ফরাজী ভাই -blog


...


 


সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ১৯শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যেই বিশেষ দিনটি হলো আখাছ্ছুল খাছ হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে (উম্মাহকে) আমার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো স্মরণ করিয়ে দিন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ১৯শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যেই বিশেষ দিনটি হলো আখাছ্ছুল খাছ হযরত আহলু বাইত



পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখুন, অফুরন্ত নিয়ামত হাছিল করুন


পবিত্র রমাদ্বান শরীফের পরের মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। পবিত্র রমাদ্বান শরীফে পূর্ণ মাস রোযা পালন করা ফরজ, পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং অফুরন্ত ফযীলত লাভের কারণ। এ রোজা পালনের মর্যাদা অনেক বড়, যা হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের বিষয়টিই কেবল জাতি-দ্বীন নির্বিশেষে সার্বজনীন বলে বিবেচিত হতে পারে


“নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া বাকি সব” এই ক্বওল শরীফ খানা উনার মর্ম যদি মুসলমানরা উপলব্ধি করতে পারত, সমস্ত কিছু বাদ দিয়ে এই একখানা ক্বওল শরীফ উনার চর্চায় মশগুল



বাল্যবিবাহ বিরোধীরা ৩ শ্রেণীভুক্ত: ১. কাফির ২. মুনাফিক ও ৩. উলামায়ে ‘সূ’


প্রথমতঃ সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যেই ইহুদী, নাছারারা তথা তাবৎ কাফির-মুশরিকরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে আসছে। যেমন- ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন



একটি বিশেষ ঘটনাঃ


ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিখার ফযীলত ——————————————————————— হযরত ইমাম আবু যুরআ রহমাতুল্লাহি আলাইহি অনেক বড় মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি ইন্তেকাল করার পর একজন বুজুর্গ ব্যক্তি উনাকে স্বপ্ন দেখলেন যে, তিনি আসমানের উপর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম হয়ে নামাজ পড়াচ্ছেন। উনাকে



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার পর আর


কারবালার ঘটনার পর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখনই পানি দেখতেন, তখনই কারবালায় আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পিপাসার কথা মনে পড়তো ও তিনি এতে অত্যন্ত ব্যথিত হতেন। তিনি কোনো



কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার সাথে সম্পৃক্তরা কঠিন খোদায়ী গযবে পতিত


সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম উনাকে কারবালায় শহীদ করার ব্যপারে হযরত উলামায়ে কিরামগণ উনারা ইজমা করেছেন যে, বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক, নির্মম, বেদনাদায়ক এবং হৃদয়বিদারক বিষয় হলো কারবালার ঘটনা। সাইয়্যিদুনা হযরত



সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত বদর জিহাদ উনার গনীমতের মাল বণ্টন


সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার কারণে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ না যেয়েও সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ উপস্থিত থেকে জিহাদ করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক হাছিল



পবিত্র দশদিন ও দশ রাতসমূহকে যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে হাছিল করতে পারবে অসংখ্যা আমলের ফযীলত।


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য।



ষড়যন্ত্র


ষড়যন্ত্র কুরবানী একটা ঐতিহ্যবাহী মহাপবিত্র ইসলামী ইবাদত। তাই ইসলাম বিদ্বেষী গুমরাহরা এখন কুরবানীর বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। তার সাথে যোগ দিয়েছে ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘ছূ’ গং। তথাকথিত মানবতাবাদীরা কুরবানী না করে তার অর্থ দুর্গত তথা দুঃখীদের মাঝে বিতরণের প্রপাগান্ডা করে থাকে। অথচ



সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে’ এসে পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জানা


যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে উনার পবিত্র ও সম্মানিততম কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্যতম উত্তম আমল; মুসলমানদের জন্য খাছভাবে দোয়া করা আর কাফিরদের জন্য কঠিন বদদোয়া করা


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিলে যে কোন দোয়া নিঃসন্দেহে মকবুল। এজন্য মুসলমানদের মুক্তির জন্য এবং বিপদ থেকে হিফায়েতর জন্য বিশেষ দোয়া করা কর্তব্য। আর সকল সন্ত্রাসী কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করাও ঈমানের দাবী। মুসলমানদেরকে নিয়ে কাফির মুশরকিদের ষড়যন্ত্র নতুন কোন