^^^^সীমান্ত ঈগল^^^^ -blog


۞ খাঁটি মুমিন হতে হলে তাগূতের পাক্কা কাফির হতে হবে۞


 


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসম বা নাম মুবারক উনার বেমেছাল


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله تعالـى عَنه قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَدْخُلُ الْفَقْرُ بَيْتًا فِيهِ اسْمِي. অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে



ই.ফা. প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফ কিতাবের হাদীছ শরীফ উনার ভুল অর্থ করে মূর্তি জায়িয বানানোর অপচেষ্টা


ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকরা মূর্তিকে হালাল করার জন্য ইসলামী ফাউন্ডেশন (ই.ফা.) থেকে প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফের একটা হাদীছ শরীফ পেশ করলো। এটা দিয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছে ছবি ভাস্কর্য জায়িয। নাউযুবিল্লাহ! হাতুড়ে ডাক্তার যে মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ এটাই এখন প্রমাণ হবে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের



মূর্তি, ভাস্কর্য ও প্রাণীর ছবি ইত্যাদি বিষয়ে শরয়ী ফায়ছালা মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফে বহু পূর্বেই দেয়া হয়েছে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মূর্তি, ভাস্কর্য, প্রতিমা ও ছবির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক মূর্তি, ভাস্কর্য, প্রতিমা ও ছবি তৈরী কারী জাহান্নামী।’ মূর্তি, ভাস্কর্য



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে দ্বীনী ইলম উনাকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দেয়া।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয।” সরকার যদি দেশের শিক্ষা কারিকুলাম বা সিলেবাস পরিবর্তন করতে চায় তাহলে সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে দ্বীনী ইলম



আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র আশূরা শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, ‘তোমরা সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত বরকতময় পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে সম্মান করো।’ আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র আশূরা শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দুই দিন রোযা



স্কুল-কলেজে সরাসরি কুফরী শিখানো হচ্ছে!! পাঠ্যবইয়ে মহান আল্লাহপাক উনার সম্পর্কেই মারাত্মক কুফরী শিক্ষা দেয়া হচ্ছে রিয়াসাত পারভেজ


স্কুলের বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যা’ অধ্যায়ে জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে ‘জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ’ হিসেবে কয়েকটি কারণের মধ্যে একটি কারণ বলা হয়েছে ‘ধর্মীয় কারণ’। সেখানে বলা হয়েছে- “ধর্মীয় কারণে অনেক মানুষই বিশ্বাস করেন সৃষ্টিকর্তা যেহেতু আমাদের সৃষ্টি করেছেন



বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা: সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ


করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই নানা ধরণের তথ্য প্রচার করছে। যা নিয়ে অনেকেই অহেতুক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের কি করণীয়, সে সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা মুবারক দান করেছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম



সুমহান মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীর জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ১, ২,



প্রত্যেক জাতিই তার নিজ শত্রুকে চিনে, কিন্তু মুসলমানরা কি তাদের শত্রু চিনে?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের শত্রু কারা তা সরাসরি বলে দিয়েছেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও তা মুসলমানদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আজ সারাবিশ্বে মুসলমানদেরকে নিয়ে যে কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্র চলছে তা



প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা ফরয।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি খালিছভাবে আমার (সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে) ইবাদত করো। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা ফরয। কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ



দ্বীনী শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, কুশিক্ষা নয়!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন: “তোমরা দোয়া করো- আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইলম দুই প্রকার। এক প্রকার ইলম হচ্ছে- যবানী ইলম,