রংধনু -blog


...


 


মুসলমান দেশের মুসলমান অধিবাসীদের ইসলামের খিলাফ নিয়ম বা পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত নয়


বিশ্বের যতো মুসলমান দেশ রয়েছে তারমধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এদেশের শতকরা ৯৭ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এদেশের সরকার, প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান সবাই মুসলমান। অর্থাৎ যারা দেশ চালাচ্ছে তারা মুসলমান। সুতরাং এদেশে ইসলামের নিয়ম-নীতি পালন করা এবং জারি করা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু দুঃখজনক হলো, এখানকার



ধর্মের নাম ফেরিকারী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলো উগ্রতা ছড়াচ্ছে


ধর্মের নাম ফেরিকারী ৪২টি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন উগ্রতা ছড়াচ্ছে। যুদ্ধাপরাধী ও তাদের পক্ষাবলম্বনকারী দেশী-বিদেশী অপশক্তি এতে ইন্ধন দিচ্ছে।  গোয়েন্দা রিপোর্টের ভাষ্য- ‘যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চিরতরে বিলুপ্ত করার পাঁয়তারা চলছে’ বলে ধুয়া তুলে ষড়যন্ত্রকারীরা ছোট-বড় ৪৪টি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে একাট্টা করার টার্গেট



মহান আল্লাহ পাক উনার নেয়ামতের শেষ নাই।


মহান আল্লাহ পাক উনার নেয়ামতের অস্বীকার করতে পারবে কেউ??   এক একর জমি জুড়ে আম গাছ ! জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার হরিণমারী সীমান্ত গ্রামে রয়েছে এক একর (তিন বিঘা) জমির ওপর এক বিরাট আম গাছ। ওই গাছটি যেন একটি আমের বাগান। এ বছর



বিশেষ লক্বব মুবারকের বিশেষ অর্থ।


“আস সাফফাহ” লক্বব মুবারক-এর একটি বিশেষ অর্থ হচ্ছে অসীম দাতা।   সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, খলীফাতুল মুসলিমনীন, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছে “হযরত আস সাফফাহ” আলাইহিস সালাম।



রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হচ্ছে


আরাকানে বিপন্ন মানবতা রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে বসবাসকারী মুসলমানদের উপর দীর্ঘদিন থেকেই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে আসছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী উপজাতি রাখাইন (মগ) সন্ত্রাসীরা। এতে রয়েছে সরকারি মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা। নিরপরাধ রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ আর লুটপাট