মাসউদুর রহমান -blog


...


 


একমাত্র বিবেক-বুদ্ধিহীন অথর্বরাই ‘লকডাউন’ নামক জুলুমবাজির পক্ষে কথা বলে


একবার এক বুযুর্গ ব্যক্তি তিনি উনার এলাকা থেকে অন্য দূরবর্তী কোন এক শহরে যাবেন। যথাসময়ে তিনি সেই শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গেলেন। তিনি শহরের কাছে পৌঁছে দেখতে পেলেন, শহরের মূল যে গেট সেটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং গেটের পাশে গেটম্যান



মুসলমানদের মোবাইলে রিংটোনে গান-বাজনা থাকতে পারে না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে গান-বাদ্য করা, শ্রবণ করা কিংবা শুনানোর আয়োজন করা সবই কবীরা গুনাহ ও হারাম। বিভিন্নভাবে মুসলিম সমাজে এই হারাম প্রবেশ করেছে। বর্তমানে মোবাইল ব্যবহার করা যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পন্থা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সেটাকেই ইহুদী-নাছারা চক্র মোক্ষম



সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি নারীদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে সর্বোত্তম আদর্শ নিহিত



শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে কোন গুনাহর কাজ সংগঠিত হলে উপায় কি?


শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ



ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, এগুলো বর্জন করা উচিত


ভারতে গরুকে কথিত দেবতা মান্যকারীরা নিয়মিত গো-মূত্র পান করে। জয়রাম সিঙ্ঘাল বহু বছর ধরে গো-মূত্র পান করে এসেছে সে দাবী করে, গো-মূত্র শুধু রোগ থেকে মুক্তই করে না, এটি পূণ্যের কাজও বটে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! গরু পূজারীদের অনেক নেতাই বলেছে, বহু



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার সম্মানার্থে অতিসত্বর মসজিদগুলো হতে সব বিধিনিষেধ বাতিল করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোন মু’মিন নর-নারীর জন্য জায়িয হবেনা, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা মুবারক করেছেন, সে ফায়ছালার মধ্যে চু-চেরা, ক্বীল ও ক্বাল



পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো। যদি কোনো কারণে আগামী ২৯শে শা’বান শরীফ চাঁদ দেখা না যায়, তবে শা’বান শরীফ মাস ত্রিশ



মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- জামায়াতে নামায আদায়ের সময় কাতার সোজা করা ও ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব।


নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাতারে পরস্পরে মিশে দাঁড়াও। দুই কাতারের মাঝে কিছু ফাঁক রাখ এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও। মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- জামায়াতে নামায আদায়ের সময় কাতার সোজা



পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার সম্মানার্থে সরকারের উচিৎ অতিসত্বর লকডাউন তুলে দিয়ে মানুষের আয় রোজগারের সুষ্ঠ ব্যবস্থা করে দেয়া।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পবিত্র রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন মুয়াসাহ বা সহানুভূতির মাস।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার সম্মানার্থে সরকারের উচিৎ অতিসত্বর লকডাউন তুলে দিয়ে মানুষের আয় রোজগারের সুষ্ঠ ব্যবস্থা করে দেয়া।



ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাধারণভাবে মাস্ক কিংবা অন্য কিছু দিয়ে মুখমণ্ডল তথা নাক, মুখ ঢেকে নামায পড়া মাকরূহ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চেহারা বা মুখমণ্ডল ঢেকে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাধারণভাবে মাস্ক কিংবা অন্য কিছু দিয়ে মুখমণ্ডল তথা



মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার কারণে এ মুবারক দিবসটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা সম্মানিত ফরয


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ অর্থ:- “যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারককে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদের ছাওয়াব প্রদান