মানুষ -blog


...


 


ইসলামিক ফাউন্ডেশন অনুবাদকৃত বুখারী শরীফ কিতাবের মধ্যেই ‘সংক্রমণ বা ছোঁয়াচে কোন রোগ নেই’ বলে উল্লেখ রয়েছে


বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন সম্পাদনা পরিষদের তত্ত্বাবধানে অনুদিত এবং তৎকর্তৃক সম্পাদিত প্রকাশকাল: র্মাচ ১৯৮৪ বুখারী শরীফ নবম খণ্ড বাবুল জুযাম বা কুষ্ঠরোগ অনুচ্ছেদের ২২৮৯ নং হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে- وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيْمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنَا سَعِيْدُ بْنُ مِيْنَاءَ قَالَ



মহান বরকতময় পবিত্র ১৩ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মত নন।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মত কেউ নেই। উনারা আখাছ্ছুল খাছভাবে মনোনীত। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ১৩ই শা’বান



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার ইল্ম ও পরহেযগারিতা মুবারক


হযরত ইমাম যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমি হযরত আলী আওসাত হযরত ইমাম যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম উনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ফকীহ আর দ্বিতীয় কাউকে দেখিনি। অথচ তিনি খুব কম পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (তাযকিরাতুল হুফফাজ-১/৭৮) হযরত ইমাম আবু হাজিম



জাতিগতভাবেই মুসলমানরা শরাফাত, ভদ্রতার অধিকারী কিন্তু ঠিক তার বিপরীত বিধর্মীরা


(১) পবিত্র দ্বীন ইসলামে ছেলে-মেয়েরা বিয়ের উপযুক্ত হলে বিবাহ দেয়া, বিবাহ করানোর নির্দেশ রয়েছে। একজন পুরুষ তার প্রয়োজনে চারটি বিবাহ করতে পারবে- যদি সে সমতা রক্ষা করতে পারে। একজন মহিলার স্বামী ইন্তেকাল করলে সে অন্যত্র বিবাহ বসতে পারে। অপরদিকে অনেকের হয়তো



নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযা শরীফ: ইয়েমেনের মসজিদে ছানাআ উনার ক্বিবলা নির্ধারণ


নামায উনার ক্বিবলা: প্রাথমিক অবস্থায় বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ ছিল ক্বিবলা। ২য় হিজরীতে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই আমি আপনার চেহারা মুবারক বার বার আকাশের দিকে উঠাতে দেখি। অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সেই ক্বিবলা উনার দিকেই ঘুরিয়ে দিব, যাকে



সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত্বওয়ালু


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মত নন। অর্থাৎ আপনাদের মত কেউই নেই।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আস



সৃষ্টির সূচনাতেই সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল অনন্য খুছূছিয়াত মুবারক


‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত ইমাম কিসায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ আরো অনেকেই বর্ণনা করেন, সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সৃষ্টি মুবারক করার পর উনার বাম পাঁজরের



পুরুষ-মহিলা প্রত্যেককেই একজন কামিল শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা গ্রহণ করতে হবে; যা ফরযের অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, সে তার জন্য কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) পাবে না।” অর্থাৎ যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা পথভ্রষ্ট। নাউযুবিল্লাহ! তাই সম্মানিত ইসলামী



মালিকুত তামাম, ক্বসিমুন নিয়াম, সাইয়্যিদুল আনাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি প্রকাশ


يَاۤ أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيْرًا অর্থ : আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে শাহিদ, মুবাশশির বা সুসংবাদদাতা এবং নাযির বা ভীতি প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৫) অর্থাৎ, মহাসম্মানিত



সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা



দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননা কিছুতেই বরদাশত করা হবে না।


যে দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগ মুসলমান। যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম। যে দেশে হাজার হাজার আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাজার শরীফ। সঙ্গতকারণেই সেদেশের মুসলমানদের চিন্তা-চেতনা মন-মগজে সদাসর্বদায় দায়েমীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত



ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে কোনো রোগ আছে বিশ্বাস করা সুস্পষ্ট শিরকের অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না। এছাড়া সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে কোনো রোগ আছে বিশ্বাস করা সুস্পষ্ট শিরকের অন্তর্ভুক্ত।