পেসমেকার -blog


...


 


সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করা কি ইহুদী-খৃষ্টানদের কালচার?


ইহুদী-খ্রীষ্টানের বংশবদ, আবু লাহাবের পুত্র, খারিজী, ওহাবী, বিদয়াতীরাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত দিবস পালনকে “ইহুদী-খৃষ্টানদের কালচার” বলে থাকে নিজেদেরকে ইবলিসের খাছ অনুচর বলে প্রতীয়মান করে . ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন



রসুলে পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম দেখে চুম্বন করার কারণে বনী ঈসরাইলের এক ব্যক্তির ২০০ বছরের গুনাহ


” হযরত ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বাহ(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বলেন, “বনী ঈসরাইলের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল অত্যন্ত পাপী, যে ২০০ বছর পর্যন্ত আল্লাহর নাফরমানী করেছে । যখন সে মৃত্যুবরণ করে মানুষেরা তাকে এমন স্থানে নিক্ষেপকরল, যেখানে আবর্জনা ফেলা হতো। তখন হযরত মূসা আলাইহিস



নব উদ্ভাবিত নিন্মোক্ত বিষয়াবলীকে বিদয়াত বলে পরিত্যাগ করার জন্য বলা হচ্ছেনা কেনো?


দিন তারিখ ঘোষণা করে বাংলাদেশে ‘বিশ্ব ইজতেমা’ নামক একটি তাবলীগী সমাবেশ করে। যাকে তারা ইসলামের অন্যতম ফরয ভিত্তি হজ্জের সাথেও তুলনা দিয়ে থাকে। তারা ইসলামের নামে এই তাবলীগ শুরু করেছে কিছুকাল আগে। অপরদিকে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



সাহাবা যুগে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাহফিলের প্রমান


  হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম উনার উপস্থিতিতে সাহাবায়ে কেরাম মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান করেছেন | নিম্নে কয়েকটি প্রমান : ১. হযরত আল্লামা জালাল উদ্দীন সূয়ুতী রহমতুল্লাহি আলাইহি যার সনদ সহ প্রায় ২ লক্ষ হাদিস শরীফ মুখস্থ ছিল সেই তাজুল মুফাস্সিরীন



দেওবন্দিদের কাছে মিলাদ শরীফের প্রমান


বর্তমানের দেওবন্দীরা যে সত্যিকারের মুর্খ , পাগল আর বাতিলপন্থী ওহাবী তা তাদের আকীদাগত কার্যকলাপ আর পাইকারী ফতুয়াবাজি থেকে সহজেই অনুধাবন করা যায় | তাদের যদি নুন্যতম কোরআন হাদিসের জ্ঞান আর তাদের পূর্বসুরী দেওবন্দীদের কিতাব সম্পর্কে সামান্য ধারণা থাকতো তাহলে এরা মিলাদ



ভারতে নদিতে মুর্তি ফেললে ৫০০০ রুপি জরিমানা হলে বাংলাদেশে নয় কেন ?


দিল্লি সরকার ঘোষনা দিয়েছে মুর্তি যমুনা নদিতে ফালানো যাবেনা। কারন নাকি নদি দুষন হয়। নির্দিষ্ট ঘাটে মুর্তি ফেলার কথা বলেছে তারা । http://goo.gl/5wFUiW সত্যিই কথা বলতে, বাংলাদেশের নদীগুলো দূষণের যতগুলো মূল কারণ আছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দূর্গা পূজার



মুসলমান কি ভুলে গেছেন নিজেদের ইতিহাস?


যে ভারত বর্ষে – মাত্র ১৭ বছর বয়সে মুহাম্মদ বিন কাসিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খলীফা আল ওয়ালিদের আমলে ভারতের সিন্ধুতে অভিযান পরিচালনা করে ভারতের ক্ষমতাধর অত্যাচারী, লুণ্ঠনকারী শাসক রাজা দাহিরকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও নিহত করেন। যে ভারতবর্ষে- আফগান শাসক সুলতান মাহমুদ



অসীম নিয়ামতে ভরপুর একটি খাদ্য হল গরুর গোশত,যার উপকারিতা অপরিসীম। 


  পবিত্র কুরবানী ঈদের আগে হিন্দু ও নাস্তিকরা অপপ্রচার করে থাকে গরুর গোশত শরীরের জন্য নাকি ক্ষতিকর! নাউযুবিল্লাহ। নাস্তিকের দল সারাবছর ধরে গরুর গোশত আরামসে ভক্ষণ করে কিন্তু ঠিক কুরবানির সময়ে এসে বিরুদ্ধাচরণ করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি যা হালাল



মুসলমান নয়, হিন্দুরাই মন্দির ভাঙ্গচুর করে।


টঙ্গীতে গতকাল সোমবার সকালে ‘আল্লাহ আকবর’ ধ্বনি দিয়ে হিন্দু যুবকের নেতৃত্বে মন্দিরে হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। ওই যুবকের নাম সঞ্জয় সাহা (২৫)। কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে গিয়ে সে টঙ্গী বাজার শ্রী শ্রী দুর্গামন্দিরের পুরোহিত অনিল কুমার ভৌমিককে মারধর ও প্রতীমায় লাথি মারার



নির্দিষ্ট স্থানে পশু কুরবানী,ইমাম ও কসাই নির্দিষ্টকরন করে কুরবানী করা সম্পুর্নরুপে বাস্তবতাবিবর্জত এবং অসম্ভব একটি বিষয়।


সরকার পশু জবাই এর স্থান, ইমাম ও কসাই নির্ধারন করে দিয়ে বলেছে এসকল স্পটে কুরবানী করার জন্য। সরকারের পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত মুসলমানগন উনাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার ব্যার্থ চেষ্টা করছে। সরকার সেসকল তথ্য উপাথ্য এবং হিসেবে দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করা অবাস্তব



স্টেরয়েড জাতীয় বড়ি ,ইনজেকশন দিয়ে নয় , প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই বাংলাদেশে পশু মোটাতাজাকরন করা হয় – ৪


কোরবানির ঈদের আগে গরু কিনতে গেলে মোটাতাজা গরু দেখলেই মনে করা হয় ইঞ্জেকশন দিয়ে মোটা করা গরু। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। প্রাকৃতিক উপায়েই ৩-৪ মাসের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরণ করা যায়। সর্তকতা– যে ব্যক্তি ঔষুধ লাগাবেন, তিনি গরুর শরীরের ক্ষতস্থান সম্পর্কে



স্টেরয়েড জাতীয় বড়ি ,ইনজেকশন দিয়ে নয় , প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই বাংলাদেশে পশু মোটাতাজাকরন করা হয় – ৩


কোরবানির ঈদের আগে গরু কিনতে গেলে মোটাতাজা গরু দেখলেই মনে করা হয় ইঞ্জেকশন দিয়ে মোটা করা গরু। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। প্রাকৃতিক উপায়েই ৩-৪ মাসের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরণ করা যায়। বিভিন্ন প্রকার খাবার খড়ের সাথে মিশিয়ে ইউরিয়া খাওয়ানোর নিয়মঃ ১০