মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ উনাকে একমাত্র বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ীরাই নববর্ষ হিসেবে উদযাপন করতে বলে


হিজরী বর্ষের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ উনাকে হিজরী নববর্ষ হিসেবে উদযাপন করার জন্য কতিপয় আধুনিক বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ যেন কোমর বেঁধে নেমেছে। তাদের কথা হলো, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানগণ উনাদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও কেনো এদেশে হিজরী নববর্ষকে বরণ করতে



একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা: মুসলিম কর্তৃক অমুসলিম-বিধর্মীদের ক্ষমতায়িত করার করুণ পরিণতি


উইলিয়াম হান্টার নামে বাংলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্রিটিশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১৮৭১ সালে লিখেছিল ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক তার ব্যাপক আলোচিত বইটি। বইটির একটি অধ্যায় রয়েছে ‘ব্রিটিশ শাসনে মুসলমানদের প্রতি অন্যায়’ শিরোনামে, যেখানে বিবৃত হয়েছে ব্রিটিশদের মদদে প্রশাসন ও বিচার বিভাগের প্রত্যেকটি ক্ষেত্র



ভালো নিয়তের দোহাই দিলেই হারাম বিষয় হালাল হয়ে যায় না


ভালো নিয়ত থাকলেই হারাম বিষয় হালাল হয়ে যায় না; বরং হালাল ও হারাম পণ্য চিহ্নিত করার জন্য কিছু মূলনীতি জানা দরকার। হালালের চিহ্ন থাকাই উক্ত বস্তু হালাল হবার নিদর্শন হতে পারে না। কারণ হালালের চিহ্ন দিয়ে হারাম পণ্যও বিক্রি করা হতে



সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতিটি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ইছনাইনিল আযীম শরীফ, মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি “ইয়াওমুল



বিধর্মীদের নামে রাস্তাঘাটের নামকরণ মুসলমানদের অপমান করার শামিল


সম্প্রতি বাংলাদেশের কিছু রাস্তাঘাটগুলোর নাম পরিবর্তন করে ভিনদেশী অমুসলিম-বিধর্মীদের নামে নামকরণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদেশের চিহ্নিত একটি বিদেশপ্রেমীরাই এ প্রস্তাব করেছে। যারা কিনা বাংলাদেশে ইউরোপ-আমেরিকার অপসংস্কৃতিও চালু করতে কাজ করে যাচ্ছে নামে-বেনামে। অথচ আমাদের দেশে শত শত মুসলিম ব্যক্তিত্ব আছেন,



পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররম: ইছমিদ সুরমা ও চক্ষুরোগ


‘আশুরা’ শব্দ মুবারক আরবী ‘আশার’ শব্দ মুবারক থেকে নিঃসৃত। যার অর্থ দশ। আশুরা মিনাল মুহররম হলো মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার দশ তারিখ। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “তোমরা মুহররম শরীফ মাসকে এবং এর মধ্যস্থিত পবিত্র আশুরা শরীফকে সম্মান কর



হাক্বীক্বী কামিয়াবী হতে সামান্য কয়েকটি নেক আমলের মাধ্যমে পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফকে সম্মান করুন


এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা সামান্যতেই অনেক কিছু হাছিল হয়। মণিমুক্তা, স্বর্ণ, হিরা ইত্যাদি ছোট ও অল্প হলেও এর দাম কিন্তু অনেক বেশী। দুনিয়া হলো পরকালের শস্যক্ষেত্র। আমলের বীজ বপন এবং চাষাবাদের জায়গা। দুনিয়ায় যে যেমন আমলের বীজ বপন করবে, যেমন



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


اُمَّهَاتٌ (উম্মাহাত) শব্দ মুবারকখানা اُمٌّ (উম্মুন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মাতাগণ। আর اَلْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ মুবারকখানা اَلْمُؤْمِنُ (আল মু’মিন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মু’মিনগণ। আর اَلْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ মুবারক উনার শুরুতে যে ال (আলিফ লাম) রয়েছে, তা



সম্মানিত সুন্নত প্রচার কেন্দ্রের সার্বিক আনজাম যারা দিবেন, উনাদেরকে বিশেষ ৪টি নিয়ামত দ্বারা সম্মানিত করা হবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন – مَنْ حَفِظَ سُنَّتـِيْ اَكْرَمَهُ اللّٰهُ بِاَرْبَعِ خِصَالٍ اَلْمَحَبَّةُ ف۪ى قُلُوبِ الْبَرَرَةِ وَالْـهَيْبَةُ فِ۪ىْ قُلُوْبِ الْفَجَرَةِ وَالسَّعَةُ فِى الرِّزْقِ وَالثِّقَةُ فِى الدِّيْنِ .



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশুরা শরীফ উনার নছিহত: বছরের পহেলা দিন পালন করা যাবে না


দুনিয়াতে যত সাল চালু রয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং অনুসরণযোগ্য সাল হচ্ছে মহাসম্মানিত হিজরী সাল এবং সৌর ক্যালেন্ডার হিসাবে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ থেকে প্রকাশিত আত তাক্বউইমুশ শামসী সাল। মহাসম্মানিত হিজরী সালের প্রথম মাসটি হচ্ছে মহাপবিত্র মহররমুল হারাম শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও



কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ছোহবতের ফায়দা ও ফযীলত


কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার মুবারক ছোহবতে ইলিম ও আমল উভয়ই অর্জন করে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত ও মা’রিফাত হাছিল করা যায় এবং আসমান, যমীন ও বহু আলমের ভেদ ও নিগূঢ় তত্ত্বের সংবাদও জানা যায়। বিশিষ্ট ওলী ও বুযর্গ



সুখী হতে চাও, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল হও


সুখের সন্ধানে মানুষ পাগলপ্রায়। কিন্তু সুখের সন্ধান তো মিললো না। অর্থে সুখ, মান-সম্মানে সুখ, সম্পদে সুখ, আয়েশী জীবনে সুখ। না, কোথাও পেলাম না তাকে। সুখ যদি না থাকবে, তবে সুখ শব্দটা আসলো কোত্থেকে? সুখকে পাননি, তবে কোনো সুখী মানুষ? তাও না।