চাঁদের হাসি -blog


...


 


দান বাক্স ও আমাদের করনীয়


কোথাও যাচ্ছেন, পথে একটা দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলেন। অথবা একটা দুঃস্বপ্ন দেখে চিৎকার দিয়ে জেগে উঠলেন, তখন আপনার নিকটজন বিশেষ করে মা বাবা হয়তো বলবেন সদকা করে দিও। এই সদকা হতে পারে খাসি, মুরগী এরকম কিছু। কিন্তু বর্তমান সমাজের ১০ ভাগ



সারা পৃথিবীতে একদিনে ঈদ হওয়া সম্পর্কে


অনেকে বলে থাকেন সউদি আরবে চাঁদ দেখার উপর সারা পৃথিবীতে ঈদ পালন করা উচিত। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি অবান্তর। ধরা যাক, সউদি আরবের আকাশেই প্রথম ঈদের চাঁদ দেখা গেল। তাহলে সউদি আরবের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোতে সউদি আরবের সাথে একই দিনের সন্ধ্যায় চাঁদ



একই দিনে সারা পৃথিবীতে বাঁকা চাঁদ দেখা সম্ভব নয়


আকাশে খালি চোখে দেখার মত চাঁদের নুন্যতম আকার ধারণ করার সময় পৃথিবীর কোন স্থানে সূর্যাস্ত হবে বা চাঁদ দেখার উপযোগী পরিবেশ তৈরী হবে তার কোন বাধা ধরা নিয়ম নেই। যেহেতু বাঁকা চাঁদ একমাত্র সূর্যাস্তের পরেই দেখা সম্ভব। একটি দেশের আকাশে সূর্যাস্তের



প্রতি মাসে বাঁকা চাঁদ একই দেশ থেকে দেখা যাবেনা


  মালার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তির উপর অবস্থান করে এবং ডিসেম্বরের ২২ তারিখ মধ্যাহ্নে দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্য-মকর ক্রান্তির উপর অবস্থান করে। সে কারণেই বলা হয় সূর্য দৃষ্টিগোচর হয় কম-বেশী উত্তর-দক্ষিণ দ্রাঘিমাংশ বরাবর। কিন্তু চাঁদ দৃশ্যমান হতে পারে যে কোন স্থান থেকে এবং পশ্চিমে



সিটি কর্পোরেশন খুউউউউউউউউব ব্যস্ত। সময় নাই।


তথাকথিত ভালোবাসা দিবসে উৎসব আয়োজন করে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে নাগরিকদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। ফালতু ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ে শাহবাগে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত দিনব্যাপী সঙ্গীত উৎসবে সে এই আহ্বান



ভাষা শহীদদের কান্না কি শোনা যায়?


পশ্চিম বঙ্গের এক বাঙ্গালি কবির লেখা একটি কবিতার কয়েকটি লাইন শুনিয়ে আমার লেখা শুরু করছি। এখানে কবি বাংগালীদের বাংলা চর্চার উদাসীনতাকে কটাক্ষ করেই লিখেছে। বাংলা ভাষাকে মানুষ কতটুকু মর্যাদা আসলে দেয় তা এখানে ফুটে উঠেছে। “কি লাভ বলুন বাংলা পড়ে? বিমান



ইসলামে বাদ্যযন্ত্র এবং সঙ্গীতের কোনো স্থান নেই-৬


মুসলিম বিশ্ব ছাড়াও অনেক কাফির দেশে অনেক মুসলমান রয়েছেন, যারা সেই দেশের ভাষা অনুযায়ী হামদ, না’ত, ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করেন এবং সামা মজলিসের আয়োজন করে থাকেন। সারা বিশ্বের মুসলমানগণ বর্তমানে কয়েকটি পদ্ধতিতে হামদ, না’ত, ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করেন এবং সামা মাহফিলের



হিন্দু কাকের কা কা


ঠিক বুঝলাম না , বাদশা আওরংগজেবের সময় নাকি গরু যবেহ নিষেধ ছিল আর সেই আইন এখন চাচ্ছে কথিত হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা। তাও বাংলাদেশে। তাহলেতো মুসলমানদেরকে আবারও এই উপমহাদেশের শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে যেখানে হিন্দুরা মুসলমানদের পা



ইসলামে বাদ্যযন্ত্র এবং সঙ্গীতের কোনো স্থান নেই-৫


আমরা এ পর্যায়ে পাশ্চাত্যে যে ধরনের হামদ, না’ত, ক্বাছীদা শরীফ প্রচলিত রয়েছে, সে ব্যাপারে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। তবে তার পূর্বে কয়েকটি বিশেষ বিষয় আমাদের জানা প্রয়োজন। আমরা আরবী ভাষাকে মুহব্বত করি। কেননা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



ইসলামে বাদ্যযন্ত্র এবং সঙ্গীতের কোনো স্থান নেই-৪


অনেকে পাখির আওয়াজের উপর কিয়াস করে দফের ব্যবহার বৈধ বলেছেন। কিতাবে লিখা আছে, “ঢাক, দফ ইত্যাদি বৈধ। কারণ মদের সাথে এগেুলোর সম্পর্ক নেই। মদ্যপায়ীরা এগুলো বাজায় না এবং এতে মদের মজলিসের স্মরণ হয় না। এতে মদ্যপায়ীদের সাথে মিলও প্রকাশ পায় না।”



ইসলামে বাদ্যযন্ত্র এবং সঙ্গীতের কোনো স্থান নেই-৩


কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “ক্রীড়া কৌতুকের শব্দ, তারের বাদ্য শরীয়তে নিষিদ্ধ। এগুলো হারাম হওয়ার কারণ আনন্দ পাওয়া নয়, এগুলো হারাম বিষয়ের অনুগামী বস্তু; যেমন শরাব পান।” আরো উল্লেখ করা হয়েছে, “শরাব নিষিদ্ধ হওয়ার শুরুতে আরবে প্রচলিত চার প্রকারের বিশেষ শরাবপাত্রের



ইসলামে বাদ্যযন্ত্র এবং সঙ্গীতের কোনো স্থান নেই-২


  আরব বিশ্বে নাশিদের প্রচলন রয়েছে। তবে এই নাশিদ (হামদ, না’ত, কাছীদা) বাদ্যযন্ত্রসহ, বাদ্যযন্ত্র ছাড়া সবভাবেই পঠিত হচ্ছে। বাদ্যযন্ত্র ছাড়া পাঠ করাই শরীয়তসম্মত। সুতরাং যারা বাদ্যযন্ত্র ছাড়া পাঠ করেন তারা হক্বের উপর রয়েছেন। কিন্তু  বাদ্যযন্ত্রসহ যারা নাশিদ পাঠ করে তাদের মধ্যে