মুসলমান -blog


...


 


অনলাইন কুরবানীর হাটের মাধ্যমে পশু ক্রয়ে শরঈ শর্ত প্রতিপালিত হওয়া সম্ভব নয়, তাই ডিজিটাল কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়


দ্বীন ইসলাম কখনোই উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিকে অস্বীকার করে না, তবে শর্ত হচ্ছে তা শরীয়তসম্মত হতে হবে। বর্তমান সময়ে বেচাকেনার একটি আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে ডিজিটাল বা অনলাইনে বেচাকেনা। তবে পবিত্র কুরবানীর পশু অনলাইনে বেচাকেনা করা কতটুকু শরীয়তসম্মত তা জানার জন্য কয়েকটি



মুসলমানদের সমৃদ্ধির একমাত্র উপায় “সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা”


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বর্ণযুগের মুসলমানদের দুনিয়া কাঁপানো প্রভাব-প্রতিপত্তির মূল কারণ ছিল সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন। যার বদৌলতে মুসলমানরা সমৃদ্ধির চূড়ান্ত সোপানে উপনিত হয়েছিলেন। দুই একটি ঘটনা উল্লেখ করলেই সম্মানিত মুসলমান উনাদের সমৃদ্ধির মাত্রা কিঞ্চিত উপলদ্ধি করা যাবে। হযরত ছিদ্দীক্বে



ব্রিটিশ দস্যুদের অনুসরণকারী আমলা-কামলা দিয়েতো লুটপাটই হবে


ব্রিটিশিয় কায়দা-কানুন যারা এখনো ছাড়তে পারে নি, যারা এখনো স্যুটেড-বুটেড হয়ে দেশ চালাতে চায়, সেই সব শাসকগোষ্ঠী দিয়ে দেশের উন্নয়ন আশা করা যায় না, মুষ্টিমেয় কিছু পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীর উন্নয়ন হয় মাত্র। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে গরিব-মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উন্নতি হলেই দেশের সামগ্রীক উন্নয়ন হয়েছে



ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে প্রকৃত বিজয় কখনোই অর্জিত হবে না।


বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করে এ অঞ্চলের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায়। ব্রিটিশ আমলের ১৯০ বছরের পরাধীনতা সেই বিধর্মীদেরই ষড়যন্ত্রের ফসল। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে আটক যুদ্ধাপরাধীদের বিনা বিচারে ফেরত দিয়েছিল এই ভারতীয়রাই। সুতরাং ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে



ভারত সম্ভ্রমহানির দেশ হয়েছে মুশরিকদের কথিত বীরদের (!) অনুপ্রেরণায়


মুশরিকদের তথাকথিত এক বীরপুরুষের নাম হলো শিবাজি। এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শিবাজির অধীনস্থ মারাঠা দস্যু বাহিনী বাংলায় ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছিল, যা বাংলার ইতিহাসে ‘বর্গী হামলা’ নামে মশহুর। ‘খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো, বর্গী এলো দেশে’ ছড়াটি এখনো বর্গীদের নৃশংসতার সাক্ষর বহন করছে। মুশরিক



নিজের মন মত নয় বরং শরীয়ত মুতাবিক ঈমান-আমল হতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রƒপ অন্যান্য সকলকে



নওরোজ বা নববর্ষ তথা কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে ফসলী নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ মজুসী-মুশরিকদের পূজার অংশ এবং তর্জ-তরীক্বা। নাউযুবিল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মূর্তির অপবিত্রতা এবং মিথ্যা কথা তথা পূজা সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্যক্রম হতে বিরত থাকো।” নওরোজ বা নববর্ষ তথা কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে ফসলী নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ মজুসী-মুশরিকদের পূজার অংশ এবং তর্জ-তরীক্বা। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই, পহেলা



বর্তমান শাসকগোষ্ঠি যদি সর্বপ্রথম খলীফা ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অনুসরন অনুকরন করতো তাহলে উনার সাথেই জান্নাতে যেতে পারতো!


বর্তমান শাসকগোষ্ঠি যদি সর্বপ্রথম খলীফা ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অনুসরন অনুকরন করতো তাহলে উনার সাথেই জান্নাতে যেতে পারতো! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! পাঠ্যবইগুলোর কারণেই সন্তানরা ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে মুশরিক কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া নামধারী মুসলিম যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে



ধর্মব্যবসায়ী ও বেদ্বীন-বদদ্বীন হতে সাবধান!!


প্রত্যেক মু’মিন মুসলমানদের একান্ত কর্তব্য যে, প্রকৃত হাদী, প্রকৃত পীর-মুর্শিদ গ্রহণ করার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা। নতুবা বেদয়াতী, বেশরা গুমরাহদের পাল্লায় পড়লে দ্বীন ও ঈমান উভয়ই বরবাদ হয়ে যাবে। অনেকে নিজেদেরকে হাদী, পীর-মুর্শিদ পরিচয় দিয়ে সরল প্রাণ মুসলমানদেরকে গুমরাহ করছে। তাদের



বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব হয় যেখানে…


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়। ২.



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। আর পালন না করলে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, শাফিয়ুল মুজনেবীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- যিনি সৃষ্টির মূল, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রুবুবিয়াত প্রকাশের মাধ্যম, যিনি খলীলুল্লাহ হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ফখর, যিনি মহান