রাতের তারা -blog


...


 


মানুষকে কষ্ট দেয়ার এক কুফরী নীতির নাম হচ্ছে কথিত এই ‘স্থাস্থ্যবিধি’


অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, কোন কাফির-মুশরিক কোন একটা বিষয় জারী করলে আমাদের দেশেও সেটা কায়িম করতেই হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু সেটা কতটুকু ফায়দাজনক তা কখনো কি চিন্তা করেছে আমাদের দেশের কর্ণধাররা? বর্তমানে কাফিরদের প্রতি আপতিত মহাগযব করোনার কারণে কাফিররা তাদের দেশে লকডাউন



মাদরাসা শিক্ষার প্রতি বর্তমান মুসলমানদের অনীহা ও ইংরেজিভিত্তিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য


মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেসব হিফয কিংবা ক্বারীয়ানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, সেসবে বাংলাদেশের মাদরাসা ছাত্ররাই সবসময় প্রথম-দ্বিতীয় স্থান লাভ করে থাকে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং ইন্টারনেটের সংবাদমাধ্যমে এ সম্পর্কিত খবর নিয়মিত দেখা যায়। এদেশের মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা হলো বাংলা, তারপরও তারা মধ্যপ্রাচ্যের আরবীভাষী প্রতিযোগীদের



ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! ২রা শা’বান শরীফ মুবারক হো! পবিত্র ঈদে মীলাদে সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি (উম্মতদেরকে) বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত স্বরূপ আপনাকে যে তারা পেয়েছে, সেজন্য তাদের কর্তব্য তথা ফরয হচ্ছে খুশি



রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখে রোযা রাখার ফযীলত


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখে রোযা রাখার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি পবিত্র ২৭শে রজবুল হালাম শরীফ দিনে রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার আমলনামায় ষাট (৬০) মাস তথা পাঁচ



মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কায়িনাতব্যাপী প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত- ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ বিস্ময়কর এক শান মুবারক


মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক সারা কায়িনাতব্যাপী প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত- ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন করে, রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বেমেছাল অভূতপূর্ব শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার



প্রসঙ্গঃ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১লা রজবুল হারাম শরীফ এবং সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে বিশেষভাবে মেহমানদারীর ব্যবস্থা


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার পহেলা রজবুল হারাম শরীফ সাইয়্যিদুল



যাকাত অনাদায়ে হালাল উপার্জনও হারাম হয়ে যাচ্ছে!


আপনি সৎ ও পরহেযগার থাকতে চান। তাই সুদ-ঘুষ খান না, অন্যের হক্ব নষ্ট করেন না, অবৈধ পথে উপার্জন করেন না। কিন্তু এত কিছুর পরও আপনার উপার্জন হালাল হচ্ছে না, বরং আপনি হারাম খাচ্ছেন। আশ্চর্য হচ্ছেন এই কথা শুনে? আশ্চর্য হওয়ারই কথা।



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে; সে ব্যক্তি সে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মী কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ করা



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَلِلّٰهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهٖ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلٰكِنَّ الْمُنٰفِقِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ অর্থ: “সমস্ত ইজ্জত তথা শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক একমাত্র যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তি হচ্ছেন সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা


জামিউল আহাদীছ, জামউল জাওয়ামি’, জামিউল কবীর, কানযুল উম্মাল ইত্যাদি কিতাবসমূহে বর্ণিত রয়েছে- ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



কাফির-মুশরিকদের অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত মুসলিম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু একথা বারবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার



একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা: ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কি বলে?


* ঈমানদারদের জন্য আক্বীদা হলো ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই * ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করা জাহেলী যুগের বৈশিষ্ট্য * জাহিলী যুগের বদ আক্বীদা রোধ করার জন্য ‘ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই’ এই হাদীছ শরীফ উনার অবতারনা * কথিত ছোঁয়াচে নামক বিশ্বাস