প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


সরকার পবিত্র ঈদে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের পূজায় ঠিকই সাহায্য করে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় (মুশরিকদের পূজায়) পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ সরকার পবিত্র ঈদে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের



যেভাবে মানুষ ‘স্ট্যাটাস’ ধরে রাখতে গিয়ে নিজেকেই বিসর্জন দেয়!!


কথিত ‘সামাজিক স্ট্যাটাস’ বজায় রাখতে গিয়ে মুসলমানরা যে কি রকম বেহাল অবস্থায় পড়েছে, এটা ভালোভাবে উপলব্ধি করার জন্য একটি ঘটনা উল্লেখ করতে হয়…. কিতাবে বর্ণিত আছে, এক পিতা তার পুত্রকে নিয়ে একটি গাধা বিক্রয় করার জন্য হাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো। পথিমধ্যে



কবরের পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটুকু হচ্ছে, সেদিকে নজর আছে কি?


আমরা মুসলমান। আমরা বিশ্বাস করি-পরকাল বলতে একটি অন্তঃহীন বিষয় আছে। আর সেটার শুরুই হবে আমাদের ইন্তেকালের সাথে সাথেই। সম্মানিত মুসলমান উনাদের প্রধান জীবন বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে ইন্তেকালের পর প্রথম মনজিল কবরের মধ্যে কি কি



সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল



তারা কি পবিত্র জুমুয়ার দিনকে ‘শোকের দিন’ বলবে? নাউযুবিল্লাহ!


পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ৫টি কারণে জুমুয়ার দিনকে দিনের সাইয়্যিদ ও মহান দিন, এমনকি কুরবানীর ঈদ ও রোযার ঈদের চেয়েও বেশি মূল্যবান ও মহান। কারণগুলো হলো- ১. জুমুয়ার দিন আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে



একটি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ফযীলত মুবারক,


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারক উনাকে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব প্রদান করা হবে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র জীবনী মুবারক থেকে:


শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার প্রতি আদব কিতাবে বর্ণিত আছে- الادب هو الدين كله অর্থ: “সম্মানিত দ্বীন উনার পুরোটাই আদব।” যার আদব নেই তার দ্বীন নেই। বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



নবাব সিরাজুদ্দৌলাও হোলিপূজা করে পার পায়নি, বর্তমান শাসকরা পার পাবে কি করে?


ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকগোষ্ঠীর পতনের পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো রাজপ্রাসাদে শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বিধর্মীদের সংস্কৃতির অতিরিক্ত পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। ইতিহাসে রয়েছে যে, মুর্শিদাবাদের মতিঝিল প্রাসাদে শাহমত জংগ ও শওকত জংগ এবং মনসুরগঞ্জ প্রাসাদে খোদ সিরাজউদ্দৌলা ‘হোলি উৎসব’ পালন করতো। মীরজাফরও



মুসলমান পুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- বেশি বেশি নেক আমল ও দান-ছদক্বা করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ’ উনার ১৬০ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে একটি নেক কাজ করবে, সে তার দশগুণ পাবে।’ সুবহানাল্লাহ! কোনো মুসলমান নেক কাজের নিয়ত করা মাত্র তার জন্য একটি নেকী লেখা



সম্মিলিতভাবে সম্মানিত মাক্বাম উনার স্তর মুবারক


প্রথম হচ্ছেন: যিনি খালিক্ব মালিক রব্বুল আলামীন মহান আল্লাহ পাক তিনি। দ্বিতীয় হচ্ছেন: যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। তৃতীয় হচ্ছেন: মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র, পবিত্রতা দানকারী, হযরত আহলু বাইতি



স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো?


স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো? তাহলে মাদরাসার কিতাবাদি স্কুলে পড়ানো হবে না কেনো? বাংলা সাহিত্য, ইংরেজী, বিশ্বপরিচয়সহ আরো বেশ কয়েকটি বই রয়েছে যেগুলো স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে মাদরাসায়ও একই বই পড়ানো হচ্ছে। ওই বইগুলো খুললে কখনোই মনে হবে না



যারা ছবি তুলে, তৈরি করে, অঙ্কন করে তারা খোদা দাবিকারী নমরূদ, ফিরআউনের উত্তরসূরি


সরাসরি রব দাবি করেছিল চির মালউন, জাহান্নামী নমরূদ ও ফিরআউন। আর পরোক্ষভাবে বর্তমানে খোদা তথা সৃষ্টিকর্তা দাবি করতেছে তারা, যারা ছবি তুলে, আঁকে, অঙ্কন করে ও তৈরি করে এবং যারা মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানকিন, পুতুল ইত্যাদি তৈরি করে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম