মাসউদুর রহমান -blog


...


 


চেহারা-ছুরতেও মুসলমানিত্বের চিহ্ন থাকতে হবে তথা শরীয়ত মুতাবিক হতে হবে


মুসলমান পালন করবে ইসলাম। মুসলমান নিজে বা কারো প্রভাবে ইসলামের বিপরীত কাজ-কর্ম করতে পারবে না। মুসলমান হিসেবে নিজেকে দাবি করলে সে ব্যক্তি কখনোই বিধর্মীদের কোনো নিয়ম-নীতি চর্চা করার অধিকার রাখে না। মুসলমান পরস্পরে কাটা-কাটি মারামারি দন্ধ কলহে জড়িত হবে না। মুসলমানের



ঘটনা থেকে শিক্ষা: ‘উত্তম ধারণা হচ্ছে উত্তম ইবাদত’


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোনো মুসলমান ভাইকে তুচ্ছ জ্ঞান করা মহাপাপ।’ (কিমিয়ায়ে সা’য়াদাত) তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, ‘উত্তম ধারনা হচ্ছে উত্তম ইবাদত।’ সুবহানাল্লাহ! একজন দরবেশ লোক বহু ইবাদত করেছে বলে নিজেকে



মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা সরকারের জন্য


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম হাছিল করা ফরয।’ সুবহানাল্লাহ! মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিবের



প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলকেই সম্মানিত দ্বীন ইসলামে বর্ণিত খাছ সুন্নতী পোশাকই পরিধান করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য লিবাস বা পোশাক নাযিল করেছি।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা কাফির-মুশরিকদের লিবাস বা পোশাক থেকে বেঁচে থাকো।’ একজন



মহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা



কথিত সংস্কৃতি চর্চার নামে বেতাল-বেখবর রাখা হচ্ছে জনগণকে


গণতান্ত্রিক সরকারগুলোর অব্যর্থ একটি পলিসি আছে। যখন-ই সরকাররা নিজেদেরকে জনরোষ থেকে রক্ষা করতে চায় কিম্বা দেশবিরোধী কোন চুক্তি করতে চায়, তখনই কোনো না কোনো ঘটনা ঘটায়। বর্তমান সরকারও সেই পলিসি প্রয়োগ করে জোরালোভাবে সরকার বুঝে গেছে এই জাতিকে কোনো হারাম কাজে



সংখ্যালঘুদের ছুটিতে কেন সারাদেশ বন্ধ থাকবে?


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ



যারা পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার করবেন, উনাদেরকে সবসময় গায়িবী মদদ করা হবে


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ০৭ই যিলহজ্জ



পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে অবজ্ঞা করা ও নিষিদ্ধ করা কুফরী: ‘মুছাফাহা করা তথা হাতে হাত মিলানো’ এবং ‘মুয়ানাকা করা


একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতান্তে সালাম বিনিময়ের পর সৌহার্দ ও মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা বা করমর্দন করা একটি ইসলামী শরীয়ত উনার আইন ও উত্তম চরিত্র। এটি মুছাফাহাকারী ব্যক্তিদ্বয়ের মাঝে মুহব্বত-ভালবাসা ও হৃদ্যতার বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে এটি



সমস্ত নিয়ামত উনাদের জামে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত শাহদামাদ ছানী আলাইহিস সালাম


মহান রব্বুল আলামীন জাল্লা শানহূ তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘সূরা আর রহমান শরীফ’ উনার মধ্যে অসংখ্যবার ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমরা আমার কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এতোই নিয়ামত দান করেছেন যা সমস্ত মাখলুকাত তারা



সুমহান ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ॥ আহলান ওয়া সাহলান আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম


আরবী পঞ্চম মাস উনার নাম পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ। পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলতের মধ্যে একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এ মাসে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৩য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন আলাইহিস



ইসলামবিদ্বেষী ও বিদ্রোহীদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা সকল ঈমানদারের জন্য ফরয-ওয়াজিব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং দ্বীনি যাবতীয় বিষয়ের উপর যার অন্তরের বিশ্বাসসহ মৌখিক স্বীকৃতি থাকে, তাকে ঈমানদার বলা যায়। পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি