মাসউদুর রহমান -blog


...


 


আহলু বাইতে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল খুছূছিয়ত মুবারক


মহামূল্যবান ক্বওল শরীফ হচ্ছে- من له المولى فله الكل “যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে পেয়ে যান, তিনি সব কিছুই পেয়ে যান।” আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং



পবিত্র জুমুয়ার দিন উনার ফাযায়িল ফযীলত ও আদব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে যে সমস্ত নিয়ামত দ্বারা ধন্য করেছেন উনাদের মধ্যে পবিত্র জুমুয়ার দিন হচ্ছে অন্যতম। এই দিন হচ্ছে উম্মতের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। সুবহানাল্লাহ! খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক



শরীয়ত বিরোধী ইজতিহাদ করা ইবলিসের খাছলত ও সুস্পষ্ট গোমরাহী


আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা না করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে জিজ্ঞাসা করলেন, مَا مَنَعَكَ أَلَّا تَسْجُدَ إِذْ أَمَرْتُكَ অর্থ:- “(হে ইবলীস) কোন জিনিস সিজদা করা থেকে তোকে বিরত রাখলো।” (পবিত্র সূরা আরাফ শরীফ, পবিত্র আয়াত



সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবতেই মহিলা জাতির মুক্তি


বর্তমান মহিলাদের অবস্থা অবলোকন করলে আফসুস করতে হয় যে, তারা শুধু নামেই ‘মুসলিম মহিলা’। কিন্তু তাদের হাল-হাক্বীক্বত, সীরত-ছূরত অন্যান্য বাতিল ধর্মাবলম্বীদের মতো। প্রগতিশীল মহিলাবাদীদের দ্বারা উন্মুক্ত ‘মহিলা স্বাধীনতা’র বিষয় আজ ব্যাপক আলোচিত। ‘মহিলা স্বাধীনতা’র নামে ঘর থেকে মহিলাদের বের করতে উদ্বুদ্ধ



শীতকালে কানটুপি পরিধান করাও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


শীতকালে ও সফর অবস্থায় ঠান্ডাদূরীকরণের জন্য কান ঢেকে রাখে এমন টুপি তথা কানটুপি ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দিক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা গাউছুল আ’যম, দস্তগীর,


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় নেই এবং কোনো চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতপূর্ণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফাতিহায়ে



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মহান তাজদীদে পীরানে পীর, গউছুল আ’যম দস্তগীর হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি


মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অসীম রহম করে, ইহসান করে মুসলিম উম্মাহ উনাদের পবিত্র ঈমান-আমল হিফাজতের জন্য, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদের জন্য প্রতি হিজরী শতকেই একজন মহান মুজাদ্দিদ



রাজারবাগ দরবার শরীফ বিরোধীরা নিজেরাই মামলাবাজ


মামলাবাজ সিন্ডিকেট খুঁজতে রিট করা একরামুল আহসান কাঞ্চন নিজেই বড় মামলাবাজ। যে- ১) নিজ গর্ভধারীনি মায়ের বিরুদ্ধে করেছে ৩টি মামলা ২) একমাত্র ছোট বোনের বিরুদ্ধে করেছে ৩টি মামলা ৩) আপনার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে করেছে ৪টি মামলা ৪) ছোট মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে



সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে দ্বীনী ইলম উনাকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দিয়ে ছহীহ আক্বীদা ও আমলের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয।” সুবহানাল্লাহ! তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- সমস্ত



ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রাচীর পেরিয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতেও পাবেন উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদের সাথে সুসম্পর্কের ফল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, “হাশরের ময়দানে কিছু লোক উঠবে, যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ দিবেন তাদেরকে জাহান্নামে নেয়ার জন্য, হে ফেরেশতারা! তাদেরকে জাহান্নামে পৌঁছে দাও। তখন সে লোকগুলো ধীরে ধীরে জাহান্নামের



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার উসূল আর দেওবন্দীদের উসূল সম্পূর্ণ আলাদা


তাইতো বলি, কেনো মানুষ দেওবন্দী মালানাদেরকে এত ঘৃনা করে। কেনো মানুষ এদেরকে বাতিল বলে। কেনো মানুষ এদেরকে খারেজী বলে। কেনো মানুষ এদেরকে হিন্দু মুশরিকদের পুজারী বলে। কেনো মানুষ এদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত হতে বহিষ্কৃত ফিরকা বলে। এদের নিয়মনীতি, চলা ফেরা,



দাড়ি রাখা সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইবলিসের অঙ্গীকার হলো যে, আমি তাদেরকে (মানুষকে) আদেশ করবো যে, যা তারা মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিতে বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটাবে।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৯) এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার