প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র জীবনী মুবারক থেকে:


শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার প্রতি আদব কিতাবে বর্ণিত আছে- الادب هو الدين كله অর্থ: “সম্মানিত দ্বীন উনার পুরোটাই আদব।” যার আদব নেই তার দ্বীন নেই। বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



নবাব সিরাজুদ্দৌলাও হোলিপূজা করে পার পায়নি, বর্তমান শাসকরা পার পাবে কি করে?


ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকগোষ্ঠীর পতনের পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো রাজপ্রাসাদে শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বিধর্মীদের সংস্কৃতির অতিরিক্ত পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। ইতিহাসে রয়েছে যে, মুর্শিদাবাদের মতিঝিল প্রাসাদে শাহমত জংগ ও শওকত জংগ এবং মনসুরগঞ্জ প্রাসাদে খোদ সিরাজউদ্দৌলা ‘হোলি উৎসব’ পালন করতো। মীরজাফরও



মুসলমান পুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- বেশি বেশি নেক আমল ও দান-ছদক্বা করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ’ উনার ১৬০ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে একটি নেক কাজ করবে, সে তার দশগুণ পাবে।’ সুবহানাল্লাহ! কোনো মুসলমান নেক কাজের নিয়ত করা মাত্র তার জন্য একটি নেকী লেখা



সম্মিলিতভাবে সম্মানিত মাক্বাম উনার স্তর মুবারক


প্রথম হচ্ছেন: যিনি খালিক্ব মালিক রব্বুল আলামীন মহান আল্লাহ পাক তিনি। দ্বিতীয় হচ্ছেন: যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। তৃতীয় হচ্ছেন: মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র, পবিত্রতা দানকারী, হযরত আহলু বাইতি



স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো?


স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো? তাহলে মাদরাসার কিতাবাদি স্কুলে পড়ানো হবে না কেনো? বাংলা সাহিত্য, ইংরেজী, বিশ্বপরিচয়সহ আরো বেশ কয়েকটি বই রয়েছে যেগুলো স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে মাদরাসায়ও একই বই পড়ানো হচ্ছে। ওই বইগুলো খুললে কখনোই মনে হবে না



যারা ছবি তুলে, তৈরি করে, অঙ্কন করে তারা খোদা দাবিকারী নমরূদ, ফিরআউনের উত্তরসূরি


সরাসরি রব দাবি করেছিল চির মালউন, জাহান্নামী নমরূদ ও ফিরআউন। আর পরোক্ষভাবে বর্তমানে খোদা তথা সৃষ্টিকর্তা দাবি করতেছে তারা, যারা ছবি তুলে, আঁকে, অঙ্কন করে ও তৈরি করে এবং যারা মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানকিন, পুতুল ইত্যাদি তৈরি করে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম



সলমানদের অধিকার সংরক্ষণ করার ব্যাপারে সরকারকে অবশ্যই অত্যধিক তৎপর হতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দুনিয়াতে তুমি তোমার অধিকারকে ভূলে যেওনা।’ অর্থাৎ, দুনিয়ার যমীনে তোমাদের যাবতীয় অধিকারের ব্যাপারে তোমরা গাফিল থেকনা। নিজের অধিকার আদায়ে সদা সচেষ্ট থাকবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯৮ ভাগই মুসলমান। তাই, সবক্ষেত্রেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক এবং শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّاۤ اَعْطَيْنٰكَ الْكَوْثَرَ অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সম্মানিত মুবারক কাউছার হাদিয়া মুবারক করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১) এই সম্মানিত কাওছার মুবারক উনার লক্ষ-কোটি ব্যাখ্যা



কি করে স্কুল-কলেজে পূজা হয়? কোন সাহসে ছাত্র-ছাত্রীদের পূজায় অংশগ্রহণ করানো হয়?


বিধর্মীদের পূজার সময় সমস্ত সরকারি হাই স্কুল ও কলেজগুলো থেকে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জোরপূর্বক পূজায় শরীক করানো হয়। নাউযুবিল্লাহ! ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ, এই দেশ একটি স্বাধীন দেশ, ৩০ লাখ শহীদের তাজা রক্তে গোসল করেছে এদেশ, মুফতে স্বাধীনতা পাওয়া যায়নি। অনেক



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ অবশ্যই পবিত্র ১২ই


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমুল ফীল বা হস্তির বছর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১২ই শরীফ তারিখে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেন। কিন্তু কিছু মুসলিম নামধারী ও কিছু নাস্তিক প্রমাণ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে যে,



বাল্যবিবাহ বিরোধীদের উচিত ক্লিনিকগুলোর গর্ভপাতের বিষয়ে নিয়ে নজর দেয়া


যারা বাল্যবিবাহ নিয়ে ও বিয়ের বয়স নিয়ে কথা বলে তাদের উচিত- আগে বাংলাদেশের যত হাসপাতাল, ক্লিনিক আছে সেখানে জরিপ করা। কেননা যেখানে যথাসময়ে ও উপযুক্ত বয়সে বিয়ে না দেয়ায় অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে, শেষে গর্ভপাত ঘটায় মেয়েরা। বাল্যবিবাহ বিরোধীদের উচিত সেখানে গিয়ে



অশ্লীল ও অপ্রয়োজনীয় কাজ বন্ধ করে সে অর্থ দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করুন


মুসলমানদের হালাল ও নৈকট্যশীল কাজ অপখাতে ও হারাম কাজে দেয়া বন্ধ করে দিয়ে, দেশে নাটক, সিনেমা, খেলাধূলাসহ যত হারাম কাজ হয়, সেগুলো বন্ধ করে হারাম কাজে ব্যয়কৃত টাকা দরিদ্রদের মাঝে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ** এদেশে সরকারি বেসরকারি সব হারাম টিভি