অনজু ঘোষ -blog


নির্মম সত্যি কথা বলি............। যা অনেকের কাছে খারাপ লাগে । কিন্তু তাতে আমার কিছু আসে যায় না .....................


 


কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে


মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন সকল মাখলূক্ব বা সৃষ্টির সম্মানিত খ¦ালিক্ব মালিক রব তদ্রƒপ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত মাখলূক্ব বা সৃষ্টির জন্য সম্মানিত নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! কাজেই, যেমনিভাবে



পানিতে মূর্তি ফেললে পানির বরকত নষ্ট হয়; তাই হিন্দুদের কথিত মূর্তি বিসর্জন বন্ধ হওয়া উচিত


ইতিহাসে পাওয়া যায় বর্তমানে যে এলাকায় ঢাকেশ্বরী মন্দির অবস্থিত সেটি তৎকালীন সময়ে মুসলিমবাগ নামে মশহুর ছিল। এবং সেখানে একটি মসজিদ একটি ঈদগাহ এবং একটি কূপ ছিলো। সে কূপের পানি অত্যন্ত সুমিষ্ট ছিলো তা পান করলে অনেক দুরারোগ্য রোগ ভালো হয়ে যেত।



সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক ২৭শে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম।’ আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক ২৭শে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ- খলীফায়ে ছানী, ফারূক্বে আ’যম,



পবিত্র কুরবানী উনার দিনসমূহে হাঁস, মুরগি, কবুতর ইত্যাদি, যবেহ করা জায়িয নেই


মুসলমানদের আইয়ামে নহর বা পবিত্র কুরবানী উনার দিনসমূহে যারা মজুসি বা অগ্নিউপাসক তারা তাদের ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে থাকে। এখন যদি কোন মুসলমান তাদের সাথে মুশাবাহ্ বা সাদৃশ্য রেখে পবিত্র কুরবানী উনার দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে, তাহলে



ভারতে ব্যাপক আত্মহত্যার রিপোর্ট পেশ করেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো


ভারতে কৃষকদের ব্যাপক আত্মহত্যার কারণ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো বা এনসিআরবি। এতে ভারতের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে আত্মহত্যাকে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু কৃষকই নয়, গৃহবধূ, সদ্য বয়ঃসন্ধি পেরনো কিশোর কিশোরী থেকে হাই প্রোফাইল ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালরাও



‘সব সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ঢেকে রাখি না। শুধু নামাজের সময় ছবিগুলো ঢেকে


শুধু নামাজের সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ঢেকে রাখি’ ‘সব সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ঢেকে রাখি না। শুধু নামাজের সময় ছবিগুলো ঢেকে রাখি। ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক ছবি থাকলে ওই ঘরে নামাজ হয় না। তাই এ



সন্তানেরা দেখে না, ভাত-কাপড় দেয় না বলেই এই মা তিন বছর ধরে কুষ্টিয়ার মজমপুরে একটি বৃদ্ধাশ্রমে আছেন


যেই ছেলে মেয়েদের জন্য যৌবনকালে নামায,কালাম, যিকির- ফিকির , দান -ছদকা , দ্বীন ইসলাম বাদ দিয়ে কামাই রুজি করেছে । যেই ছেলে মেয়েদের জন্য যৌবনকালে নামায,কালাম, যিকির- ফিকির , দান -ছদকা , দ্বীন ইসলাম বাদ দিয়ে রান্না বান্না করে খাইয়েছে ,



……এরপরে আমরা আবার গালি দেয়া শুরু করি,তারপরে আবার সততার কথা বলে ঘুম যাই……তারপরে আবার……


আমরা সাংবাদিকদের গালি দেই-হলুদ সাংবাদিক বইলা। আমরা ডাক্তারদের গালি দেই- গলাকাটা ডাকাত বইলা। আমরা উকিলদেরগালি দেই-চসমখোর বইলা। আমরা পুলিশ কে গালি দেই-ঘুসখোর বইলা। আমরা রাজনিতিবিদদের গালি দেই- নীতিহীন দুর্বনীতিবাজ বইলা। আমরা ইঞ্জিনিয়ারদের গালি দেই- অদক্ষ বইলা। আমরা সমাজসেবিদের গালি দেই- ধান্ধাবাজ



‘ছেলে-বউয়ের সংসারে থাকতে পারিনি … এখানেই মরব, কোথায় যাব?


এক দুঃখিনী মা ‘ র গল্প ………………… আমি  বড় রাস্তার ধারে  স্কুলের শেষ সীমানার  কাছে থাকতাম। অনেক বছর। লোকের বাড়ি কাজ করতাম। তিন ছেলে দুই মেয়ে। দুই ছেলে দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। আমি ত্রিশ বছর এই শহরে   আছি, স্বামী



আল ইহসান শরীফে লেখালেখি করার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়াল সরকার।


শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ ……… রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় ক্লাস না হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে রোজা ও ঈদের ছুটি কমানোর ঘোষণা দিলেও শিক্ষক ও অভিভাবকদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় আর  আল ইহসান শরীফে ব্যপক লেখালেখি করার ফলে  সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছে সরকার।  আগামী ১৪ জুলাই



বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নিয়ে আর কতো ব্যবসা হবে?


মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সন্মান করি। তার মানে এই নয় যে, তাদের বংশধরকেও আজীবন ফ্রি সুবিধা দিতে হবে- সবকিছুতেই। সরকার তাদের ১ কোটি টাকা দিক, ঢাকায় ১০ তলা বাড়ি দিক তাতে আমরা অখুশি হবনা। কিন্তু যারা বাপের যোগ্যতায়, নানার যোগ্যতায় কিংবা মামুর যোগ্যতায়



প্রসঙ্গ ইতালিঃ প্রতারিত হবেননা দালাল দ্বারা।প্রথমে জানুন,তারপরে………….


“Italy, no bed of roses for migrants” গত দশক এর মাঝামাঝি সময় হতে যখন বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা ঢালাও ভাবে চড়াও হওয়া শুরু হলো, যা কিনা ইতালির ইকোনমি দারুন ভাবে নারা দিলো. বর্তমান এ ইউরো জোনে অনেক দেশগুলো তাদের অবস্তান পোক্ত করতে