রহমত -blog


...


 


যুগে যুগে পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি মুসলমানদেরকেই রুখে দিতে হবে, প্রয়োজনে নিয়োজিত করতে হবে সর্বশক্তি


(১) কতগুলো মুনাফিক, নাস্তিক, কাফিরের গোষ্ঠী পবিত্র কুরবানী উনার সময় এলে পবিত্র কুরবানী বিরোধী প্রচারণায় মেতে উঠে এবং এর বিরুদ্ধে স্লো পয়জনসমৃদ্ধ নানা রঙের নানা ঢঙের বিবৃতি প্রদান করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন- (ক) পবিত্র কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা



অসাম্প্রদায়িকতা এবং কাফির-মুশরিক-মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি


অসম্প্রদায়িকতা শব্দের অর্থ হলো কারো কোনো নিজস্ব সম্প্রদায় বা দল নেই, সবাই একই দল বা সম্প্রদায় বা মতের অন্তর্ভুক্ত। আসলেই কি সবাই অসাম্প্রদায়িক অর্থাৎ কারো কোনো দল, মত বা সম্প্রদায় নেই-বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা যাক। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ



ছবি ও ছবি সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় হারাম


মানুষের ছবি, জীব বা প্রাণীর ছবি, প্রতিকৃতি, পুতুল আঁকা, ছাপা, তোলা সবই হারাম। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক



আল আমিন, কারিহুল কুফর, আস সাবিক, ছাহিবুত তাক্বওয়া, আল হাদি, খাইরু উম্মাতিন, আর রাশিদ, ছাহিবুল হুসনা, লিসানুল্লাহ, আছ ছাবির,


আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যে দ্বিতীয় খলীফা তা সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেই সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা রয়েছে। যেমন সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত


আফদ্বলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি



দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ


মহান আল্লাহ পাক কালাম পাকে ইরশাদ মুবারক করেন, ان الصلوة تنهى عن الفحشاء والمنكر অর্থ: নিশ্চয়ই নামাজ (মানুষকে) সকল অশালীন ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত রাখে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যদি হাক্বীক্বীভাবে নামাজ আদায় করে, তাহলে তার পক্ষে কোন প্রকার গুণাহন কাজে



বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা-মাতাই বাল্যবিয়ে করেছিলেন


সরকার কথায় কথায় বলে থাকে- তারা বঙ্গবন্ধু শেখ সাহেবের সকল স্বপ্ন পূরণ করবে যা তিনি করে যেতে পারেননি। শেখ সাহেবের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু সরকার সে স্বপ্ন পূরণ আর আদর্শ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মুখে বললেও সরকার করছে তার



সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার, মুহব্বত করার, উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়ার


প্রথমে জেনে রাখান আবশ্যক যে, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, হাবীবুল্লাহ, কায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



বেপর্দা-বেহায়াপনার পরিণাম


এসএসসিতে বাংলা সহপাঠ হিসেবে পড়তে হয়েছিল পরকীয়া নিয়ে “হাজার বছর ধরে” উপন্যাসটি। তারপর এইচএসসিতে পড়তে হল “পদ্মা নদীর মাঝি” উপন্যাস। আমার এক বন্ধু বলেছিল, এসএসসিতে বয়সে ছোট ছিলা বলে শুধু পরকীয়া কিভাবে করতে হয় তার একটা টাচ দিয়েছিল। আর এখন বড়



ক্বলবী যিকির করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য ফরয


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে- الا بذكر الله تطمئن القلوب অর্থ: সাবধান! খালিক¦ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত যিকির উনার দ্বারাই ক্বলব বা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ



সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমল করলে কামিয়াবী হাছিল হয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই তোমাদের সকলের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই উত্তম আদর্শ মুবারক রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১) অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তারিখ ১২ রবিউল আউয়াল। এটাই সহীহ মত।


সহীহ হাদীস শরীফে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের তারিখ,বার, মাস সবই বর্ণনা করা আছে। হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন- حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ،