেওয়ার বাস্তব সমস্যার কথা কখনও ভাবেন না।” নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!! নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!!!
কত বড় কঠিন একটি কুফরী কথা পাঠ্যবইয়ে পড়ানো হচ্ছে। অথচ খাবার বা রিযিকের বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وما من دابة فى الارض الا على الله رزقها.
“যমীনে যত প্রাণী রয়েছে, সকলের রিযিকের জিম্মাদার স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আল হুদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন- মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা অবারিত রিযিক দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা তার রিযিক সীমাবদ্ধ করে নেন। (পবিত্র সূরা যুমার শরীফ: আয়াত শরীফ-৫২)।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দারিদ্র্যের আশংকায় তোমরা সন্তান হত্যা করো না। মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের এবং তোমাদের সকলকেই রিযিক দান করেন। নিশ্চয়ই এদের হত্যা করা অত্যন্ত কঠিন অপরাধ। (পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩১)।
মহান আল্লাহ পাক উনার অনন্য একটি ছিফতী নাম মুবারক হলো ‘আর রায্যাক’ অর্থাৎ রিযিক দেনেওয়ালা। কেউ যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো একটি ছিফত মুবারক অস্বীকার করে তাহলে কস্মিনকালেও সে ঈমানদার মুসলমান থাকতে পারে না। তাহলে যারা এই বই লিখেছে, সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করিয়েছে, যারা এইসব বই পড়াচ্ছে এবং যারা পড়ছে তারা কি করে ঈমানদার মুসলমান থাকতে পারে?
তাই বর্তমান এই কুফরী শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার জন্য প্রতিবাদী হওয়া, জোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সকলের জন্যই ওয়াজিব।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে