মেঘমালা -blog


...


 


সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার সম্মানার্থে অতিসত্বর মসজিদগুলো হতে সব বিধিনিষেধ বাতিল করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোন মু’মিন নর-নারীর জন্য জায়িয হবেনা, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা মুবারক করেছেন, সে ফায়ছালার মধ্যে চু-চেরা, ক্বীল ও ক্বাল



কথিত ‘স্বাস্থ্যবিধি’ ও ‘সীমিত পরিসর’ দ্বীন ইসলামসম্মত নয়


সম্প্রতি করোনা ভাইরাস গযবে চীনসহ তাবৎ কাফির রাষ্ট্রে কোটি কোটি কাফির নিহত হয়েছে। এবং সে গযব থেকে বাঁচার জন্য তারা নিজ নিজ ঘর-বাড়িতে অবস্থানের জন্য লকডাউন ব্যবস্থা চালু করেছে। কিন্তু এতেও তারা স্বস্তি ও নিস্তার পায়নি। এখন কাফিরদের সাথে নামধারি মুসলমানদের



৯৮ ভাগ মুসলামন অধ্যুষিত এ দেশের বাজেটে যা হওয়ার কথা


বাংলাদেশের সরকারী বাজেটগুলোতে দেখা যায় বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় খাতকে এক সাথে রাখা হয়। অথচ ধর্মীয় খাতকে আলাদা রাখা উচিত। ধর্মীয় খাত বলতে আবার দ্বীন ইসলাম, হিন্দু ধর্ম, বেীদ্ধ ধর্ম, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মকে বুঝায়। এই দেশে শতকরা ৯৮% মুসলমান। মুসলমানরা এই



কাফির-মুশরিকদের উপর আপতিত “করোনা ভাইরাস” নামক খোদায়ী গজব থেকে মুসলমানদের নাজাত লাভের অন্যতম একটি উছীলা হচ্ছে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র পবিত্র


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ ﴿٣﴾ فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿٤﴾ অর্থ : “নিশ্চয়ই আমি উহা (পবিত্র কুরআন



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার ইমামত উনার ব্যাপারে হাজরে আসওয়াদ উনার সাক্ষী


সাইয়্যিদুনা, ইমামুর রাবি’ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার পর উনার ক্বায়িম-মক্বাম বা গদ্দিনসীন হন। উনার ইমামতের মাক্বামটি তিনিই অলংকৃত



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়া’হ আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়া’হ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত মেয়ে। পিতার বংশ: কুরাইশ বংশের বনু ‘আদী বিন কা‘ব শাখা। তিনি ও উনার সহোদর ভাই সাইয়্যিদুনা হযরত



ইতিহাস বলে, তারা এসেছিলো সহায়তার নামে লুটপাট করতে…


স্বাধীনতার পর ভারতীয় সুযোগসন্ধানী বাহিনী ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে মার্চ ১৯৭২ পর্যন্ত সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে। এই সময়ে কি পরিমাণ লুটপাট তারা করে তা বর্ণনাতীত।তাদের লুটপাট মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষদেরকে হতবাক করে দেয়। ২১শে জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ব্রিটেনের বিখ্যাত গার্ডিয়ান পত্রিকায়



সেমিনারে বক্তারা: ‘মুসলমানরা না থাকলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকতো না’


মুসলমানরা এ অঞ্চলে না আসলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকতো না বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফের ‘ভাষা গবেষণা বিভাগ’। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে আকরাম খাঁ হলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত “বাংলা ভাষা ও সাহিত্য মুসলমানদের দান” শীর্ষক



ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন


সুওয়াল: কতিপয় উলামায়ে সূ’ এবং তাদের অনুসারীরা বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এ ছাড়া অন্য কারো ক্ষেত্রে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা জায়েয নেই এবং ইতিপূর্বে কেউই নাকি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রয়েছে অনেক উল্লেখযোগ্য বিশেষ দিনসমূহ।


আরবী বছরের ৭ম মাস পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস বিভিন্ন কারণেই সম্মানিত। এ মহাসম্মানিত মাস উনার মধ্যে রয়েছে অনেক উল্লেখযোগ্য বিশেষ দিনসমূহ। এ মহাসম্মানিত মাস উনার পহেলা রাত্রটি হচ্ছেন নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুলের রাত্র। সুবহানাল্লাহ! ১লা রজবুল হারাম



এরপরও কি এসব পেপার-পত্রিকাগুলোকে ইসলামবিরোধী বলা হবে না?


ইদানীং পত্রিকাগুলো হাতে নিলেই প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বড় বড় ছবি আর হেডিং নিয়ে থাকে শুধু বিশ্বকাপ খেলার খবর। এসব খবরে শুধু যে, কে হারলো আর কে জিতলো এসব খবর থাকে তা নয়; থাকে খেলোয়াড়দের জীবন কাহিনী, থাকে কে



“তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সন্তুষ্টি মুবারক হাছীল করা সম্ভব”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে সম্মানিত ঐ ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি পরহেযগার বা মুত্তাক্বী।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ¦ারা সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, যে ব্যক্তি তাক্বওয়া হাছীল করবে, অর্থাৎ যে যত