সরলমত -blog


...


 


ফ্রান্সের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপসহ দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান


ছাত্র আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলন: ফ্রান্সের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপসহ দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানীকর যে কোন বিষয় প্রচার, প্রকাশ ও প্রদানকারীর মৃত্যুদ-ের শাস্তি জারীর পাশাপাশি



বাংলাদেশীরা স্বজাতি বা দেশীয়দের প্রাধান্য দেয় না কেন?


এটা এখন ওপেন সিক্রেট খবর যে, বাংলাদেশে নামে-বেনামে, বৈধ-অবৈধভাবে লাখ লাখ ভারতীয় অবস্থান করছে। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের দেশে প্রায় হাজার হাজার মিলিয়ন ডলার আমাদের দেশ থেকে পাচার করছে। ভারতের রেমিট্যান্স উৎসের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সংখ্যা শুধু সরকারি হিসাবে। কিন্তু



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০ তারিখের ছুবহে ছাদিক হতে ১২ তারিখের সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যেসকল পুুরুষ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ‘সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দী উনাদেরকে পবিত্র কুরবানী করার জন্য সরাসরি নির্দেশ মুবারক প্রদান করেছেন। যেমন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার যিনি মহান রব তায়ালা উনার (সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের) জন্য নামায



হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।


সম্প্রতি খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’ নামে একটি উৎসব ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদেরকে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে এই বোনাস দেয়া হবে। (সূত্র: দৈনিক সকালের খবর, ১০.০৯.২০১৫) এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে- সারা বছরে এত উৎসব



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা ও অনুসরণ-অনুকরণ করা সম্পূর্ণ নাজায়িয, হারাম ও কুফরী।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মুনাফিক ও কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ করো না।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা ও অনুসরণ-অনুকরণ করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। মনে রাখতে হবে



“আত তাক্বউইমুশ শামসী”একটি নতুন সৌর সন


বিজ্ঞানের প্রায় সমস্ত আবিষ্কারের নেপথ্যে রয়েছে মুসলমান উনাদের অবদান। আর কাফিরদের তৈরি করা হয়েছে মুসলমান উনাদের খিদমতের জন্য। যেখানে মুসলমানদের রচিত বিষয় থাকবে সেখানে মুসলমানদের বিষয় অনুসরণ করতে হবে। সময় এবং কাল গণনা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ। সেক্ষেত্রে মুসলমান রচিত



হিন্দুরা অকৃতজ্ঞ, দেশের কোনো হিন্দু আহত হলে তখন তারা হয়ে যায় সংখ্যালঘু আর যখন সুবিধা ভোগ করে তখন কৃতজ্ঞতা


গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নাকি একজন নাগরিক রাষ্ট্র থেকে সকল সুবিধা লাভ করে থাকে। এজন্য দেখা যায়, রাষ্ট্রে বসবাসরত সকল নাগরিক ঐ সকল রাষ্ট্রীয় সুবিধা লাভের জন্য সর্বদা তার নাগরিকত্ব ফুটিয়ে তুলতে উন্মুখ থাকে। আবার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রকে ট্যাক্স দেয়া নাগরিককের একটা



বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বনাম আত্মঘাতী অসম চুক্তির রামপাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র


বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচলিত বিভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তাপবিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরেকটি সহজ পথ হতে পারে উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটা স্রোত ব্যবহার করে টাইডাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। উদাহরণস্বরূপ- ফ্রান্স-এর রান্স টাইডাল পাওয়ার স্টেশন থেকে ২৪৬ মেগাওয়াট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিহয়া টাইডাল



রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল


মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার সর্বকালের, সর্বযুগের, সর্বশ্রেষ্ঠ, অভূতপূর্ব, বেমেছাল, সুমহান তাজদীদ মুবারক ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ২৪ ঘণ্টা তথা দায়িমীভাবে সারা জীবন সম্মানিত সাইয়্যিদুল



যারা দাঁড়ি কামায় তারা অভিশপ্ত ও শয়তানের বন্ধু


আল্লাহপাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ অর্থ: আমি মানুষদেরকে উত্তম আকৃতিতে তৈরী করেছি। সূরা- ত্বীন শরীফ – আয়াত শরীফ নং- ০৪ আর ইবলিশ মানুষদেরকে আকৃতি বিকৃতি করার বিষয়ে ওয়াদা করেছে। যেমন, পূরূষের দাঁড়ি



বিশ্বজিত দাস নামক এক হিন্দুর হত্যার কারনে ৮ জনের ফাঁসি, ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তাহলে…………..


বিশ্বজিত দাস নামক এক হিন্দুর হত্যার কারনে ৮ জনের ফাঁসি দিয়েছে আদালত। একজনের জন্য ৮ জনের ফাঁসি? তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদকারী যুদ্ধাপরাধী-রাজাকারদের ফাঁসি দিতে এত দেরী কেন? প্রতিদিন হরতাল অবরোধে কত মানুষ মারা যাচ্ছে এর বিচার করবে কে?  



দানবাধিকার ও যুদ্ধপরাধের বিচার


ঘাতকগুরু গো’আযমকে ৯০ বছর দেয়া হয়েছে। কারন হিসেবে ট্রাইবুনাল দেখিয়েছে সে বুড়ো হয়ে গেছে। তাই মানবাধিকারগত কারনে ফাঁসি না দিয়ে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। আশ্চর্য!!! গো’আযম যে মানব থেকে দানবে পরিনত হয়েছে সে ৭১ এ। একথা কি ট্রাইবুনালের জানা নেই? ট্রাইবুনাল দাবনের