সচেতন -blog


আমি সচেতন পাবলিক হওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।


 


মহিলা জামায়াতের ব্যাপারে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গংয়ের মুনাফিকী


উটপাখিকে বোঝা নিতে বললে সে বলে, আমি তো ভাই পাখি। বোঝা বইবো কী করে? আবার উড়তে বলা হলে জবাব দেয়, আমি তো উট, উড়তে জানি না। একই অবস্থা খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গংসহ তাবৎ বাতিল ৭২ ফিরক্বার। তারা পবিত্র



এক নজরে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত বিনতু যিন নূর আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা সিব্ত্বতুন (নাতনী) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের



নাইজেরিয়ায় পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননা করলেই মৃত্যুদন্ড


পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া। ৫০ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় জামফারা প্রদেশ সম্প্রতি পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডাদেশ ঘোষণা করেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে, যারা পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননা করবে তাদেরকে সর্বোচ্চ



ভারতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হয় নি; অথচ এদেশে…!!


ভারতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী হচ্ছে মুসলমান, যা মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক। তারপরেও সেখানকার মুসলমানগণ একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি পায় না। সম্প্রতি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে হীরা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যেগ নেন কয়েকজন মুসলিম ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে ৭



ভারত কার্যতঃ বাংলাদেশকে মরুভূমি করার যুদ্ধ শুরু করেছে। ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের বাস্তবায়ন তার সাক্ষাৎ প্রমাণ


বাংলাদেশের মনোলোভা, মনোরোমা, শস্য শ্যামলিমা, অভূতপূর্ব সবুজ নৈসর্গিক দৃশ্যের প্রাণ হলো নদী। আর নদী ঠিক থাকতে হলে উজান থেকে প্রবাহ সুষ্ঠু থাকতে হবে। কিন্তু বর্তমানে ভারতে যে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে তাতে বাংলাদেশের নদীগুলোর অস্তিত্ব মহাসঙ্কটে পড়বে। বাকী নদীগুলোও বিলীন



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয


উছুলে ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবেই উল্লেখ আছে যে- اَلْاَمْرُ لِلْوُجُوْبِ অর্থাৎ আদেশসূচক বাক্য দ্বারা সাধারণত ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে থাকে। (উছূলুল বাযদুবী, উছূলুশ শাশী, আল মানার, নূরুল আনওয়ার) যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اَقِيْمُوا الصَّلٰوةَ অর্থাৎ “তোমরা নামায আদায়



বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়নকারীরা কি নিজেদের পিতা-মাতাকে অপদস্তকারী নয়?


প্রধানমন্ত্রীর নিজের লিখিত বই “শেখ মুজিব আমার পিতা” এর ২৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে- “আব্বার যখন দশ (১০) বছর তখন তাঁর বিয়ে হয়। আমার মায়ের বয়স ছিল মাত্র তিন (৩) বছর। আমার মা পিতৃহারা হওয়ার পর তাঁর দাদা এই বিয়ে দিয়ে সমস্ত



দেশের সমুদ্রসীমায় ৪০ ট্রিলিয়ন গ্যাস থাকলেও বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে উচ্চমূল্যের এলএনজি


দেশে গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এলএনজি বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির দিকেই সরকারের ঝোঁক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি করা এলএনজি সার্বিক উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে। সরকার বর্তমানে যে দামে গ্রাহকদের কাছে গ্যাস বিক্রি করছে, আমদানি করা গ্যাস সেই দামে বিক্রি



ভালো নিয়ত থাকলেই হারাম বিষয় হালাল হয়ে যায় না


ভালো নিয়ত থাকলেই হারাম বিষয় হালাল হয়ে যায় না; বরং হালাল ও হারাম পণ্য চিহ্নিত করার জন্য কিছু মূলনীতি জানা দরকার। হালালের চিহ্ন থাকাই উক্ত বস্তু হালাল হবার নিদর্শন হতে পারে না। কারণ হালালের চিহ্ন দিয়ে হারাম পণ্যও বিক্রি করা হতে



আসন্ন পবিত্র ‘আশূরা শরীফ’ উপলক্ষে মুসলমান উনাদের জন্য করণীয় আমলসমূহ এখন হতেই জেনে নিন


(১) হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম (সম্মানিত নবী পরিবার) উনাদের ব্যাপক আলোচনা করা। ফযীলত: রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, দয়া, দান, ইহসান ও কামিয়াবী লাভ হবে। (২) পরিবর্গকে সাধ্যমতো ভালো খাবার খাওয়ানো। ফযীলত: আগামী এক বছরের জন্য সচ্ছলতা লাভ হবে। (৩)



মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত ‘যুন নূরাইন’ লক্বব মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ اَوْحٰـى اِلَـىَّ اَنْ اُزَوِّجَ كَرِيـْمَتَـىَّ مِنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ حَضْرَتْ رُقَيَّةَ



ইতিহাসের পাতা থেকে: মুসলমানদের শিক্ষা-দীক্ষার বিরোধিতায় বিধর্মী-অমুসলিমরা


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধিতা করেছিল বিধর্মীরা। তাদের প্রবল বিরোধিতার মোকাবিলা করেই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালে এবং জাহাঙ্গীরনগর ১৯৭০ সালে। দেখা যাচ্ছে, সাতচল্লিশের আগে এই বাংলার