পরশ -blog


...


 


সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি নারীদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে সর্বোত্তম আদর্শ নিহিত



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যেই রয়েছে মানবাধিকারের উত্তম আদর্শ


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যেই রয়েছে মানবাধিকারের উত্তম আদর্শ। সম্মানিত পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ ও সম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে বিভিন্ন হুকুম আহকাম ও দিক নির্দেশনার মাধ্যমে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মানবাধিকারের উত্তম আাদর্শ শিক্ষা দিয়েছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার,



মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষ্যে আমল করা এবং এ দিনে রোযা রাখার ফযীলত নিয়ে বাতিলপন্থীদের কুফরী বক্তব্যের জবাব


সালাফী ওহাবীরা পবিত্র ২৭ রজব তথা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ইবাদত ও দিনে রোযা রাখার বিরোধিতা করে। তারা বলে- সুন্নী উনাদের কাছে নাকি ‘গুন্ইয়াতুত তালিবীন’ ও ‘মাছাবাতা বিস সুন্নাহ’ ছাড়া আর কোনো কিতাবের দলীল নেই। নাউযুবিল্লাহ! আজকে আমরা দেখবো ‘গুন্ইয়াতুত



দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা দিতে না পারলে, সবই শিক্ষাই কু-শিক্ষা


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন: “তোমরা দোয়া করো- আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইলম দুই প্রকার। এক প্রকার ইলম হচ্ছে- যবানী ইলম,



করোনা হুজুগ এবং অতঃপর


কথায় বলে ‘হুজুগে বাঙালী’। ‘হুজুগে বাঙাল’ বলা হয়নি। এর কারণ হয়তো ‘বাঙাল’ বলতে আমাদের দেশের সহজ সরল মানুষগুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে যারা কাউকে ঠকাতে জানে না বরং ঠক খেয়ে ফিরে আসতে জানে। করোনায় ‘লক ডাউনের’ সময় একজন আরেকজনকে বলতে শুনেছি, “তুই



ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, বর্জন করা উচিত


ভারতে গরুকে কথিত দেবতা মান্যকারীরা নিয়মিত গো-মূত্র পান করে। জয়রাম সিঙ্ঘাল বহু বছর ধরে গো-মূত্র পান করে এসেছে সে দাবী করে, গো-মূত্র শুধু রোগ থেকে মুক্তই করে না, এটি পূণ্যের কাজও বটে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! গরু পূজারীদের অনেক নেতাই বলেছে, বহু



দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্যই নানা রকম আজগুবি বেহুদা দিবসের প্রচলন করছে তারা(!)


অন্যের ঘরের পিঠার ঘ্রাণ বেশি। একটা প্রচলিত কথা। কথাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, নিজের যা আছে তাতে সে খুশি নয় কিংবা অন্যের যা আছে সেটাকেই বেশি উৎকৃষ্ট মনে করা। এটাকে হীনম্মন্যতা কিংবা এধরনের মানসিকতার অধিকারীকে মানসিক বিকারগ্রস্তও বলা যায়। দুঃখজনক হলেও



যাহরায়ী নকশায় এক অনন্যা আলোকবর্তিকা


লাইলাতু ইছনাইনিল আযীম। ছলাতুল মাগরিব কেবল সমাপ্ত হয়েছে। চাঁদনী কিরণে ভুবন মোহিত। তবে আজকের প্রকৃতি অন্য রকম। আজ সারা কায়িনাত স্বয়ং বারী তায়ালা কর্তৃক-সুসজ্জিত। মাখলুকাত মাঝে ঈদ আর ছলাতের বান। আর এত আয়োজনের প্রেক্ষাপটও একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব কেন্দ্রিক। উম্মুল উমামী পাক



সংখ্যালঘুদের জন্য নতুন নতুন ছাত্রাবাস, আশ্রম তৈরির উদ্দেশ্য কি?


ভারতের উদ্যোগে বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ১) ঢাকার রমনা কালি মন্দিরের ভেতরে ৫ তলা গেস্ট হাউস। ২) সাভারের ইস্কন মন্দিরের ভেতরে বহুতল আশ্রম ভবন নির্মাণ। ৩) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতরে হোস্টেল নির্মাণ। ৪)



যেসব মালানা, মুফতী, মুফাসসির, মুহাদ্দিছ ও পীর দাবিদাররা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তারা নিঃসন্দেহে উলামায়ে ‘সূ’


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ফযল-করম মুবারক এবং মহাসম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



সন্তানকে কু-পথ থেকে বাঁচানোর জন্য ইসলামী শিক্ষার বিকল্প কিছুই হতে পারে না


সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান হলো মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার শিক্ষা। এই শিক্ষা নৈতিক চরিত্র ও মানুষ তৈরির শিক্ষা। ব্রিটিশ আমল হতেই সম্মানিত ইসলামী শিক্ষাকে পাঠ্যসূচি থেকে দূরে রাখা হয়। অতীতে বিভিন্নভাবে মুসলমানরা শিশুদের ইসলামী শিক্ষা দিতো। সন্তান সঠিক



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র কুরবানী উনার বিদ্বেষী মহলের এ ধরনের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত হয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক উনার উপর দৃঢ় থাকো আর গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না। ” ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারি ও বেসরকারি