প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাসম্মানিত



বেমেছাল বরকতময় ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম


মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার শাফায়াত ওই সকল উম্মত উনাদের জন্য, যাঁরা আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করে থাকেন। আর উনারাই হচ্ছেন আমার খাছ উম্মত



দাড়ি রাখা সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইবলিসের অঙ্গীকার হলো যে, আমি তাদেরকে (মানুষকে) আদেশ করবো যে, যা তারা মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিতে বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটাবে।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৯) এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার



আজ মহাসম্মানিত ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসীকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যে, ফযল, করম ও রহমত মুবারক হিসেবে উনার হাবীব নূরে



ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, আর এ জন্য বাইয়াত গ্রহণ করাও ফরয।


মহান আল্লাহ পাক তিনি মহান ইরশাদ মুবারক করেন, আমি তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি খালিছভাবে আমার (সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে) ইবাদত করো। প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা ফরয। কেননা ইখলাছ ব্যতীত পবিত্র কুরবানীসহ কোন ইবাদতই মহান আল্লাহ পাক উনার



সরকার পবিত্র ঈদে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের পূজায় ঠিকই সাহায্য করে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় (মুশরিকদের পূজায়) পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ সরকার পবিত্র ঈদে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের



যেভাবে মানুষ ‘স্ট্যাটাস’ ধরে রাখতে গিয়ে নিজেকেই বিসর্জন দেয়!!


কথিত ‘সামাজিক স্ট্যাটাস’ বজায় রাখতে গিয়ে মুসলমানরা যে কি রকম বেহাল অবস্থায় পড়েছে, এটা ভালোভাবে উপলব্ধি করার জন্য একটি ঘটনা উল্লেখ করতে হয়…. কিতাবে বর্ণিত আছে, এক পিতা তার পুত্রকে নিয়ে একটি গাধা বিক্রয় করার জন্য হাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো। পথিমধ্যে



কবরের পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটুকু হচ্ছে, সেদিকে নজর আছে কি?


আমরা মুসলমান। আমরা বিশ্বাস করি-পরকাল বলতে একটি অন্তঃহীন বিষয় আছে। আর সেটার শুরুই হবে আমাদের ইন্তেকালের সাথে সাথেই। সম্মানিত মুসলমান উনাদের প্রধান জীবন বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে ইন্তেকালের পর প্রথম মনজিল কবরের মধ্যে কি কি



সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল



তারা কি পবিত্র জুমুয়ার দিনকে ‘শোকের দিন’ বলবে? নাউযুবিল্লাহ!


পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ৫টি কারণে জুমুয়ার দিনকে দিনের সাইয়্যিদ ও মহান দিন, এমনকি কুরবানীর ঈদ ও রোযার ঈদের চেয়েও বেশি মূল্যবান ও মহান। কারণগুলো হলো- ১. জুমুয়ার দিন আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে



একটি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ফযীলত মুবারক,


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারক উনাকে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব প্রদান করা হবে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র জীবনী মুবারক থেকে:


শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার প্রতি আদব কিতাবে বর্ণিত আছে- الادب هو الدين كله অর্থ: “সম্মানিত দ্বীন উনার পুরোটাই আদব।” যার আদব নেই তার দ্বীন নেই। বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি