জুলফিকার -blog


...


 


সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِشَاءَ فَإِذَا سَجَدَ وَثَبَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ عَلَى ظَهْرِهِ فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ أَخَذَهُمَا بِيَدِهِ مِنْ خَلْفِهِ أَخْذًا رَفِيقًا



‘ইজারা’ ও ‘হাসিল’ নামক চাঁদাবাজি থেকে কুরবানীর হাটকে রক্ষা করতে হবে; পূজা-পার্বণে সরকার কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারে,


একটা কুরবানীর পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় কত টাকা লাগে? বড়জোর লাখখানেক টাকা। সামান্য এই টাকা কি সরকার ভর্তুকি দিতে পারে না? অথচ এই কুরবানীর হাটকে সরকার এখন ব্যবসা আর চাঁদাবাজির কেন্দ্র বানিয়ে ফেলেছে। প্রথমত এই কুরবানীর পশুর হাটকে ইজারা দিয়ে সরকার কোটি



সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম। এ বছর ঢাকা শহরে ভালো


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ছদকাতুল ফিতর- এক সা’ গম বা আটা দুই ব্যক্তির পক্ষ থেকে আদায় করতে হবে। অর্থাৎ একজনের জন্য অর্ধ সা’।’ সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে



‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন এলকোহলমুক্ত বিশুদ্ধ সুগন্ধি সুন্নতী আতর


এলকোহলমুক্ত বিশুদ্ধ সুগন্ধি সুন্নতী আতর ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন এলকোহলমুক্ত বিশুদ্ধ সুগন্ধি সুন্নতী আতর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সুগন্ধি হিসেবে আতর মুবারক ব্যবহার করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশ্বজুড়েই সুন্নত হিসেবে আতর



কবীরা, ছগীরা যতই থাকুক পাপ! দুরূদ শরীফ পাঠে হয় সব মাফ!


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত কায়িনাতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র



সম্মানিত ক্বিবলা পরিবর্তনের ঘটনায় বড় বড় অনেকগুলো হিকমত মুবারক নিহিত রয়েছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ ۖ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا ۚ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ ۗ অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বার বার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি।



মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকা এবং সম্মানিত শরয়ী পর্দা যথাযথভাবে পালন করা।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে ‘যে ব্যক্তি পর্দা করেনা ও অধীনস্থদের পর্দায় রাখেনা, সে ব্যক্তিই দাইয়্যূছ।’ নাউযুবিল্লাহ!



চোর-ডাকাতও যেমন অপরাধী; ভাস্কর্য, স্ট্যাচু, ম্যানিকিনও তেমনি মূর্তি


যারা মানুষের মাল-সম্পদ লুণ্ঠন করে এমন অপরাধীদেরকে আমরা চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী বিভিন্ন নামে অবহিত করে থাকি। চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী এইসব অপরাধীদের নামের মধ্যে ভিন্নতা লক্ষণীয়। কিন্তু অনিস্বীকার্য সত্য যে, এই অপরাধমূলক কর্মকা- প্রতিটির অর্থ কিন্তু একই সেটা হচ্ছে মানুষের মাল-সম্পদ লুণ্ঠন।



“শেষ যামানায় মানুষ মূর্খদেরকে নেতা হিসাবে গ্রহণ করবে”


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “শেষ জামানায় মানুষ মূর্খ লোকদেরকে নেতা হিসাবে গ্রহণ করবে এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চলবে।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বাস্তবতায়ও তাই দেখা যাচ্ছে। যেমন- (১) এখন বাংলাদেশ সরকারের আমলা-কামলাদের কারনে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের দেশের



ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়?


বাজারের প্রচলিত মাস্ক সবসময় পরিধান করার কারণে ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ সৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ থাকার পরেও জনগণকে মাস্ক পরতে কেন বাধ্য করা হচ্ছে? এই ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়? করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে



কথিত এই লকডাউন সম্মানিত শরীয়ত উনার খেলাফ: কষ্টে থাকা মজলুমদের বদদোয়াকে জালিম শাসকদের ভয় করা উচিত


সরকার কার কথা শুনে এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিলো? সরকারী আমলা-কামলারাতো নানা পথে অঢেল টাকা-পয়সা কামিয়েছে, তাদেরতো চিন্তা থাকার কথা নয়। কিন্তু যে সকল দিনমজুর, দরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের ব্যপারে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? তাদেরকে যে সরকার ঘরের



জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি নিয়ে অপপ্রচার ও গুজবে সতর্ক হোন বরং ঈমানদার-মুসলমানদের জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি ও হাঁচি, কাশি


জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি হলেই করোনা নয়। জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি ও কাশি হওয়া খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عن حضرت أَبِىْ عَسِيبٍ رضى الله تعالى عنه مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ