আহমাদ সাক্বালাইন -blog


...


 


মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বীদাহ মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে



পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুস্পষ্ট কুফরী


কিছু মানুষের অন্তর কুফর দিয়ে ঢাকা। তাদের অন্তরে মোহর দেয়া। দ্বীন ইসলাম উনার বিধানকে আক্রমণ করে নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকতে চায়। পবিত্র কুরবানী নিয়ে তাদের কতো যে আপত্তি! এগুলোর সাথে জীবহত্যা, পশু অধিকার, করোনা ভাইরাস, ছোঁয়াচে, জীবে দয়া করা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে



প্রতিবাদ করা, প্রতিরোধ করা ঈমানের দাবি


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ



সুদভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্যতার মূল কারণ


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব, সম্মান মর্যাদা-মর্তবা উনার বিষয়টি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম ও দয়াদান ইহছান হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য



সমস্ত নারী কুলের তরে এক মহান নিয়ামত, নিয়ামতে উজমা হলেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত “উম্মুল উমাম” আলাইহাস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর, তাহলে তোমাদের নিয়ামতকে আরো বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে। সুবহানাল্লাহ! মূলতঃ সমস্ত উম্মাহ কুলের তরে এমন এক নিয়ামত তথা নিয়ামতে উজমা উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনি হাদিয়া করেছেন যাঁর যথাযথ



হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলায়েত মুবারক হচ্ছে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার স্থলবর্তী সম্মানিত নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নিয়ামতপ্রাপ্ত সে বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি



ইতিহাসে আলোচিত কিছু মুসলিম ব্যক্তিত্ব, যারা বিধর্মীদেরকে ভালোবেসে তাদের দ্বারাই প্রতারিত-নিগৃহীত-অপমানিত হয়েছিল


‘অসাম্প্রদায়িকতা’ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ এসব চটকদার কথা আমাদের দেশের কথিত বুদ্ধিজীবীদের মুখে প্রতিনিয়তই শোনা যায়। টকশো-সর্বস্ব এসব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দালালদের বিপরীতে ইতিহাসে মশহুর এমনও কিছু প্রতিভাবান মুসলিম ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যারা প্রথমজীবনে বিধর্মীদের সমাদর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়েছিলেন। মুহম্মদ মনিরুজ্জামান রচিত,



দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ রাতসমূহের মধ্যে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ অন্যতম


মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ রাতসমূহের মধ্যে একটি রাত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার রাত। যেটা আমরা পবিত্র শাবান মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে পালন করে থাকি। আর শবে বরাত অর্থ: মুক্তি বা নাজাতের রাত অর্থাৎ ‘শব’ ফার্সী শব্দ



দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আদব


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ الْإِسْلَامُ অর্থ: ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছেন ইসলাম।’ (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৯) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক



সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং তারা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই দুটি



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তাঘাটে কেন পূজা করতে দেয়া হচ্ছে, পূজাতো মন্দিরের বিষয়


আমাদের দেশে বর্তমানে প্রকাশ্যে মাঠে-ঘাটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজা করাটা খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অধিকাংশ মুসলমানই এরূপ ধারণা করে থাকে যে, মূর্তিপূজারীরা তাদের ধর্ম পালন করছে, তারা তো কারো কোনো ক্ষতি করছে না। কিন্তু মুসলমানদের এই ধারণা সম্পূর্ণই ভুল। কারণ