মিনার -blog


...


 


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে তোমরা ইলম অর্জন করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ



হিন্দুস্থানের বিশিষ্ট ওলী হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১২ই শরীফ পালন


চীশতিয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ ম্ঈুনুদ্দীন হাসান চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা হলেন হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ‘দলীলুল আরেফীন’ নামক বিখ্যাত কিতাবের লিখক। উনার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণের ঘটনাটি অনেক মশহুর। ঘটনাটি ‘কুতুবে ছে’র’



প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, সমস্ত বিধর্মীদের বিশেষ করে ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমত ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।” সমস্ত বিধর্মীরাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু। তারা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমান দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের



সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন মর্যাদা-মর্তবার কিছু আলোকপাত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি উনার বান্দাদের মধ্য থেকে দু’শ্রেণীর বান্দা উনাদের মনোনীত করেছেন। প্রথম শ্রেণী হচ্ছেন- হযরত আম্বিয়ায়ে কিরাম আলাইহিমুস সালাম এবং দ্বিতীয় শ্রেণী হচ্ছেন হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। স্মরণীয় যে, হযরত আম্বিয়ায়ে কিরাম



সুমহান মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমরা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, আমাদের সাথে কারো তুলনা করা যাবেনা।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ



হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে বাইয়াত গ্রহণ করে ‘ফয়েজ’ ‘তাওয়াজ্জুহ’ হাছিল করা জরুরী


ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার



এক নজরে সিবতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে যুন নূর আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আলী আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত লক্বব মুবারক: সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ ইত্যাদি। সুবহানাল্লাহ! যেই সম্মানিত লক্বব মুবারক-এ সম্মানিত পরিচিতি



সাইয়্যিদাতুন নিসা ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা খইরু ওয়া আফযালু বানাতি


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা খইরু ওয়া আফযালু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত



সূরা ফাতিহা শরীফ থেকে কি শিখলেন, আর বাস্তবে কি করা হচ্ছে?


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথম সূরা মুবারক উনার নাম হচ্ছেন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ। এই পবিত্র সূরা উনাকে বলা হয় ‘উম্মুল কুরআন’। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পবিত্র সূরা শরীফ পঞ্চম হলেও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথমে অবস্থান হয় এই পবিত্র সূরা’



ল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি আরবী মাসের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে মহাপবিত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদসমূহ উত্তমভাবে তা’যীম-তাকরীমের সাথে সংরক্ষণ করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র মসজিদসমূহে উনার পবিত্র যিকির করতে বা উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং পবিত্র মসজিদসমূহ বিরান বা ধ্বংস