হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ-এর প্রতি সুধারণা পোষণ করা ঈমান ও আমল হিফাজতের কারণ


সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ছিলেন নিষ্পাপ ও মাছুম। উনাদেরকে দোষারোপ করার তো প্রশ্নই আসেই না; এমনকি কোনো রকম খারাপ ধারণা করাটাও ঈমানহারা হয়ে মারা যাওয়ার কারণ। মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন বলেন, “নিশ্চয় আমার নবী আলাইহিমুস সালাম এবং রসূল আলাইহিমুস সালামগণ ওহী ব্যতীত কোনো কথা বলেন না।” এছাড়া হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা ছিলেন তারকার ন্যায়। নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই উনাদেরকেও যে কেউ যে কোনো বিষয় অনুসরণ-অনুকরণ করবে, সেও কামিয়াব লাভ করবে। যদি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এত বড় শান, মান, মর্যাদা হয়ে থাকে তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা কতো বেশি মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী হবেন? সেটা তো উম্মতের পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তাই হাদীছ শরীফ-এর উছূল অনুযায়ী পুত্রের জন্য পিতাকে যেমন দায়ী করা যাবে না তদ্রƒপ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির জন্য কাতিবে ওহী হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকেও দোষারোপ করা যাবে না। কারণ আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হলেন আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট ছাহাবী এবং কাতিবে ওহী।
কাজেই কেউ যদি আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার প্রতি বিন্দুমাত্র কুধারণা পোষণ করে, তাহলে সে সাথে সাথে কাফির ও মুরতাদ হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তিনি আমাদেরকে সেটা বুঝে আমল করার তাওফীক দান করেন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

One Comment

Leave a Reply

[fbls]