মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন -blog


...


 


পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো। যদি কোনো কারণে আগামী ২৯শে শা’বান শরীফ চাঁদ দেখা না যায়, তবে শা’বান শরীফ মাস ত্রিশ



যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ! যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা



খলীফায়ে ছানী সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা


(১) মৌসুম অনুযায়ী মুজাহিদ/সৈন্য চালনা: কোনো দেশে মুজাহিদ/সৈন্য প্রেরণের সময় তথাকার ঋতু ও আবহাওয়ার প্রতি লক্ষ্য রেখে মুজাহিদ/সৈন্য বাহিনী প্রেরণ করিতেন। শীতপ্রধান দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে ও গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে শীতকালে মুজাহিদ/সৈন্য প্রেরণ করিতেন। তদানীন্তন সম্মানিত আরব উনাদের পরিভাষায় এ ব্যবস্থাকে ‘শাতীয়া’ এবং ‘সাফীয়া’



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুরূপ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَا كَانَ لِاَهْلِ الْمَدِيْنَةِ وَمَنْ حَوْلَـهُمْ مِنَ الْاَعْرَابِ اَنْ يَّتَخَلَّفُوْا عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوْا بِاَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ. অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফবাসী এবং পার্শ্ববর্তী পল্লীবাসী উনাদের জন্য অর্থাৎ



প্রসঙ্গঃ সরকারীভাবে জনগণকে মাস্ক পরতে বাধ্য করা ॥ বেশিরভাগ মাস্ক থেকে জীবন হরণকারী ক্যান্সার হওয়ার বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ থাকার পরেও


করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে বেড়েছে মাস্কের ব্যবহার। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মাস্ক বেশির ভাগই চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দেশে মোট আমদানি করা ও উৎপাদিত মাস্কের সিংহভাগ হচ্ছে প্রচলিত নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক শপিং ব্যাগের কাপড় দিয়ে। নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক কাপড় হচ্ছে বর্তমান



পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য মুসলমানদের উচিত তওবা করে নেক আমলে ফিরে আসা


যত রকমের গযব দুনিয়ার যমীনে নাযিল হয় তার মূলত প্রধান দুটি কারণ। প্রথম কারনটি হচ্ছে সারা দুনিয়াব্যাপী সমস্ত বিধর্মীরা মুসলমানদের উপর মারাত্মক যুলুম-নির্যাতন চালিয়ে লক্ষ-লক্ষ মুসলমান উনাদের শহীদ করে মুসলমানদের মাল-সম্পদ লুট করে যাচ্ছে। বিধর্মীদের এই বদ আমলের কারণে মহান আল্লাহ



“যে ব্যক্তি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরোধীতা বা সমালোচনা করে সে ব্যক্তি কাফির।” নাউযুবিল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরোধীতা বা সমালোচনা করে সে ব্যক্তি কাফির।” নাউযুবিল্লাহ! আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মর্যাদাসম্পন্ন, জলীলুল



জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি নিয়ে অপপ্রচার ও গুজবে সতর্ক হোন বরং ঈমানদার-মুসলমানদের জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি ও হাঁচি, কাশি


জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি হলেই করোনা নয়। জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি ও কাশি হওয়া খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عن حضرت أَبِىْ عَسِيبٍ رضى الله تعالى عنه مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ



একমাত্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীম খানা ও লিল্লাহ বোডিং যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় দান-ছদক্বা পাওয়ার প্রকৃত হক্বদার


আজকাল দেখা যায়, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ব্যতীত অন্যান্য মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা একসাথে পড়াশুনা করে, তা’লীম শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। তাদের মধ্যে পর্দা পালনের কোন রকম ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ তারা পর্দা করে না। যেমন পুরুষ শিক্ষক বালেগা ছাত্রীদের সাথে পর্দা করে না



তারা ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বলে, কিন্তু মুসলমানরা প্রতিবাদ করতেও লজ্জা পায়!


ইন্টারনেট খুললে, দেশের পত্র-পত্রিকাগুলোর পাতা উল্টালে বেপর্দা, বেহায়া আর ইসলাম নিষিদ্ধ কাজগুলোরই প্রশংসা। অমুক নারী খেলোয়াড় এটা জিতেছে, অমুক নায়িকা এটা করেছে সেটা করেছে। যেন সে বিরাট কিছু। অথচ সে যে বিবস্ত্র প্রায় পোশাক পরে লাখো পুরুষদের সামনে শারীরিক কসরত করে



মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণে মুসলমানদের নিকট তাদের জীবন ও সম্ভ্রমের মূল্য শেষ হয়ে যাচ্ছে!


মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণে মুসলমানদের নিকট তাদের জীবন ও সম্ভ্রমের মূল্য শেষ হয়ে যাচ্ছে! সম্প্রতি এক মাহফিলে একজন বক্তা আলোচনা করছিলেন মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বা সাইকোলজিকাল ওয়ারফেয়ার নিয়ে। তিনি বলছিলেন, কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের হত্যা করতে করতে এবং তাদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে করতে তাদের মধ্যকার



খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মুমিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে বিজিত কয়েকটি এলাকার বর্ণনা


সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কী কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য-বীরত্ব, কী ন্যায়নিষ্ঠ ছিলো মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে