১৯৮১ সালে তার সেই ‘প্রত্যাবর্তন’ এখন প্রশ্নবিদ্ধ


বলা হয়ে থাকে, ১৯৮১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ নামক দলটির পুনর্জন্ম হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- বর্তমানের আ’লীগ সরকারের আমলে যেভাবে প্রশাসনে হিন্দুকরণ হচ্ছে, দেশের মসজিদ-মাদরাসার উপর খড়গ চালানো হচ্ছে, ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুনকে মুছে দিয়ে মুশরিকীয় অপসংস্কৃতি চালু করা হচ্ছে, সিলেবাসে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদ প্রবেশ করানো হচ্ছে- এগুলো ১৯৮১ সালের আওয়ামী লীগ পুনর্জন্মের উদ্দেশ্যের সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ?
দেশের মুসলমানগণ বর্তমানের আওয়ামী লীগ ও ১৯৮১ সালের আওয়ামী লীগের মাঝে বিস্তর পার্থক্য খুঁজে পেয়েছে। যদি সেই সময় মুসলমানগণ বুঝতে পারতো ৮১ সালের সেই আ’লীগই একসময় হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদের আশ্রয়স্থল ও পৃষ্ঠপোষক হবে, তাহলে কখনোই এদেশে আ’লীগ এত বড় দল হিসেবে গজিয়ে উঠতে পারতো না। কিন্তু তারা এদেশের মুসলমানদেরকে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী আইন না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের ২০ কোটি মুসলমানের সাথে প্রতারণা করেছে, ধোঁকা দিয়েছে।
তবে এখনো সময় আছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যেভাবে মদ-জুয়া নিষিদ্ধ করেছিলো, তার অনুসরণে দেশের মুসলমানদেরকে সর্বক্ষেত্রে তার প্রাপ্য হক্ব বুঝিয়ে দেয়া, দ্বীনি তাহযীব-তামাদ্দুন পালনের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা করে দেয়া এবং দেশে হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদ চর্চা বন্ধ করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে