মানছূর -blog


...


 


ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে কাতারে ফাঁক রাখলে কুফরী হবে। কারণ সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কোন রোগ নেই।


নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাতারে পরস্পরে মিশে দাঁড়াও। দুই কাতারের মাঝে কিছু ফাঁক রাখ এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও। জামায়াতে নামায আদায়ের সময় কাতার সোজা করা ও ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব।



সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম বিনতে কাররামাল্লাহু


সম্মানিত পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম বিনতে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা সিব্ত্বতুন (নাতনী) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



সুমহান মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১১ দিন বাকী।


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক অস্বীকার করবে সে আমার উম্মত নয়।” নাউযুবিল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র



বিধর্মীদের পোশাক পরানোর বদঅভ্যাস পরিহার করুন


আপনি জানেন কী- ইহুদীরা টাই পরে না? কারণ, এটি তাদের আভিজাত্য, কৃষ্টি, কালচার ও শরাফতের খিলাফ। তারা মনে করে, খ্রিস্টানরা টাই পরে। তাই খ্রিস্টানদের অনুসরণে টাই পরা যাবে না। আপনি আরো জানেন কী- ধর্মনিরপেক্ষতার দৃষ্টান্ত স্থাপনে মোগল স¤্রাট আকবর তার সেনাপতি



পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতভূমি প্রথম যমীন অর্থাৎ ‘কা’বা শরীফ’ থেকে প্রাইম


إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكًا وَهُدًى لِّلْعَالَمِينَ অর্থ : “নিশ্চয়ই সর্বপ্রথম যে ঘর মুবারক মানবজাতির জন্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা তো ওই ঘর মুবারক যা মক্কা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত। উহা বরকতময় এবং বিশ্ববাসীর জন্য পথপ্রদর্শক।” (পবিত্র সূরা আলে



আজ বরকতময় সুমহান ২৮শে জুমাদাল উলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত যদি অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম তাহলে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম।’ সুবহানাল্লাহ! আজ বরকতময় সুমহান ২৮শে জুমাদাল



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইলমে গইব উনার অধিকারী। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কেননা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বায়িদ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন আলিমুল গইব। আর মহান



প্রত্যেকটি পবিত্র ও সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা ফরযে আইন


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র ও সম্মানিততম কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّـهَ إِنَّ اللَّـهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের



প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই



আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদ মুবারক- ‘নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নূর মুবারক হিসেবেই সৃষ্টি হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার ১৫ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে তোমাদের নিকট মহাসম্মানিত নূর মুবারক তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অনুসরণীয় হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম উনারা