জুলফিকার -blog


...


 


পবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা ও পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা দিবস উনাদের শান-মান, মর্যাদা ও ফযীলত


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শান-মান মর্যাদা-মর্তবা ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী বা জীবনী মুবারক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি



উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বাল্যবস্থায় আক্বদ বা নিকাহ মুবারক সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে যারা চু-চেরা করেছে


সম্প্রতি কিছু মুনাফিক শ্রেণীর লোক তারা ইন্টারনেটে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা একথা ছড়াচ্ছে যে, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম



সেনাবাহিনী বিরোধীরা দেশ বিরোধী, তাদের কথায় কর্ণপাত না করে সেনা সদস্য ও পরিধি বাড়াতে হবে, প্রতিটি জেলায় সেনানিবাস করতে


বাংলাদেশে সেনাবাহিনী দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে, দুর্যোগে, দুর্দিনে দেশের মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়। আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন যেখানে ব্যর্থ সেখানেই সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করে কার্যকর সুফল লাভ করেছে শাসকরা। শুধু দেশে নয় বিদেশের মাটিতেও শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নজিরবিহীন প্রশংসিত। কিন্তু দেশ রক্ষার



যে মহিলা প্রয়োজন ব্যতীত ঘর থেকে বের হয় না বরং সর্বদা ঘরে অবস্থান করে সে মহিলাই মহান আল্লাহ পাক


এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- হযরত আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহিলারা পর্দার সাথে অবস্থান করবে যখন



আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। যেদিনটি সকলের জন্যই রহমত, বরকত ও সাকীনা হাছিল করার দিন।


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। যেদিনটি সকলের জন্যই রহমত,



প্রসঙ্গ: পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযা- সর্বাবস্থায় বিধর্মীদের অনুসরণ থেকে বেঁচে থাকা মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব


পবিত্র আশূরা শরীফ উনার অন্যতম আমল হলো ৯ ও ১০ই মুহররম অথবা ১০ ও ১১ই মুর্হরম তারিখে রোযা রাখা। এ রোযা রাখা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আশূরা উনার রোযা রেখেছেন



উত্তম আদবই ঈমান


আদব অর্থ স্বাভাবিকতা। অর্থাৎ যা স্বাভাবিক তাই আদব। আর আদব শিক্ষার অর্থ নিজের মধ্যে সচ্চরিত্রের সমাবেশ ঘটানো এবং তা রক্ষা করা। যার মধ্যে উত্তম স্বভাব বিদ্যমান, সে চরিত্রবান ও ভদ্র। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা মুবারক সরিয়ে নেয়ার সউদী ওহাবী তথা ইহুদীদের


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সমস্ত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, সমস্ত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, মুসলমান উনাদের ঈমানের মূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ হতে সরিয়ে ফেলার



পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করা পবিত্র হজ্জ কবুল হওয়ার শর্ত এবং পবিত্র হজ্জ করে পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত না


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করো, উনাকে সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যা উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করো।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



রাজাকাররা খোলস পাল্টেছিল মাত্র: একদা পাকিস্তানী ভেকধারী সাহিত্যিকরাই আজ ভারতের লেবাস গায়ে হিন্দুয়ানীর বেসাতি করে বেড়াচ্ছে।


“আমাদের বাংলা ভাষায় স্বকীয় আদর্শে সাহিত্য সৃষ্টি করতে হবে, আদর্শ হবে কুরআন শরীফ-এর শিক্ষা, আধার হবে মুসলমানি ঐতিহ্যানুগ আর বিষয়বস্তু হবে ব্যক্তি বা সমাজ অথবা বৃহদার্থে জগৎ ও জীবন। এভাবে আমাদের জাতীয় সাহিত্য ও জাতীয় জীবন গড়ে উঠবে। সাম্প্রতিক সাহিত্যে তরুণ



বাদশাহ আকবরের কুফরী ধর্ম দ্বীন-ই-ইলাহি’র অনুরূপ ‘ইন্টারফেইথ ডায়লগ’ বা আন্তঃধর্ম যা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধনে নতুন ষড়যন্ত্র। মুসলমান


‘ইন্টারফেইথ ডায়গল’ বাংলা করলে যার সহজ অর্থ দাঁড়ায় ‘আন্তধর্মীয় সংলাপ’। যার ভাবানুবাদ হলো, সকল ধর্মের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য সমঝোতা করা। বিষয়টা শুনতে ভালো শোনা গেলেও এর পেছনের রয়ে গেছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে এক গভীর ষড়যন্ত্র।



‘ইন্টারফেইথ ডায়লগ: বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কাফির বানিয়ে দিতে এক সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অধিকাংশ আহলে কিতাব (ইহুদী-নাছারা) মুসলমানদের প্রতি হিংসাবশত চায়- ঈমান আনার পর পুনরায় কাফির বানিয়ে দিতে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ থেকে স্পষ্ট হয় যে, অধিকাংশ অমুসলিমরাই