হাদি উল -blog


I am a student....................


 


আশ্চর্য বিষয়! কুরআন শরীফ পড়তে জানে না নতুন প্রজন্ম


আজ থেকে বছর ১০-১১ বছর আগে রাজধানী ঢাকা বিষয়টি নিয়ে ১ম অভিজ্ঞতা হয়। আমারই এক আত্মীয়ের বন্ধুর এক ছেলে ৯ম শ্রেণীতে পড়ে, অথচ সে কুরআন শরীফ তথা আরবী পড়তে জানে না। শুনে খুবই আশ্চর্য হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দিন যত যাচ্ছে কুরআন



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মধ্যে


হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মাঝে একজন হযরত



সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ।


সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ। কেননা স্বয়ং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি তা তদারকি মুবারক করে থাকেন وعد الله الذين امنوا وعملوا الصالحات لـهم



শুধু পবিত্র হজ্জই নয়, যে কোনো ইবাদতেই শরীয়তবিরোধী কাজ করলে তা আদায় হবে না


রোযা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি



আশুলিয়ার শিশু আহরার হত্যাকাণ্ড নিয়ে এনটিভি’র প্রতারণাপূর্ণ প্রতিবেদন এবং এনটিভির প্রতারক সাংবাদিক শফিক শাহীন কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ


গত ১১ অক্টোবর এনটিভি-তে প্রচারিত সংবাদে জনৈক সাংবাদিক সফিক শাহীনের ‘মামলাবাজ সিন্ডিকেট’ শীর্ষক কথিত অনুসন্ধানী রিপোর্টে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আশুলিয়ার শিশু আব্দুস সাত্তার আহরারের (১৩) চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত খুনিদের পক্ষাবলম্বন এবং খুনিদের বাঁচাতে বাদী ও সাক্ষীদের পরিবারের বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


শাব্দিক পরিচিতি মুবারক: আরবী ক্বাওয়ায়িদ বা ব্যাকরণ অনুযায়ীاَهْلُ بَيْتٍ (আহলু বাইত) মুরাক্কাবে ইদ্বাফী হয়েছে। অর্থাৎ اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ আর بَيْتٍ (বাইত) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ ইলাইহ। اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন অধিবাসী, পরিবার-পরিজন, লোকজন, বাসিন্দা,



শরীয়তসম্মত পদ্ধতি থাকতে হারাম পদ্ধতি কেন? 


  এদেশের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান। কিন্তু আফসুস, ইদানীং দেশের প্রশাসন বা সরকারি আমলাদের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে- তারা সময়ের অজুহাতে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে, এদেশের মুসলমানদের উপর শরীয়তবিরোধী আইন চাপিয়ে দিতে চায়, বাধ্য করতে চায়। ওই সকল আমলা



ধর্মব্যবসায়ীদের কুফরী যখন উপচে পড়ে…


প্রতি বছরই দুই বার উলামায়ে সূ’রা তাদের কুফরীকে আরও বেশি উগড়ে দিয়ে জাহান্নামের আরও নিকবর্তী হয়। প্রথমবার যখন সম্মানিত সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ মাস আসেন তখন তারা এই বলে কাফির হয় যে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ



আল আতকা, আল মুত্তাক্বী মাহবূবু রসূলিল্লাহ, মাহবুবুল্লাহ হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ


আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খালা সা’দাহ নাম্মী এক মহিলা তিনি হঠাৎ একদিন উনার বাড়িতে এসে উনাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম! আপনি জেনে রাখুন, আমাদের মাঝে যে নবী ও



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ্বমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শিক্ষা জীবন


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল মুসলিমীন, ইমামুল হুদা, পেশওয়ায়ে আহ্লে ইয়াক্বীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ্বমিছ আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, সমঝদার এবং ধীশক্তির অধিকারী। মূলতঃ জাহিরী-বাতিনী, রূহানী-জিসমানী (চিকিৎসা বিদ্যা) সমস্ত ইল্ম-উনারই খনি ছিলেন আহ্লে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। অতি



মুসাফিরী পথের দূরত্ব সম্পর্কে বিশেষ তাজদীদ মুবারক প্রকাশ


খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত লখতে জিগার আওলাদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, হাকীমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, ছাহিবুল ইলহাম, রসূলে নুমা, হাবীবুল্লাহ, জামি‘উল আলক্বাব, আহলু



ধর্মব্যবসায়ী ও বিধর্মীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো থেকে অপসারণ জরুরী


আমাদের দেশের প্রশাসন ও সরকার অনেক সময় হাক্বীকত না জেনে, না বুঝে বিধর্মী, মুশরিক, অমুসলিম, জামাতী খারেজী, ওহাবী, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদে বসিয়ে থাকে। অথচ তারা এরপর যে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির ফলে প্রশাসন, সরকার ও দেশকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়