মাসউদুর রহমান -blog


...


 


চন্দ্র মাসের চাঁদ যেদিন দেখা যাবে সেদিনেরই চাঁদ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে; তিন দিনের বা দু’দিনের চাঁদ- মন্তব্য করা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে। বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত আবুল বাখতারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা পবিত্র উমরা উনার জন্য বের হলাম। যখন আমরা বাতনে নাখলা নামক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন আমরা জামায়েত হয়ে নতুন



যেভাবে ধর্মব্যবসায়ীরা মানুষের আমল-আখলাক বিনষ্ট করে…


পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস তথা পবিত্র ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস আসতে আর বেশি দিন বাকি নেই। মহাসম্মানিত এই দিন বা তারিখ মুবারক নিয়ে নানা রকম উক্তি, নানা আলোচনা, সমালোচনা(!) সারাবিশ্ব জুড়েই মুসলমানদের মাঝে হয়ে থাকে। মীলাদ শরীফ উনার প্রসঙ্গ



হে মুসলমান! সাবধান! কুফরীতে মগ্ন থেকে মারা গেলে জাহান্নাম ছাড়া আর কোনো গতি নেই


যারা কুফরী করে এবং কুফরীতেই দৃঢ় থাকে তাদের সতর্ক সাবধান করে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “আর যারা কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে সেখানে মৃত্যুর আদেশ দেয়া হবে না যে, তারা সেখানে



সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর বড় উপায় শহর ‘বিকেন্দ্রীকরণ’


প্রতি বছর দেশে সড়ক দুর্ঘটনার পরিমাণ বেড়েই যাচ্ছে। বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে জান ও মালের। স্বজন হারিয়ে নিঃস¦ হচ্ছে বহু পরিবার। সরকার থেকে কিছুদিন পরপর এই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে নানা আইন জারি এবং সচেতন করার উদ্দেশ্যে নানা নির্দেশনা দেয়া হয়, কিন্তু



অজান্তেই কি হারাম উপাদানের খাবার গ্রহণ করা হচ্ছে?


হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী- এ বিষয়টিও প্রায় মানুষেরই জানা আছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে থাকে- হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয়, তবু উপলব্ধির জন্যই



প্রতি বছর আলু, টমেটোসহ লাখ লাখ টন সবজি শুধুমাত্র হিমাগারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে


প্রতিবছরই ভরা মৌসুমে সংবাদ শিরোনাম হয়- ১ কেজি পেঁয়াজে ৮ মণ মুলা পাওয়া যায়। ১ মণ আলুর দামে ১ কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যায়। কুষ্টিয়ায় ১০ কেজি মরিচ বিক্রি করেও ১ কেজি চাল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি বছর সারাদেশে ৫ কোটি টনেরও



যারা পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার বিরোধী, তারা কি তাদের সন্তানের জন্মে খুশি প্রকাশ করে না?


আহ! বড়ই আফসুস লাগে যাঁর কারণে কুল-কায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে। জান্নাত, জাহান্নাম, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, তরুলতা, আমি আপনিসহ ওই ঈদে মীলাদে হাবীবী বিরোধী পাপাত্মা কুলাঙ্গাররা সৃষ্টি হয়েছে সেই মহান রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক



পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম



মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক ব্যতীত হক্বের উপর থাকা অসম্ভব


সাইয়্যিদুল শোয়ারা হযরত মুসলিহুদ্দীন শেখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “নেককারের ছোহবতে নেককার হয়, আর বদকারের ছোহবতে বদকার হয়।” হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার পুত্র কেনান, হযরত নবী আলাইহিস সালাম উনার পুত্র হওয়া সত্ত্বেও কাফির-মুশরিকদের ছোহবতে থাকার কারণে কাফির-মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে



মহাপবিত্র কালিমা শরীফ অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে- পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলামসহ অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ অস্বীকার করা।


মহাসম্মানিত হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আখিরী যামানায় কিছু মিথ্যাবাদী দাজ্জাল বের হবে, তারা এমন সব কথা বলবে যা তোমরা শোনা তো দূরের কথাই তোমাদের বাপ-দাদারাও কখনো শুনেনি। কিছু দাজ্জালে কায্যাব



রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষে উলামা পরিষদসহ সমমনা ১৩টি দলের মানববন্ধন


রাজারবাগ দরবার শরীফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলের অপপ্রচার এবং মিডিয়া ক্যুর প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী উলামা পরিষদসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ১৩টি সমমনা দল আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমানে রাজারবাগ দরবার শরীফের বিরুদ্ধে যে মিডিয়া



হক পীরদের বিরুদ্ধে অপশক্তির চক্রান্ত নস্যাতের ডাক,


“সম্মানিত ফুরফুরা শরীফ উনার সিলসিলা” #রাজারবাগ_শরীফের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, জামাত-জঙ্গীবাদ-মৌলবাদ বিরোধী রাজারবাগ দরবার শরীফকে নিয়ে অব্যাহত মিডিয়া ক্যুর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট রিপোর্ট এবং সিআইডির ভুল তদন্ত প্রত্যাখান করে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা