৯৮ ভাগ মুসলামন অধ্যুষিত এ দেশের বাজেটে যা হওয়ার কথা


বাংলাদেশের সরকারী বাজেটগুলোতে দেখা যায় বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় খাতকে এক সাথে রাখা হয়। অথচ ধর্মীয় খাতকে আলাদা রাখা উচিত। ধর্মীয় খাত বলতে আবার দ্বীন ইসলাম, হিন্দু ধর্ম, বেীদ্ধ ধর্ম, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মকে বুঝায়। এই দেশে শতকরা ৯৮% মুসলমান। মুসলমানরা এই দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ। এই দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম। কাজেই যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম সেই দেশের দ্বীনি (ধর্মীয়) খাত বলতে দ্বীন ইসলাম উনাকেই বুঝাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে দ্বীনি খাত দ্বারা দ্বীন ইসলাম, হিন্দু ধর্ম, বেীদ্ধ ধর্ম, খ্রিস্টান ধর্মসহ সকল ধর্মকে বুঝায়। কাজেই বাজেটে ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ দ্বারা সেটাকে আলাদা করা উচিত। আর সংখ্যালঘুরা শতকরা ২% সেটাও মাথায় রাখা উচিত ছিল। আবার দ্বীনি খাতকে বিনোদন ও সংস্কৃতি খাতের সাথে রাখা উচিত হয়নি। কারণ এটা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননার নামান্তর।
বিনোদন বলতে গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, চলচ্চিত্র, খেলা-ধুলা, ডিশ এন্টিনা ইত্যাদিকে বুঝায়। আর এগুলো হারাম। এগুলোকে বাজেট বরাদ্দ থেকে বাদ দেয়া উচিত। এ খাতের বরাদ্দগুলোকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে, অসহায়-গরীব-দুঃখীদের, পথ শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা উচিত। পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া উচিত, সম্মানিত ও পবিত্র আহলে বাইত শরীফ উনাদের সম্মানে বরাদ্দ রাখা উচিত, পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র শবে ক্বদর, পবিত্র লাইলাতুল রগায়িব শরীফ, পবিত্র মি’রাজ শরীফ, পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররম শরীফ এই বিশেষ দিবসসমূহ সহ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সার্বিক কাজ আঞ্জামের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ রাখা উচিত। যাবতীয় হারাম ও অশ্লীল কাজসমূহ বরাদ্দ থেকে বাদ দেয়া উচিত।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে